নূর মোহাম্মদ নিউইয়র্ক থেকে
প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:০০ এএম
আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৭:৪২ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

শিগগির হবে জুলাই সনদ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন

জাতিসংঘে বিশ্বনেতাদের ড. মুহাম্মদ ইউনূস
শিগগির হবে জুলাই সনদ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিয়ে নিউইয়র্কে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সিরিজ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, বিশ্বনেতাদের সঙ্গে আলোচনা আর যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে অংশ নিচ্ছেন তিনি। স্থানীয় সময় গত বুধবার দিনের বিভিন্ন সময়ে পাকিস্তান, ইতালি, ফিনল্যান্ড ও কসোভোর রাষ্ট্র এবং সরকারপ্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধান উপদেষ্টা। এ ছাড়া সফরসঙ্গী রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে মার্কিন কয়েকটি কোম্পানির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদ। এসব বৈঠকে জুলাই সনদে স্বাক্ষর, সাংবিধানিক সংস্কার, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন, নিরাপদ অভিবাসন, রোহিঙ্গা সংকট এবং বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। তার আগে নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন ড. ইউনূস। সেখানে তিনি ট্রাম্পকে তার সুবিধামতো সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বুধবার প্রধান উপদেষ্টা চারটি দেশের সরকারপ্রধান এবং মার্কিন কয়েকটি কোম্পানির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেন। এসব বৈঠকে সেসব দেশের সরকারপ্রধানদের প্রধান উপদেষ্টা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো শিগগির সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক সংস্কারের মূল বিষয়গুলো নিয়ে প্রণীত জুলাই সনদে সই করবে। এই সংস্কার প্রক্রিয়ার লক্ষ্য হচ্ছে, বাংলাদেশে নতুন করে কোনো স্বৈরশাসকের উত্থান রোধ। আগামী ফেব্রুয়ারিতে অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ অর্থবহ রাজনৈতিক রূপান্তরের পথে অগ্রসর হবে বলেও তাদের জানান ড. ইউনূস। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, চার বিশ্বনেতার সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট সমাধান ও আন্তর্জাতিক সহায়তা বাড়ানোর বিষয়েও নেতারা একমত হয়েছেন।

শিগগির জুলাই সনদে সই করবে দলগুলো—ড. ইউনূস: স্থানীয় সময় গত বুধবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের ফাঁকে সাইডলাইনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন ও সংস্কার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করেন। শেহবাজ শরিফ তার দেশে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করলে প্রধান উপদেষ্টা গভীর শোক ও সমবেদনা জানান। প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বৈঠকে দুই নেতার আলোচনার বরাতে জানান, তারা নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এর মধ্যে ছিল বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত সংস্কারমূলক পদক্ষেপ, পাকিস্তানের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর মতো বিষয়গুলো। বৈঠকে ড. ইউনূস জানান, বাংলাদেশ আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের পথে রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ১১টি জাতীয় কমিশনের প্রস্তাবিত বড় ধরনের রাজনৈতিক সংস্কার বাংলাদেশে অর্থবহ রাজনৈতিক রূপান্তরের পথ সুগম করবে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনার চূড়ান্ত পর্যায় চলছে এবং দলগুলো শিগগির সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক সংস্কারের মূল বিষয়গুলো নিয়ে ‘জুলাই সনদ’ সই করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। সার্ক কার্যত নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের বিকল্প পথ নিয়েও দুই নেতা আলোচনা করেন। বৈঠকে শেহবাজ শরিফ অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ড. ইউনূসকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানান।

