

বিপিএলে আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দুর্দান্ত এক জয় পেয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে দাপুটে এই জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন শরিফুল ইসলাম। পাঁচ উইকেটে জয়ের ম্যাচে মূল নায়ক শরিফুল ইসলামের হাতে উঠেছে তাই ম্যাচসেরার পুরস্কারও। ৩.৫ ওভারে মাত্র ৯ রান খরচ করে ৫ উইকেট তুলে ম্যাচসেরার পুরস্কার নিজের করে নেন এই টাইগার পেসার।
ম্যাচের শেষে সংবাদ সম্মেলনে শরিফুল ইসলাম আবারও স্মরণ করিয়ে দিলেন তার সেই মানবিক উদ্যোগের কথা। গত বছরের অক্টোবরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ নিশ্চিত করা ম্যাচেও সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছিলেন তিনি। এরপরই ম্যাচসেরার পুরস্কার হিসেবে জেতা অর্থ নিজের জন্মস্থান পঞ্চগড়ের অসহায় মানুষদের দান করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সামাজিক মাধ্যমে এক ঘোষণায় সেবার শরিফুল জানিয়েছিলেন, আন্তর্জাতিক এবং ঘরোয়া ম্যাচে যতবারই তিনি ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতবেন, প্রতিবারই সেই অর্থ তার এলাকার গরিব ও অসহায় মানুষের সহায়তায় বিতরণ করবেন।
নোয়াখালীর বিপক্ষে জয়ের পর ম্যাচসেরার পুরস্কারের অর্থ নিজের এলাকার মানুষের জন্য দেওয়ার কথা আবারও মনে করিয়ে দিয়ে শরিফুল বলেন, ‘অবশ্যই, অনেক উপভোগ করেছি। বিশেষ করে আমার ভালো লাগছে আমরা ম্যাচ জিতেছি। আরেকটা বিষয় আমি বলেছিলাম যে আমি যতদিনই ক্রিকেট খেলব, আমি যখন ম্যাচসেরা হবো সেই টাকাটা আমার এলাকার যারা আর কি একটু অভাব-অনটনে থাকে তাদের দিয়ে দিবো… ইনশাআল্লাহ।’
এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার ভেরিফাইড পেজে শরিফুল লিখেছেন, ‘প্রথম ফাইফার, ম্যান অব দ্য ম্যাচ এবং টিমের জয়—আলহামদুলিল্লাহ। ইনশাআল্লাহ, প্রতিশ্রুতিমতো ম্যান অব দ্য ম্যাচের সম্পূর্ণ সম্মানি গ্রামের পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যাণে ব্যয় করা হবে।’
তবে শরিফুলের জন্য এটা নতুন কোনো উদ্যোগ নয়। নিজের জন্মস্থান নিয়ে এর আগেও সচেতনতা প্রকাশ করেছেন তিনি। পঞ্চগড়ে মাদক ও স্বাস্থ্য সমস্যার বিষয়ে তিনি ইতিমধ্যেই আওয়াজ তুলেছেন। ১০০০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের দাবিও তুলেছেন বাংলাদেশের এই তারকা পেসার। শরিফুলের চমকপ্রদ পারফরম্যান্স ও মানবিক উদ্যোগ খেলা ছাড়াও দর্শকদের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক বলে মনে করছেন অনেকে।
মন্তব্য করুন