রহমান মৃধা
প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:০১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

এই আলো কি সেই মেয়েটিই

রহমান মৃধা। ছবি : সংগৃহীত
রহমান মৃধা। ছবি : সংগৃহীত

যুদ্ধ শেষ হয় কাগজে কলমে। কিন্তু মানুষের ভেতরে যুদ্ধ কখনো শেষ হয় না। বিশেষ করে যারা যুদ্ধে প্রিয়জনকে হারায়। ১৯৭১ সালে আমি সেটা বুঝিনি। তখন আমি শুধু দেখেছি আগুন, ভাঙা ঘর, আতঙ্কে ছুটে চলা মানুষ। দেখেছি এক মা তার মেয়েকে বুকে চেপে ধরে দৌড়াচ্ছে, আবার এক মুহূর্তেই জনতার ভিড়ে সেই বুকটা ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। শিশুটি হারিয়ে যায়। কেউ জানে না সে কোথায় গেল। নামটা তখনও জানা ছিল না। শুধু জানা ছিল, একটা আলো নিভে গেল।

১৯৮৭ সাল। ঢাকা থেকে দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছেছি। সামনে দীর্ঘ যাত্রা। দমদম থেকে বেলগ্রেড, তারপর স্টকহোম। বিমানবন্দরের কোলাহল তখনও আমার কাছে নতুন। দেশ ছেড়ে যাওয়ার ভারী অনুভূতির সঙ্গে ভেতরে কোথাও এক অদ্ভুত অস্থিরতা কাজ করছিল।

প্লেনে উঠে আমার সিট নম্বর ছিল ১৪। জানালার পাশের সিট। কিছুক্ষণ পর পাশের সিটে এসে বসল একটি মেয়ে। বয়স কুড়ির কাছাকাছি। মুখে লাজুক আত্মবিশ্বাস, চোখে একধরনের দৃঢ়তা। সাধারণ কথাবার্তা দিয়ে শুরু হলো আলাপ। কোথা থেকে আসছি, কোথায় যাচ্ছি, কতদিনের জন্য।

সে বলল, বেলগ্রেড যাচ্ছে পড়াশোনা করতে। সরকারি বৃত্তি পেয়েছে। কণ্ঠে গর্ব ছিল, আবার কোথাও যেন অনিশ্চয়তাও। কথা বলতে বলতে জানলাম, তার বাবা মা বাংলাদেশি। কিন্তু বহু আগেই দেশ ছেড়েছেন। রেভুলেশনের সময়। তখন সে নাকি মাত্র চার পাঁচ মাসের শিশু।

আমি স্বাভাবিকভাবেই আরও জানতে চাইলাম। কীভাবে তারা দেশ ছাড়লেন। কেন কলকাতায় গেলেন। সে যা বলছিল, সবই তার বাবা মায়ের কাছ থেকে শোনা গল্প। নিজের কোনো স্মৃতি নেই। শুধু বর্ণনা, শুধু বলা কথা। তবু তার কণ্ঠে সেই গল্পগুলো বলতে গিয়ে একধরনের দূরত্ব ছিল। যেন সে নিজেও জানে, এই গল্পগুলো তার জীবনের শুরু হলেও, তার নিজের নয়।

আমি তাকিয়ে তাকিয়ে শুনছিলাম। তার মুখের রেখায়, চোখের দৃষ্টিতে, হাসির ভেতরে কোথাও এক অদ্ভুত পরিচিতি খুঁজে পাচ্ছিলাম। কেন জানি মনে হচ্ছিল, এই মুখ আমি আগেও দেখেছি। বহু বছর আগে। অন্য এক সময়। অন্য এক বাস্তবতায়।

কথা বলতে বলতে হঠাৎ নিজের ভেতর একটা অস্বস্তি টের পেলাম। মনে হলো, আমি যেন এমন এক দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছি, যেটা খুলে ফেললে আর ফেরানো যাবে না। তাই আর বেশি প্রশ্ন করিনি। শুধু শুনেছি। নীরবে।

অনেক বছর পর, ১৯৭১ সালের স্মৃতিটা আবার ফিরে আসে। কারণ কিছু দৃশ্য মানুষ ভুলতে পারে না। চোখে পড়েছিল এক কিশোরী। মুখের গড়ন, চোখের দৃষ্টি, হাসির ভেতরের অনিশ্চয়তা। অদ্ভুত এক মিল। তখনই মনে হয়েছিল, সময় কী এমন খেলাও খেলতে পারে। নাকি আমি নিজেই স্মৃতির ভেতর আটকে আছি।

