সিলেট ব্যুরো
প্রকাশ : ২৫ জুন ২০২৬, ০৩:১১ পিএম
আপডেট : ২৫ জুন ২০২৬, ০৩:১২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সুরঞ্জিত সেন হত্যাচেষ্টা মামলায় আরিফুল-বাবর-গউছসহ খালাস ৮

আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেন হত্যাচেষ্টা মামলায় আরিফুল-বাবর-গউছসহ ৮ জন খালাস পেয়েছেন। ছবি: কালবেলা
আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেন হত্যাচেষ্টা মামলায় আরিফুল-বাবর-গউছসহ ৮ জন খালাস পেয়েছেন। ছবি: কালবেলা

দীর্ঘ ২২ বছর পর সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় গ্রেনেড হামলা ও হত্যা চেষ্টা মামলায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছসহ ৮ আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।

বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে একটি রাজনৈতিক জনসভায় গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। ওই জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। হামলায় যুবলীগের এক নেতা নিহত হন এবং অন্তত ২৯ জন আহত হন।

ঘটনার পর দায়ের করা মামলায় অভিযোগ আনা হয়, সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়েছিল। দীর্ঘ তদন্ত শেষে বিভিন্ন সময়ে বিএনপির সাবেক নেতা ও বর্তমান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছসহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরবর্তীতে আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

চলতি বছরের এপ্রিলে আদালতে হাজির হয়ে আরিফুল হক চৌধুরী, লুৎফুজ্জামান বাবর ও জি কে গউছ নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। একই মাসে মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়।

আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন থাকা এ মামলাটি সিলেট অঞ্চলের অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক সহিংসতার মামলা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছিল। মামলার বিচারপ্রক্রিয়ার অগ্রগতি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আগ্রহ ছিল।

অবশেষে বৃহস্পতিবার ঘোষিত রায়ে আরিফুল হক চৌধুরী, লুৎফুজ্জামান বাবর ও জি কে গউছসহ ৮ আসামিকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।

সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন কালবেলাকে বলেন, মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ কোনো জোরালো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। ৬৭ জন সাক্ষীর মধ্যে তদন্ত কর্মকর্তা ও একজন সাক্ষী ছাড়া আর কেউ কোনো আসামির নাম উল্লেখ করতে পারেননি। তাই আদালত সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছসহ ৮ আসামিকে সসম্মানে খালাস দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন পর হলেও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় আমরা আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

১০ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবানের সব পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা

ব্রাজিলের বিদায়ের পর বাংলাদেশি ভক্তদের ধন্যবাদ জানালেন রাষ্ট্রদূত

মিসর ম্যাচের আগে স্বস্তির খবর পেল আর্জেন্টিনা

এনসিপির সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ২

জাবি শিক্ষার্থীকে বাস থেকে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ, ৬ বাস আটক

সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ / সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিচার শুরু

মিরপুরে ১৪ তলা ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট

পাহাড় ধসের শঙ্কা: পাঁচ জোনে বিভক্ত চট্টগ্রাম, ৮ শেল্টার হোম প্রস্তুত

ডিএমপির ৬ ডিসির পদে রদবদল

যুক্তরাজ্যে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার দাবি  

১০

সমস্যা থাকবেই, বসে থাকলে চলবে না: প্রধানমন্ত্রী

১১

খাচ্ছেন কম, তবুও বাড়ছে ওজন? জেনে নিন কারণ ও করণীয়

১২

বিরতির অবসান, যে সিনেমা দিয়ে ফিরছেন বুবলী

১৩

অন্ধকারে বান্দরবানের ৪ উপজেলা

১৪

পরিবেশ সচিবকে প্রত্যাহার

১৫

ফোনে খুনির কল / ‘তোর বাবাকে মারতে চাইনি, কয়েকটা ছুরিকাঘাত করেছি’ 

১৬

বিশ্বকাপের মাঝেই মেসির বউকে বিশেষ উপহার পাঠালেন রোনালদোর বান্ধবী

১৭

একসঙ্গে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ ছাড়লেন বাবা-ছেলে

১৮

সংগঠিত হোন, লড়াই এখনো বাকি: মাহফুজ আলম

১৯

মঙ্গলবার ১৬ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

২০
X