কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:২৫ এএম
অনলাইন সংস্করণ

এক সারিতে থাকবে ৬ গ্রহ, বিরল এই দৃশ্য দেখা যাবে যেদিন

সূর্যাস্তের পর পশ্চিম আকাশে সারিবদ্ধ অবস্থানে ছয় গ্রহের বিরল ‘প্ল্যানেট প্যারেড’-বাংলাদেশ থেকেও দেখা যাবে মহাজাগতিক এ শোভাযাত্রা। ছবি: সংগৃহীত
সূর্যাস্তের পর পশ্চিম আকাশে সারিবদ্ধ অবস্থানে ছয় গ্রহের বিরল ‘প্ল্যানেট প্যারেড’-বাংলাদেশ থেকেও দেখা যাবে মহাজাগতিক এ শোভাযাত্রা। ছবি: সংগৃহীত

মহাজাগতিক এক বিরল দৃশ্যের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ববাসী। মহাকাশে এক সারিতে আসবে সৌরজগতের ৬টি গ্রহ। খালি চোখেই তার বেশিরভাগটা দেখতে পাবেন মানুষ। যন্ত্রের সাহায্য নিলে পুরো দৃশ্যই ঝকঝকে হয়ে উঠবে চোখের সামনে।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সূর্যাস্তের পর আকাশে এক সারিতে দেখা যাবে এই দৃশ্য। জ্যোতির্বিদরা একে বলছেন ‘প্ল্যানেট প্যারেড’ বা গ্রহসমাবেশ। বাংলাদেশ থেকেও খালি চোখে এর বেশিরভাগ অংশ উপভোগ করা যাবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সূর্যাস্তের প্রায় ৩০ থেকে ৪৫ মিনিটের মধ্যে পশ্চিম আকাশে সারিবদ্ধভাবে দৃশ্যমান হবে বুধ, শুক্র, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন। আকাশের তুলনামূলক সংকীর্ণ অংশে এদের অবস্থানই তৈরি করবে দৃষ্টিনন্দন এই গ্রহশোভাযাত্রা।

জ্যোতির্বিদদের ভাষ্য, শুক্র, বৃহস্পতি ও শনিকে সহজেই খালি চোখে দেখা যাবে। বুধ পশ্চিম দিগন্তের খুব নিচুতে অবস্থান করবে, ফলে পরিষ্কার দিগন্তরেখা না থাকলে এটি দেখা কঠিন হতে পারে। অন্যদিকে ইউরেনাস ও নেপচুন দেখতে দূরবীন বা ছোট টেলিস্কোপের প্রয়োজন হবে।

বৃহস্পতি তুলনামূলক উজ্জ্বল হয়ে আকাশের বিপরীত প্রান্তে দৃশ্যমান হবে। শনি অবস্থান করবে শুক্র ও বৃহস্পতির মাঝামাঝি। সূর্যাস্তের পর অল্প সময়ের মধ্যেই কয়েকটি গ্রহ ধীরে ধীরে দিগন্তের নিচে নেমে যাবে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই বিন্যাস মূলত একটি দৃশ্যমান প্রভাব। বাস্তবে গ্রহগুলো একে অপরের থেকে লক্ষ-কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থান করে। তবে পৃথিবী থেকে দেখলে মনে হবে তারা একই সরলরেখায় অবস্থান করছে।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সাতটি গ্রহ- বুধ, শুক্র, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন-এক লাইনে দেখা গিয়েছিল। জ্যোতির্বিদদের মতে, এ ধরনের পূর্ণাঙ্গ সমাবেশ ২০৪০ সালের আগে আর দেখা যাবে না।

উত্তর গোলার্ধে অবস্থানকারী দেশগুলো থেকে এ দৃশ্য তুলনামূলকভাবে বেশি স্পষ্ট দেখা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইবোলার কারণে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার নিন্দা জানাল উগান্ডা

ফসল গেল পানিতে, শেষ সম্বল নৌকাও চুরি

বাজেটকে সর্বোচ্চ অন্তর্ভুক্তিমূলক করার চেষ্টা করেছি : অর্থমন্ত্রী

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামছে ব্রাজিল, কখন-কীভাবে দেখবেন

জলবায়ু মোকাবিলায় বনায়নের বিকল্প নেই : শামীম

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হতে পারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তি  

প্রকাশ্যে নারীকে পেটালেন যুবদল নেতা

‘নতুনরা আগামীতে সাহিত্যাঙ্গণে নেতৃত্ব দিতে পারে সে চেষ্টাই অব্যাহত থাকবে’

প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষার ফল কবে, জানাল অধিদপ্তর

বাজেটের আকার বড় হলেও বাস্তবায়ন অসম্ভব নয় : এফবিসিসিআই

১০

নম্রতার ফাঁদ / যখন ভদ্রতাই হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় বাধা

১১

পাবিপ্রবিতে কবি মাহমুদা খাতুন সিদ্দিকার স্মরণে সেমিনার অনুষ্ঠিত

১২

সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনা  / নিহত সেই পরিবারের হাতে ৫ লাখ টাকা তুলে দিলেন নৌপ্রতিমন্ত্রী

১৩

‘মদ-সিগারেটের দাম বাড়ানোর পরও বিরোধীদলের এই বাজেট পছন্দ নয়’

১৪

কাপ্তাই সড়কে ৩ ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক

১৫

ভারতের নতুন সেনাপ্রধান হতে যাচ্ছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ 

১৬

চট্টগ্রাম থেকে নতুন রাজনৈতিক আন্দোলনের ডাক নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারীর

১৭

কোচিং শেষে বাড়ি ফিরছিলেন শিক্ষার্থী, পথেই মৃত্যু

১৮

বাংলাদেশিদের ব্রাজিল উন্মাদনার খবর এবার ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যমে

১৯

বাসযোগ্য ঢাকা গড়তে বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: ডিসি ফরিদা

২০
X