কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫২ এএম
আপডেট : ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫৫ এএম
অনলাইন সংস্করণ

ইসরায়েলের ৫ বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার ছক কষছে ইরান

এসব স্থাপনায় হামলা হলে পুরো ইসরায়েলি জাতীয় গ্রিড মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। ছবি: সংগৃহীত
এসব স্থাপনায় হামলা হলে পুরো ইসরায়েলি জাতীয় গ্রিড মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। ছবি: সংগৃহীত

তেহরানের শোহাদা স্কয়ার এলাকার বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে ইসরায়েলি হামলার অভিযোগের প্রেক্ষিতে পাল্টা জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান। বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা ও সামরিক বিশ্লেষকদের তথ্যমতে, ইরানের সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে অধিকৃত অঞ্চলের প্রধান পাঁচটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রকে চিহ্নিত করা হয়েছে। মূলত তেহরানে বিদ্যুৎ বিপর্যয় সৃষ্টির প্রতিক্রিয়ায় ইরান এই কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুগুলো পর্যালোচনা করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের বিদ্যুৎ চাহিদার ৫০ শতাংশেরও বেশি সরবরাহ করে এই পাঁচটি প্রধান কেন্দ্র। এসব স্থাপনায় সামান্যতম বিঘ্ন ঘটলে পুরো ইসরায়েলি জাতীয় গ্রিড মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।

জানা গেছে, সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় থাকা প্রথম কেন্দ্রটি হলো হাদেরার কাছে অবস্থিত ২ হাজার ৫৯০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন অরোত রাবিন স্টিম পাওয়ার প্ল্যান্ট। ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কেন্দ্রটি ইসরায়েল ইলেকট্রিক কর্পোরেশনের মালিকানাধীন এবং এটি দেশটির অন্যতম বৃহত্তম বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র।

তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আশকেলনের কাছে অবস্থিত রুটেনবার্গ স্টিম পাওয়ার প্ল্যান্ট। ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কেন্দ্রটির উৎপাদন ক্ষমতা ২,২৫০ মেগাওয়াট। এর পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলীয় ইয়োকনেয়ামের কাছে অবস্থিত ১ হাজার ৩৭১ মেগাওয়াট ক্ষমতার হাগিত কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্ল্যান্টটিও ইরানের নজরে রয়েছে। ২০০২ সালে চালু হওয়া এই কেন্দ্রটিও রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ সংস্থা পরিচালনা করে।

এছাড়া ১৯৭৪ সাল থেকে চালু থাকা আশদোদ-এর ৯১২ মেগাওয়াট ক্ষমতার এশকল হাইব্রিড পাওয়ার প্ল্যান্ট এবং ২০১৫ সালে চালু হওয়া কিরিয়াত মালাখির ৯০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার হারুভিত (জাফিত) পাওয়ার প্ল্যান্টকে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, হারুভিত কেন্দ্রটি 'ডালিয়া পাওয়ার এনার্জিস' নামক একটি বেসরকারি কোম্পানির মালিকানাধীন।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পাঁচটি কেন্দ্রের ওপর যেকোনো ধরনের আক্রমণ ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে পুরোপুরি অচল করে দিতে পারে। তবে এ ধরনের হামলার ক্ষেত্রে এর প্রযুক্তিগত প্রভাব, দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির মতো জটিল দিকগুলো নিয়ে দুই দেশই গভীর পর্যালোচনার মধ্যে রয়েছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, প্রতিবেশী যুবক গ্রেপ্তার

কখন, কীভাবে দেখবেন বাংলাদেশ-সান মারিনো ম্যাচ

ভিক্ষুকের ১৬০ টাকা ছিনতাই, কিশোর গ্যাং লিডারকে পুলিশে দিলেন বিএনপি নেতারা

ফুটবলের ওপারে

বাংলাদেশের যে তিন চ্যানেলে সরাসরি দেখা যাবে বিশ্বকাপ

কুমিল্লায় পাঁচ মাসে এইডসে ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত অধিকাংশ সমকামী

থেমে নেই ইসরায়েলি বাহিনী, লেবাননে আবারও হামলা

খেলতে পারবেন না নেইমার

মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ / ইউক্রেন সহায়তা ও রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা বিল পাস

নওগাঁয় এনসিপির দুই নেতাকে শোকজ

১০

টাঙ্গাইলে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা জারি

১১

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যেভাবে পড়ে গেল বাস

১২

শুক্রবার কমলো স্বর্ণের দাম, বিশ্ববাজারে আশঙ্কার কারণ কী

১৩

দৌলতদিয়া ঘাটে পদ্মায় পড়ে যাওয়া বাসের সর্বশেষ পরিস্থিতি

১৪

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ নিহত ৩

১৫

পৃথিবী থেকে হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে বাংলাদেশ, তালিকায় আরও ১৬ অঞ্চল

১৬

যমুনা সেতু পশ্চিম মহাসড়কে ১২ কিলোমিটারজুড়ে তীব্র যানজট

১৭

সন্ধ্যার মধ্যে ঢাকাসহ ১৯ জেলায় ঝড়বৃষ্টির আশঙ্কা

১৮

মিরপুরের পূরবী মার্কেটে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ২ ইউনিট

১৯

আনন্দভ্রমণ শেষে ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ বন্ধুর

২০
X