

গাজায় চলমান যুদ্ধ বন্ধ এবং ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে হাজারো মানুষ বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। বিক্ষোভকারীরা দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী হতে যাওয়া অ্যান্ডি বার্নহামের প্রতি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা ইসরায়েলের ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা (আর্মস এমবার্গো) আরোপ এবং গাজায় অবরোধ ও সামরিক অভিযান বন্ধে তেল আবিবের ওপর চাপ সৃষ্টি করার দাবি জানান।
লেবার পার্টির নেতা অ্যান্ডি বার্নহাম শিগগির আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে জানানো হয়েছে।
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত হুসাম জোমলট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় বলেন, তিন বছর ধরে চলমান গণহত্যার মধ্যে ন্যায়বিচার ও জবাবদিহির দাবিতে ব্রিটেনসহ বিশ্বজুড়ে আন্দোলন আরও জোরালো হচ্ছে।
বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বাধীন লেবার সরকার গাজা ইস্যু মোকাবিলায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ জোরালো হওয়া সত্ত্বেও তার সরকার দেশটিতে অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। এ ছাড়া কট্টর ডানপন্থি দুই ইসরায়েলি মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির ও বেজালেল স্মোট্রিচের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ ছাড়া কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।
বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত হুসাম জোমলট এবং সাবেক লেবার নেতা জেরেমি করবিন। করবিন নতুন প্রধানমন্ত্রী হতে যাওয়া অ্যান্ডি বার্নহামের প্রতি যুক্তরাজ্যের ‘ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন’ বন্ধ করার আহ্বান জানান।