কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:০৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের যাবজ্জীবন

টিভিতে সাবেক প্রেসিডেন্ট ইয়োন সুক ইয়লের রায়ের খবর। ছবি : সংগৃহীত
টিভিতে সাবেক প্রেসিডেন্ট ইয়োন সুক ইয়লের রায়ের খবর। ছবি : সংগৃহীত

দক্ষিণ কোরিয়ার একটি আদালত সাবেক প্রেসিডেন্ট ইয়োন সুক ইয়লের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বিদ্রোহের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে আদালত এ রায় দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট এ রায় ঘোষণা করেন।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে সামরিক আইন জারির চেষ্টা এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে ইউনের বিরুদ্ধে এ মামলা হয়। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড দাবি করলেও আদালত তাকে যাবজ্জীবন সাজা দেন। দক্ষিণ কোরিয়ার আইনে বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেওয়ার অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। যদিও দেশটিতে সর্বশেষ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে ১৯৯৭ সালে।

এর আগে জানুয়ারিতে প্রসিকিউশন জানায়, ইউনের ‘অসাংবিধানিক ও অবৈধ জরুরি সামরিক আইন’ জাতীয় সংসদ ও নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম ব্যাহত করে এবং উদার গণতান্ত্রিক সাংবিধানিক শৃঙ্খলাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি সেনা সদস্যদের সংসদ ভবনে পাঠিয়ে বিরোধী দলীয় আইনপ্রণেতাদের আটক করার নির্দেশ দেন এবং বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।

৬৫ বছর বয়সী সাবেক এই প্রসিকিউটর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার সামরিক আইন জারির সাংবিধানিক ক্ষমতা ছিল এবং বিরোধীদলের ‘অবরোধমূলক রাজনীতির’ বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিতেই তিনি এ পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।

রায় ঘোষণার সময় আদালত প্রাঙ্গণে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ইয়োনের বিরুদ্ধে মোট আটটি মামলার বিচার চলছে। এর আগে জানুয়ারিতে গ্রেপ্তার প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়ার অভিযোগে আলাদা এক মামলায় তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়, যা তিনি আপিল করেছেন।

বর্তমানে তিনি সিউল ডিটেনশন সেন্টারে আটক রয়েছেন। এই রায়ের বিরুদ্ধেও তিনি আপিল করতে পারেন। দক্ষিণ কোরিয়ার বিচারিক নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রথম বিচার ছয় মাসের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও আপিলসহ পুরো প্রক্রিয়া প্রায় দুই বছর পর্যন্ত গড়াতে পারে।

এদিকে দ্রুত নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা বর্তমান প্রেসিডেন্ট লি জ্যা মুয়ং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে বলেন, জনগণের প্রতিরোধের কারণেই গণতন্ত্র রক্ষা পেয়েছে। তিনি বলেন, এটা সম্ভব হয়েছে কারণ এটি ছিল কোরিয়া প্রজাতন্ত্র।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বজ্রপাতে মা-ছেলের করুণ মৃত্যু

দিল্লির হোটেলে আগুন : মৃত্যুপথযাত্রী বাবাকে দেখতে এসে পুড়ে মরলেন ৮ স্বজন

ময়মনসিংহে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ আজ

আ.লীগ ও জামায়াত একই জিনিস, আমাদের সতর্ক থাকতে হবে : ইশরাক

আজও নেই বৃষ্টির সম্ভাবনা

দেশে ফিরলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আর্জেন্টিনাকে ‘সতর্কবার্তা’ দিল আলজেরিয়া

সরকারি খাল খনন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

১৪ বছর বয়সী কিশোরী হত্যায় ক্ষোভে ফুঁসছে আর্জেন্টিনা

১০

ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি, ইরান চুক্তির আশা জোরালো

১১

রামিসা হত্যা মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানি আজ

১২

বিকাশে ভুল নম্বরে পাঠানো টাকা ফেরত আনতে গিয়ে প্রাণ গেল যুবকের

১৩

দুপুরের মধ্যে যেসব অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড় হতে পারে

১৪

লাম্পি রোগে বাড়ছে গরুর মৃত্যু, ডিমলায় আতঙ্কে খামারিরা

১৫

গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত ৮

১৬

কী ঘটেছিল ইতিহাসের এই দিনে

১৭

বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ

১৮

কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর বাঁকখালী নদী পরিদর্শনে ইউএনও

১৯

ইউএনজিএর সভাপতি হিসেবে কী দায়িত্ব ও মর্যাদা পাবেন খলিলুর রহমান

২০
X