প্লেন তখন রানওয়েতে গতি নিচ্ছে। আলো নিভছে। জানালার বাইরে অন্ধকার। আর আমার ভেতরে, অজান্তেই, অনেক বছর আগে হারিয়ে যাওয়া একটি আলোর স্মৃতি ধীরে ধীরে জ্বলে উঠছিল। দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার জার্নী শেষে ল‍্যান্ড করলাম বেলগ্রেডে। বিদায়ের সময় হ‍াই এবং বাই দিয়ে আমি স্টকহোমের ট্রানজিটের অপেক্ষায় অন‍্যদিকে মেয়েটি চলে গেলে তার পথে। তবে সে আমার সুইডেনর ঠিকানাটি নিয়েছিল।

বহু বছর পর আমি আবার বাংলাদেশে গিয়েছিলাম। দেশটা তখন আর আগের মতো নেই, আবার পুরোপুরি বদলিয়েও যায়নি। পরিচিত গন্ধ, পরিচিত শব্দ, কিন্তু মানুষগুলো যেন আরও ক্লান্ত। সময় এখানে শুধু এগোয়নি, জমে ছিল। বহু বছর পর মেয়েটির মাকে দেখেছিলাম। বয়স তাকে ভেঙে দিয়েছে, কিন্তু অপেক্ষা তাকে ছাড়েনি। আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, আপনার মেয়ের কোনো খবর পেয়েছেন কি। তিনি কিছুক্ষণ চুপ করে ছিলেন। তারপর শুধু বলেছিলেন, না। সেই না শব্দটার ভেতর ছিল জীবনের সব ক্লান্তি। আমি আর প্রশ্ন করিনি। কারণ কিছু প্রশ্নের উত্তর থাকলেও, তা শুনে নেওয়ার অধিকার সবার থাকে না।

আমি আর কোনো প্রশ্ন করিনি। নামও উচ্চারণ করিনি। আলো নামটা তখন আমার গলায় আটকে গিয়েছিল। কারণ কিছু নাম উচ্চারণ করলে শুধু মানুষ নয়, সময়ও কেঁপে ওঠে। তবে যেহেতু আলোর মা জানতেন কীভাবে আলো হারিয়ে গিয়েছিল এবং আমিও জানতাম ঘটনাটি তাই হয়ত বিদায় নেওয়ার সময় তিনি শুধু বলেছিলেন, যদি কখনো কোনো খবর পান, জানাবেন। আমি মাথা নেড়েছিলাম। কিন্তু মনে মনে জানতাম, কিছু খবর জানানো হয় না। কিছু খবর বহন করতে হয়, নিঃশব্দে। সেদিন বুঝেছিলাম, যুদ্ধ শুধু মানুষ কেড়ে নেয় না। অপেক্ষাকেও দীর্ঘ করে দেয়। আর সেই অপেক্ষা কখনো শেষ হয় না, শুধু মানুষটাই একদিন চলে যায়।

সুইডেনে ফিরে এসে আলোকে খুঁজে পাই। নতুন করে কথা হয়। প্রশ্ন করি। সন্দেহ বাড়ে। কিন্তু নিশ্চিত কিছু বলা যায় না। জানি না এই আলোই কি সেই হারিয়ে যাওয়া মেয়েটি। জানি না সময় কি সত্যিই এমন নির্মম সমাপতন ঘটাতে পারে। তবুও মন মানতে চায় না।

একদিন আলোকে ফোন করেছিলাম। জিজ্ঞেস করেছিলাম, আমি কি তার বাবা মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারি। সে টেলিফোন নম্বর দিয়েছিল। একদিন ফোন করলাম। নিজের পরিচয় দিলাম। ১৯৭১ সালের কিছু স্মৃতি বললাম। ওপাশ থেকে হঠাৎ চুপচাপ হয়ে গেল। তারপর সে জিজ্ঞেস করলো, আপনি কীভাবে আমাদের পরিচয় জানলেন। আমি সব বললাম। আর ঠিক তখনই লাইন কেটে গেল। আর কোনো কথা হয়নি।

এরপর আলো আর যোগাযোগ করেনি। আমি খুঁজেছি। কিন্তু আর এগোইনি। পরে শুনেছি সে আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায় বিয়ে করেছে। নতুন জীবন। স্থির জীবন। তখন নিজের সঙ্গে নিজেই একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যে মেয়েটি ভালো আছে, তাকে বিরক্ত করা উচিত না। যে মা এত বছর আলোকে ছাড়া বেঁচে ছিল, তাকেও পুরনো কাহিনি মনে করিয়ে দেওয়া ঠিক হবে না।

