

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরে গিয়েছেন এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সন্ধ্যায় তিনি আবুধাবিতে পৌঁছান। আমিরাত সফর শেষে রুবিও কুয়েত ও বাহরাইন সফর করবেন এবং বৃহস্পতিবার বাহরাইনে গালফ কোঅপারেশন কাউন্সিলের বৈঠকেও অংশ নেবেন।
গত সপ্তাহে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমঝোতার পর এটি মধ্যপ্রাচ্যে কোনো শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তার প্রথম সফর।
এই সফরকে সেই তিন দেশের প্রতি সংহতির নিদর্শন হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে যুদ্ধ চলাকালে ইরান বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছিল। ইরান বলছে, তারা কেবল এসব দেশে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে।
সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্পও বলেছেন, ইউএই ইরানের ভেতরে কিছু এলাকায় হামলা চালিয়েছিল।
মঙ্গলবার রুবিও বলেন, তিনি পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা নিয়ে আলোচনা করার পরিকল্পনা করছেন।
তিনি আমিরাতে পৌঁছানোর পর আরও বলেন, কোনো দেশ আন্তর্জাতিক জলপথে টোল বা ফি আরোপ করতে পারে না। এটি বিদ্যমান আন্তর্জাতিক আইনের অংশ।
তবে ইরান বলছে, হরমুজ প্রণালি কোনো আন্তর্জাতিক জলপথ নয়; এটি ইরান ও ওমানের আঞ্চলিক জলসীমার অংশ। তারই অংশ হিসেবে দেশ দুটি ইতিমধ্যে কমিটি গঠনের ব্যাপারে সম্মতও হয়েছে।
হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তাচ, জাহাজ চলাচল, সংশ্লিষ্ট সেবা এবং ফি নির্ধারণের বিষয়গুলো নিয়ে যৌথ কমিটি গঠন করবে ইরান ও ওমান। মঙ্গলবার (২৩ জুন) মাসকাটে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর এক যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে গঠিত যৌথ কমিটি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা, সংশ্লিষ্ট সেবা এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সম্ভাব্য ফি নির্ধারণের বিষয়গুলো পর্যালোচনা করবে। পাশাপাশি উপকূলীয় অন্যান্য রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গেও এ বিষয়ে আলোচনা চালানো হবে।
সূত্র : প্রেস টিভি ও বিবিসি