কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:৩৭ পিএম
আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:১৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

দখলদারিত্ব চললে অস্ত্র ত্যাগ করবে না ফিলিস্তিনি যোদ্ধারা

হামাসের শীর্ষ নেতা খালেদ মেশাল। ছবি : সংগৃহীত
হামাসের শীর্ষ নেতা খালেদ মেশাল। ছবি : সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি দখলদারিত্ব চললে অস্ত্র ত্যাগ করবে না বলে জানিয়েছে হামাস। আল জাজিরা ফোরামে দেওয়া এক বক্তব্যে এ কথা জানান সংগঠনটির শীর্ষ নেতা খালেদ মেশাল। তার মতে, নিরস্ত্র জনগণকে সহজেই শিকারে পরিণত করবে ইসরায়েল। সেজন্য আগে গাজায় অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে হবে। খবর আল জাজিরার।

২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর গাজায় কার্যকর হয় প্রথম ধাপের যুদ্ধবিরতি। তবে তা কাগজে কলমেই সীমাবদ্ধ থাকে। গেল ৪ মাসে ইসরায়েল ১ হাজার ৫৪৩ বার যুদ্ধবিরতির চুক্তি লঙ্ঘন করে গাজায় হামলা চালিয়েছে। এতে সাড়ে ৫ শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত এবং আহত হয়েছেন দেড় হাজারের বেশি।

এমন অবস্থায় গাজা যুদ্ধ অবসানে গেল জানুয়ারিতে শুরু হয় দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে ওঠে-পড়ে লেগেছে সবাই। দ্বিতীয় পর্যায়ের যুদ্ধবিরতির অন্যতম শর্ত গাজায় আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েন ও হামাসকে সম্পূর্ণরূপে নিরস্ত্রীকরণ করা।

তবে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস বলছে, গাজায় অনুকূল পরিবেশ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত অস্ত্র ত্যাগের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না তারা। দোহায় অনুষ্ঠিত আল জাজিরা ফোরামে হামাসের শীর্ষ নেতা খালেদ মেশাল জানান, গাজায় যতদিন ইসরায়েলি দখলদারিত্ব থাকবে ততদিন অস্ত্র ত্যাগ করবে না হামাস।

এ সময় তিনি আরও বলেন, বিশ্বের ১৫৯টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিয়েছে। তবে এই পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়। ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় আরব ও মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকে প্রতিরক্ষামূলক নীতি ত্যাগ করে আক্রমণাত্মক নীতি গ্রহণ করতে হবে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর শুরু হওয়া যুদ্ধে এখন পর্যন্ত গাজায় প্রাণহানি ৭২ হাজার ছাড়িয়েছে। অনাহারে এবং চিকিৎসার অভাবে প্রতিদিনই মারা যাচ্ছেন গাজার নারী ও শিশু।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও যাত্রীবাহী বাস পড়ল পদ্মা নদীতে

আগামী সপ্তাহে উত্তর কোরিয়া যাচ্ছেন শি জিনপিং

আশুলিয়ায় মাদকের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান, ছাত্রদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ৪

দিল্লির হোটেলে আগুন দেখে পালান মালিক, গ্রেপ্তারের পর দিলেন স্বীকারোক্তি

ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুমড়েমুচড়ে গেল ইসরায়েলি ট্যাংক

বজ্রপাতে কিশোর ছেলের মৃত্যু, আহত মা

প্রস্তুতি ম্যাচে ফ্রান্সকে হারিয়ে আইভরি কোস্টের চমক

সিরাজগঞ্জে বাসচাপায় দম্পতিসহ নিহত ৩

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার টার্গেট কিউবার প্রেসিডেন্ট

বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ

১০

পুকুরে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু

১১

দুপুরের মধ্যে দেশের ৮ জেলায় ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

১২

আজকের নামাজের সময়সূচি

১৩

৬ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম-সিলেটের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

১৪

বিদ্যুৎস্পর্শে প্রাণ গেল স্বামী-স্ত্রীর

১৫

জার্মানিতে ভেঙে পড়লো উড়োজাহাজের ল্যান্ডিং গিয়ার

১৬

আদ্-দ্বীন হাসপাতালকে শোকজ, জবাব না দিলে লাইসেন্স বাতিল

১৭

ভৈরবে রেলপথ অবরোধ, ৫ ট্রেন আটকা

১৮

৬ দফা দাবিতে চমেক ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মানববন্ধন, শনিবার থেকে কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি

১৯

সিএন্ডএফ ভবনেই মিলবে চসিকের ট্রেড লাইসেন্স, বুথ স্থাপনের নির্দেশ মেয়রের

২০
X