ইতালি-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের প্রস্তাবে সমর্থন: প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বুধবার নিউইয়র্কের একটি হোটেলে ড. ইউনূস ও জর্জিয়া মেলোনির দ্বিপক্ষীয় এই বৈঠকে বিজনেস ফোরাম গঠন, বিনিয়োগ ও নিরাপদ অভিবাসন নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে ইতালির প্রধানমন্ত্রী ইতালি-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম গঠনের প্রস্তাব দেন। যার উদ্দেশ্য বাংলাদেশে ইতালির বিনিয়োগ সম্প্রসারণ। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানান এবং বলেন, দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বিস্তারের বড় সম্ভাবনা রয়ে গেছে। উভয় নেতা বৈঠকে বাংলাদেশের আসন্ন সাধারণ নির্বাচন, অভিবাসন চ্যালেঞ্জ, রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট এবং আগামী ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রী মেলোনির বাংলাদেশে সম্ভাব্য সফর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। অভিবাসন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী মেলোনি ইতালির পক্ষ থেকে ঢাকার সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করার ইচ্ছে প্রকাশ করেন, যাতে দুই দেশের জন্য নিরাপদ অভিবাসনের পথ নিশ্চিত করা যায়।

তিনি মানব পাচারের বিরুদ্ধে শক্তিশালী ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করেন, যা ভূমধ্যসাগরে শত শত মানুষের প্রাণহানির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস জানান, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার এরই মধ্যে মানব পাচারের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি গ্রহণ এবং নিরাপদ অভিবাসনের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ কার্যকর করেছে। তিনি বলেন, মানব পাচার রোধে আরও সমন্বিত আন্তর্জাতিক উদ্যোগের প্রয়োজন। দুই নেতা রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও গঠনমূলক আলোচনা করেন। অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশে আশ্রয় পাওয়া এক মিলিয়নেরও বেশি রোহিঙ্গার জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানান।

সার্ক পুনরুজ্জীবিতে চলছে তৎপরতা: দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাকে (সার্ক) পুনরুজ্জীবিত ও আসিয়ানের সদস্যপদ পাওয়ার জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করছে তার সরকার—এমন তথ্য ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব্বকে জানিয়েছেন ড. ইউনূস। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় বুধবার সংস্থাটির সদর দপ্তরে দুই নেতার মধ্যে বৈঠক হয়। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বিচার প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে চলমান প্রক্রিয়ার কথা তুলে ধরেন। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে সার্ক ও আসিয়ানের মধ্যে একটি প্রধান সেতুবন্ধ হিসেবে দেখতে চাই। আসিয়ানের সঙ্গে সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনারশিপের জন্য আমাদের আবেদন পূর্ণ সদস্যপদের দিকে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’ এ সময়ে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের বিদেশ নীতি সম্পর্কে জানতে চান। বৈঠকে দুই নেতা বাংলাদেশের আসন্ন সাধারণ নির্বাচন, সংস্কার, রোহিঙ্গা সংকট, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, আসিয়ান সদস্যপদ প্রক্রিয়া, শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বিচার এবং নেপাল ও ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ ব্যবহার সংক্রান্ত পদক্ষেপসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। প্রধান উপদেষ্টা আগামী ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের ১২ কোটি ভোটারের জন্য অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

একই দিনে কসোভোর প্রেসিডেন্ট ভিওসা ওসমানির সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধান উপদেষ্টা। অধিবেশনের ফাঁকে সাইডলাইনে এ বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্রসঙ্গে আলোচনা হয় বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। ক্লাব ডি মাদ্রিদের সভাপতি ও স্লোভেনিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দানিলো তুর্ক ড. ইউনূসকে তার সংগঠনের সদস্য হতে আমন্ত্রণ জানান। বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের একটি হোটেলে এই বৈঠককালে দানিলো তুর্ক ক্ষুদ্রঋণের ক্ষেত্রে অধ্যাপক ইউনূসের পথপ্রদর্শকমূলক কাজের প্রশংসা এবং এর বৈশ্বিক প্রভাবের কথা উল্লেখ করেন। বাংলাদেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে দানিলো তুর্ক বলেন, এ আন্দোলন দুনিয়াকে বিস্মিত করেছে এবং এ ধরনের রূপান্তর সম্পর্কে বৈশ্বিক নেতাদের আরও ভালোভাবে জানা প্রয়োজন।