আমি নিজে এখন দেশে যাই না। এই কথাগুলোও কেউ জানে না। কারণ কয়েক বছর আগে আলোর মা দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন। হয়তো ভালোই হয়েছে। কিছু প্রশ্ন উত্তরহীন থাকাই মানবিক।

এই ঘটনাটা লিখে রাখলাম। কিন্তু পুরো সত্যটা কেউ জানলো না। জানবেও না। কারণ এটা কোনো ডিবেট না। এটা একটি ট্রাজেডি। একটি ছোট্ট শিশুর জীবন কাহিনি, যা সে নিজেই জানে না। সমাজের প্রতিটি যুদ্ধ কোনো না কোনোভাবে আলোর জীবনে মরিচিকা হয়ে গেছে। কারো স্বপ্ন ভেঙে গেছে। কারো জীবন চলমান রয়েছে। কেউ জানে। কেউ জানে না। কারো যৌবন থেমে গেছে, কারো থেমে যায়নি।

হঠাৎ কেন আজ এমন একটি স্মৃতিচারণ?

সিনেমার পর্দায় ছবিটি যখন দেখছি, ঠিক তখনই হঠাৎ মনে পড়ে গেল সেই ১৯৭১-এর হারিয়ে যাওয়া আলোর কথা।

The Light Between Oceans উপন্যাসটির বাংলা অর্থ করা যায় দুই মহাসাগরের মাঝখানের আলো। এটি লিখেছেন অস্ট্রেলীয় লেখিকা এম. এল. স্টেডম্যান। পেশাগত জীবনে তিনি একজন আইনজীবী ছিলেন। এই উপন্যাসটি তাঁর প্রথম উপন্যাস হলেও, প্রকাশের পরপরই এটি বিশ্বজুড়ে পাঠকের গভীর মনোযোগ কাড়ে এবং পরে চলচ্চিত্রে রূপ নেয়।

স্টেডম্যান এই উপন্যাসে যুদ্ধকে নায়ক বা কেন্দ্রীয় বিষয় হিসেবে দাঁড় করাননি। যুদ্ধ এখানে একটি পটভূমি মাত্র। মূল গল্পটি গড়ে উঠেছে মানুষের নৈতিক দ্বন্দ্ব, নীরবতা, ভালোবাসা এবং দায়িত্বের প্রশ্নকে ঘিরে। এখানে ভুল করা মানুষকে দানব হিসেবে দেখানো হয় না। বরং দেখানো হয়, কীভাবে সাধারণ মানুষও কখনো কখনো এমন সিদ্ধান্ত নেয়, যার নৈতিক পরিণতি থেকে পালানোর সুযোগ থাকে না।- পর্দায় দেখা সেই বাতিঘর, সমুদ্রের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা আলো, আমাকে আর কেবল গল্পের দর্শক থাকতে দেয়নি। মনে হলো, এই আলো শুধু পথ দেখানোর প্রতীক নয়, কখনো কখনো তা চাপা পড়ে থাকা স্মৃতিকেও দৃশ্যমান করে তোলে। The Light Between Oceans–এর গল্প এগোতে থাকল, আর আমার ভেতরে অন্য এক গল্প ধীরে ধীরে জেগে উঠল—একটি যুদ্ধের গল্প, একটি নিঃশব্দ অপহরণের গল্প, একটি শিশুর হারিয়ে যাওয়ার গল্প।

উপন্যাসে যুদ্ধকালীন সময়ে একটি দম্পতির জীবনে একটি শিশু আসে এমনভাবে, যা পরিকল্পিত নয়। তারা তৎক্ষণাৎ সিদ্ধান্ত নেয় না। তারা অপেক্ষা করে। ভাবে, সময় হয়তো সব ঠিক করে দেবে। কিন্তু সময় কিছুই ঠিক করে না। সময় কেবল সাক্ষী হয়ে থাকে। এই উপলব্ধিটাই আমাকে ফিরিয়ে নিয়ে যায় ১৯৭১ সালে।

তখন আমিও শিশু। বয়স আট কিংবা দশ। বোঝার ক্ষমতা সীমিত ছিল, কিন্তু দেখার ক্ষমতা ছিল তীক্ষ্ণ। নতুন দম্পতির সেই ঘর, রাতের আঁধারে আশ্রয় নেওয়া মানুষ, আর একটি মাসুম শিশু—এই দৃশ্যগুলো তখন হয়তো আমি সম্পূর্ণ বুঝিনি, কিন্তু ভুলেও যাইনি। সময়ের সঙ্গে তারা চাপা পড়েছিল, মুছে যায়নি।

