জে আই জুয়েল, বরিশাল
প্রকাশ : ১৯ জুন ২০২৩, ১২:০০ এএম
আপডেট : ১৯ জুন ২০২৩, ০৮:৫৬ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

সেতু আছে নেই সংযোগ সড়ক

ধামুরা ব্রিজ। ছবি: কালবেলা
ধামুরা ব্রিজ। ছবি: কালবেলা

বরিশালের উজিরপুরের শোলক ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকার মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে প্রায় এক বছর আগে ধামুরা বাজার-সংলগ্ন খালের ওপর নির্মাণ করা হয় ধামুরা ব্রিজ। সেতু নির্মাণে প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয় হলেও তা কোনো কাজে আসছে না স্থানীয়দের।

সেতু নির্মাণের পর পার হয়েছে দীর্ঘ সময়, এরপরও শেষ হয়নি সম্পূর্ণ কাজ। এমনকি সেতুর দুই প্রান্তে তৈরি করা হয়নি সংযোগ সড়ক। ফলে সাঁকো বা মইয়ের সাহায্যে সেতুতে উঠে খাল পারাপার হচ্ছেন স্থানীয়রা।

উপজেলা প্রকৌশলী অফিস সূত্রে জানা যায়, শোলক ইউনিয়নের ধামুরা বাজার-সংলগ্ন এ সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। কিন্তু নানা জটিলতায় এখনো এর কাজ সম্পন্ন হয়নি। এ ব্রিজ দিয়ে ধামুরা বাজার, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ধামুরা ডিগ্রি কলেজসহ, হারতা, শাতলা, জল্লা, ওটরা ইউনিয়নের প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। অথচ এ সেতুর দুই প্রান্তের সংযোগ সড়কের মাটি ভরাট কাজ অসমাপ্ত থাকায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সবাইকে।

ধামুরা বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুরাদ হোসেন বলেন, সেতু নির্মাণ হলেও সংযোগ সড়ক না হওয়ায় খালের উভয় পাশের মানুষ মই দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে সেতু পারাপার হচ্ছেন।

বাজারের এক ব্যবসায়ী কুদ্দুস ফকির জানান, সেতুতে উঠতে গিয়ে একাধিকবার দুর্ঘটনায় পড়তে হয়েছে। সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে কয়েকজন আহতও হয়েছেন। আরেক ব্যবসায়ী জসিম খলিফা বলেন, ব্রিজটির সংযোগ কাজ শেষ না হওয়ায় প্রতিনিয়ত এখানে বিভিন্ন ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে। খালের ওপারে ক্লিনিক থাকায় জরুরি রোগী পারাপারেও অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য ছান্টু মোল্লা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটি অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ও দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে ব্রিজের দুই প্রান্তে কাঠের সাঁকো সংযুক্ত করে কোনোরকমে চলাচলের ব্যবস্থা করে হয়েছে। তবে জনস্বার্থে সংযোগ সড়কের কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেন তিনি।

শোলক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ডা.আব্দুল হালিম বলেন, সেতু নিয়ে জনদুর্ভোগের বিষয়টি একাধিকবার উপজেলা পর্যায়ের সভায় উপস্থাপন করা হয়েছে। কোনো কাজ হচ্ছে না। ঠিকাদার এক দিন কাজ করে তিন মাস কাজ করে না।

এদিকে এ বিষয়ে প্রকল্পের ঠিকাদার মেসার্স আমির কনস্ট্রাকশনের আমির হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, কাজটি ফেলে রাখায় আমরাও বিপাকে আছি। এলাকার লোকজন ভোগান্তিতে পড়ছেন। ঠিকাদারকে আমরা একাধিকবার বলেছি। কিন্তু তাদের কোনো সাড়া নেই।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চট্টগ্রামে পিতার আসন পুনরুদ্ধারে মাঠে চার মন্ত্রীপুত্র

ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা তাসনূভা জাবীনের

নীতির প্রশ্নে আপস করেননি খালেদা জিয়া : খায়রুল কবির

ছাত্রদল নেতার মরদেহ উদ্ধার

জুলাই সনদের আলোচনা হারিয়ে গেছে : চরমোনাই পীর

দায়িত্ব ছাড়ার পর ৩ কাজ করবেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস

ধারাভাষ্যে হিন্দিকে জাতীয় ভাষা বলায় তোপের মুখে সাবেক ভারতীয় কোচ

বাবা-ছেলের নৈপুণ্যে নোয়াখালীর টানা দ্বিতীয় জয়

২৫ বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আরব আমিরাত

সালিশি কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া আরেকটি বিয়ে নয়

১০

প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে ঢাকাস্থ কালিগঞ্জ-আশাশুনিবাসীর সঙ্গে ডা. শহিদুলের মতবিনিময়

১১

বিএনপির প্রার্থীকে শোকজ

১২

বিক্ষোভের মধ্যে বড় ঘোষণা ইরানের প্রেসিডেন্টের

১৩

ভারতে আম্পায়ারিংয়ে শরফদ্দৌলা, যা বলছে বিসিবি

১৪

হজ ফ্লাইট নিয়ে নতুন নির্দেশনা ধর্ম মন্ত্রণালয়ের

১৫

১৩ জেলার জন্য বড় দুঃসংবাদ

১৬

সৌরভ গাঙ্গুলিকে ছাড়িয়ে গেলেন কোহলি

১৭

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন কাজী রফিকুল

১৮

২০০ টাকায় দেখা যাবে বিপিএলের ঢাকা পর্বের ম্যাচ

১৯

বিশ্বকাপ দলে সুযোগ না পাওয়া নিয়ে মুখ খুললেন শান্ত

২০
X