মার্কিন কোম্পানিগুলোকে আরও বিনিয়োগের আহ্বান: যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন ড. ইউনূস। বুধবার নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ এক্সিকিউটিভ বিজনেস গোলটেবিল আলোচনায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। ‘অ্যাডভান্সিং রিফর্ম, রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড গ্রোথ’ শীর্ষক এ আলোচনার আয়োজন করে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল (ইউএসবিবিসি)। প্রধান উপদেষ্টা অনুষ্ঠানে মেটলাইফ, শেভরন এবং এক্সেলেরেটসহ শীর্ষ মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানান। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম পরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

শফিকুল আলম বলেন, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র সফরে আসা বাংলাদেশের ছয়জন রাজনৈতিক নেতা সভায় উপস্থিত ছিলেন এবং তাদের মার্কিন শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।

৪ বিশ্বনেতার সঙ্গে বৈঠকে নতুন উচ্চতায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক : প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে চারটি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের বৈঠক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। নিউইয়র্কে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘প্রতিটি বৈঠক খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমরা বলব যে এসব বৈঠকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের প্রতিটি বৈঠকে বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’

রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে হওয়া চারটি বৈঠকে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান প্রেস সচিব। তিনি আরও জানান, জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া রোহিঙ্গাবিষয়ক সম্মেলনে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল পাঠানোর কথা জানিয়েছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী।

শফিকুল আলম বলেন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা পাকিস্তানে সাম্প্রতিক বন্যায় প্রাণহানির ঘটনায় সমবেদনা জানান। বাংলাদেশের সঙ্গে পাকিস্তানের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হয় দুই নেতার।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাতে ঘরে ঘুমালেন যুবক, সকালে রাস্তায় মিলল রক্তাক্ত লাশ

যুবদল নেতাকে দিনদুপুরে গুলি করে হত্যা, কে এই অস্ত্রধারী

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল  / চিকিৎসককে মারধরের জেরে মরদেহ আটকে রাখার অভিযোগ

অলিগার্কদের ধ্বংস করা বিএনপি সরকারের অন্যতম লক্ষ্য : মির্জা ফখরুল

অভিনেত্রী ঝিলিককে হাসপাতালের ওপর থেকে ফেলে হত্যার অভিযোগ, গ্রেপ্তার স্বামী

পরিবর্তন হচ্ছে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার নাম

নেইমার কি ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে খেলবেন? জানালেন কোচ

বড়পর্দায় বিশ্বকাপ খেলা দেখার আয়োজন, প্রশাসনের নির্দেশে বন্ধ

ইবোলার কারণে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার নিন্দা জানাল উগান্ডা

ফসল গেল পানিতে, শেষ সম্বল নৌকাও চুরি

১০

বাজেটকে সর্বোচ্চ অন্তর্ভুক্তিমূলক করার চেষ্টা করেছি : অর্থমন্ত্রী

১১

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামছে ব্রাজিল, কখন-কীভাবে দেখবেন

১২

জলবায়ু মোকাবিলায় বনায়নের বিকল্প নেই : শামীম

১৩

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হতে পারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তি  

১৪

প্রকাশ্যে নারীকে পেটালেন যুবদল নেতা

১৫

‘নতুনরা আগামীতে সাহিত্যাঙ্গণে নেতৃত্ব দিতে পারে সে চেষ্টাই অব্যাহত থাকবে’

১৬

প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষার ফল কবে, জানাল অধিদপ্তর

১৭

বাজেটের আকার বড় হলেও বাস্তবায়ন অসম্ভব নয় : এফবিসিসিআই

১৮

নম্রতার ফাঁদ / যখন ভদ্রতাই হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় বাধা

১৯

পাবিপ্রবিতে কবি মাহমুদা খাতুন সিদ্দিকার স্মরণে সেমিনার অনুষ্ঠিত

২০
X