The Light Between Oceans–এর শেষ অংশ আমাকে সবচেয়ে বেশি নাড়িয়ে দেয় এই কারণে যে, সেখানে প্রশ্নটা আর থাকে না কে দোষী। প্রশ্নটা দাঁড়ায়, কে নীরব ছিল। কে দেরি করেছিল। কে ভেবেছিল, দায় ভাগ হয়ে গেলে হালকা হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা যায়, নৈতিক দায় কখনো ভাগ হয় না। সিদ্ধান্ত একসঙ্গে নেওয়া হলেও, সত্যের সামনে দাঁড়াতে হয় একজনকেই।

এই জায়গাতেই উপন্যাসটি আমার নিজের জীবনের সঙ্গে মিশে যায়। ১৯৮৭ সালে দমদম বিমানবন্দরের সেই আকস্মিক সাক্ষাৎ, বহু বছর পর বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে আলোর মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে থাকা—সবকিছু যেন এই বাতিঘরের আলোর ভেতর এসে পড়ে।

এই গল্প আজ তুলে ধরা জরুরি হয়ে উঠেছে উত্তর দেওয়ার জন্য নয়, বরং একটি সত্য রেখে যাওয়ার জন্য। যুদ্ধ শুধু মানুষ হত্যা করে না। কিছু শিশুকে সে ইতিহাসের বাইরে রেখে দেয়। আর কিছু মানুষকে দিয়ে যায় আজীবনের নীরবতা।

ঠিক যেমন The Light Between Oceans আমাদের মনে করিয়ে দেয়— অপরাধবোধ ভাগ করা যায়, কিন্তু দায় শেষ পর্যন্ত ব্যক্তিগতই থেকে যায়। আজ কেনো বারেবার মনে হচ্ছে , এই আলো কি সেই মেয়েটিই। এই প্রশ্নের উত্তর হয়তো আমি জানি। কিন্তু কিছু সত্য বলা হয় না। চুপ করে থাকা কখনো কখনো অপরাধ নয়, দায়িত্ব।

রহমান মৃধা, গবেষক ও লেখক, সাবেক পরিচালক, ফাইজার, সুইডেন

[ নিবন্ধ, সাক্ষাৎকার, প্রতিক্রিয়া প্রভৃতিতে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। দৈনিক কালবেলার সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে নিবন্ধ ও সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত মত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে। প্রকাশিত লেখাটির ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ, তথ্য-উপাত্ত, রাজনৈতিক, আইনগতসহ যাবতীয় বিষয়ের দায়ভার লেখকের, দৈনিক কালবেলা কর্তৃপক্ষের নয়। ]
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সম্প্রীতির চট্টগ্রাম গড়তে রাজনীতি করছি : সাঈদ আল নোমান

শুধু বগুড়া নয়, পুরো দেশের কথা চিন্তা করতে হবে : তারেক রহমান

ক্ষমতা নয়, দায়িত্ব চাই : ডা. ফজলুল হক

বঙ্গবন্ধু ল’ কলেজের নাম পরিবর্তন

কওমি মাদ্রাসা আমাদের হৃদয়, আমাদের কলিজা : জামায়াত আমির

কুমিল্লায় বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়ালেন ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী

রোহিতের রেকর্ড ভেঙে স্টার্লিংয়ের ইতিহাস

শনিবার শুরু হচ্ছে চতুর্দশ যাকাত ফেয়ার / ‘বৈষম্যহীন, দারিদ্র্যমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে যাকাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে’

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশকে আগামী সংসদের প্রথম অধিবেশনে পাশের আহ্বান

কারাবন্দি যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যু

১০

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা, কমান্ডো নামাচ্ছে শ্রীলঙ্কা

১১

দেশ কোন দিকে পরিচালিত হবে এ নির্বাচন আমাদের দিকনিদের্শনা দেবে : তারেক রহমান

১২

নির্বাচনী প্রচারণায় সহিংসতা বন্ধ করতেই হবে

১৩

চাকরিচ্যুত সেই মুয়াজ্জিনের পাশে তারেক রহমান

১৪

আ.লীগ থাকলে জামায়াত থাকবে, জামায়াত থাকলে আ.লীগ থাকবে : মাহফুজ আলম

১৫

জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি বিএনপি প্রার্থী

১৬

বগুড়ার জনসভা মঞ্চে তারেক রহমান

১৭

বিটিভিতে শুরু হচ্ছে বিনোদনমূলক ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান অভিনন্দন

১৮

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ / ‘শঙ্কিত’ সংখ্যালঘুরা ভোটদানে নিরুৎসাহিত হতে পারেন

১৯

প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড হাউজিং লিমিটেডের আবাসন প্রকল্প ‘আশুলিয়া আরবান সিটি’র শুভ উদ্বোধন

২০
X