রোকন উদ্দীন ও রেজাউল রেজা
প্রকাশ : ১৪ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ১৪ জুন ২০২৬, ১০:০২ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

সরকারের রাজস্ব আয়ের পরিকল্পনা নিয়ে ব্যবসায়ীরাও দুশ্চিন্তায়

বাজেট বিশ্লেষণ
ছবি : কালবেলা গ্রাফিক্স
ছবি : কালবেলা গ্রাফিক্স

কথায় আছে—আয় বুঝে ব্যয় করো। প্রচলিত এই নীতির বিপরীতে হাঁটছে সরকার। আয়ের চেয়ে অনেক বেশি ব্যয় ধরে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শুধু আয়ের চেয়েই নয়, আয়ের যতটুকু সক্ষমতা রয়েছে তার চেয়েও অনেক বেশি ব্যয় পরিকল্পনা করেছেন তিনি। আর এতেই দুশ্চিন্তায় পড়েছেন দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা। তারা বলছেন, বিশাল এই বাজেট ব্যয়ের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে সরকারে বাড়তি অর্থ প্রয়োজন হবে। এই অর্থের চাপ এসে পড়বে যারা নিয়মিত কর দেয় তাদের ওপর। কারণ দেশের কর জাল খুব একটা বড় নয়। এ ছাড়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ভ্যাট আদায়ের চাপ বাড়বে। এরই মধ্যে তার আলামতও দেখা গেছে। বাজেটে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুললেই ভ্যাট আইডেন্টিফিকেশন সার্টিফিকেট (বিন) নেওয়াটা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ ছাড়া ব্যক্তিগত করের সর্বোচ্চ সীমা বাড়িয়ে ৩৫ শতাংশ করার প্রস্তাব এই আশঙ্কাকে আরও বাড়িয়েছে বলে মনে করছেন তারা। এ ছাড়া করপোরেট কর না কমায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো করের চাপে পড়তে পারে বলেও মনে করছেন তারা। তারা বলছেন, দেশের ব্যবসা বাণিজ্যের পরিবেশ এখনো অনুকূলে নয়। তাই করপোরেট কর কমানোটা জরুরি ছিল, যা সরকার করেনি।

গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতি মোকাবিলায় অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণের কথা বলেন অর্থমন্ত্রী। তবে ব্যবসায়ীরা ব্যাংক ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারকে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তারা বলছেন, যদিও সরকার ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য ৬ হাজার কোটি টাকা কমিয়েছে, তবে বাজেট ঘাটতি মেটাতে প্রয়োজনীয় রাজস্ব না পেলে শেষ পর্যন্ত ব্যাংক ঋণের ওপরই নির্ভরশীল হবে সরকার। কারণ বিদেশি ঋণ যে বাড়বে তার নিশ্চয়তা নেই। সরকার প্রয়োজনীয় সংস্কার না করলে দাতা সংস্থাগুলো মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে।

এর বাইরে নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার কথা বলা হলেও বিদ্যমান শিল্প সুরক্ষায় কী করা হবে, তার কোনো দিকনির্দেশনা পাননি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এ ছাড়া কর কাঠামোর সংস্কার জরুরি হলেও এ বিষয়েও বাজেটে তেমন কোনো আলোচনা নেই বলে মনে করছেন তারা। সব মিলিয়ে সরকার বিশাল বাজেটের অর্থ জোগান দিতে প্রতিবারের মতো ব্যবসায়ীদের ওপর নানাভাবে চাপ বাড়াবে—এমনটাই আশঙ্কা তাদের।

দেশের ৫৫তম প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মাধ্যমে কর, ভ্যাট ও শুল্ক থেকে আদায় করা হবে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। বাজেটে আয় ও ব্যয়ের ব্যবধান বা বাজেট ঘাটতি ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এই ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উভয় উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে।

বর্তমান কর কাঠামো ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে অর্থনীতিবিদরাও এই লক্ষ্যকে চ্যালেঞ্জিং বলছেন। তারাও বলছেন, এই আয় অর্জনের জন্য কর কাঠামোর ব্যাপক সংস্কার করতে হবে।

এনবিআরের রাজস্ব আয়ের সক্ষমতা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে এনবিআরের শুল্ক-কর আদায়ের লক্ষ্য ছিল ৪ লাখ ৩১ হাজার ৪৬১ কোটি টাকা। এ সময়ে এনবিআর আদায় করতে পেরেছে ৩ লাখ ২৬ হাজার ৯২৮ কোটি টাকা, ঘাটতি ১ লাখ কোটি টাকার বেশি। সে হিসেবে লক্ষ্যমাত্রার ২৩ শতাংশই আদায় হয়নি। বছর শেষে এ ঘাটতি আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, এবারের বাজেটে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ও শঙ্কার জায়গাটা হলো রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা। ট্যাক্স নেটের আওতা যদি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো না যায়, তাহলে এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অসম্ভব হয়ে পড়বে। তাহলে যে অল্পসংখ্যক ট্যাক্সধারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তাদের ওপরই চাপটা বেড়ে যাবে বলে আমরা শঙ্কিত।

রাজস্ব আয়ের চাপ বাড়তে পারে বলে মনে করছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সাবেক সভাপতি রিজওয়ান-উর-রহমানও। রাজস্ব আদায়ের অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রা এবং ক্রমবর্ধমান ঘাটতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ব্যাবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির জন্য বাজেটে প্রস্তাবিত ওয়ার্ল্ড ইন্টিগ্রেশন সিস্টেম, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লাইসেন্স প্রদান এবং অগ্রিম কর সমন্বয় করার সুযোগ দেওয়া ইতিবাচক দিক। তবে বিগত বছরগুলোর অভিজ্ঞতা বলছে, নতুন অর্থবছরের ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্য অবাস্তব।

বাজেটের অর্থ সংগ্রহের জন্য সরকার খুচরা ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ তৈরি করেছে বলে মনে করেন দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) সভাপতি এন কে এ মবিন। তিনি বলেন, খুচরা পর্যায়ে হাজারে ২ টাকা কর আরোপের ফলে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে।

মেট্রোপলিটন চেম্বারের সভাপতি কামরান টি রহমান মনে করছেন, করের কাঠামোগত সংস্কার ছাড়া লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন। তিনি বলেন, করের আওতা সম্প্রসারণ, কর প্রশাসনের আধুনিকায়ন ও ডিজিটালাইজেশন কর খাতে ভালো উদ্যোগ। তবে কাঠামোগত সংস্কার ছাড়া এ লক্ষ্য অর্জনে করদাতাদের ওপর হয়রানি বাড়তে পারে এবং অতিরিক্ত কর আরোপ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি করে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিসিআইর নেতারা বলেছেন, এমনিতেই বর্তমানে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির সূচকসহ রাজস্ব আয় প্রক্রিয়া বিশ্বব্যাপী বিরাজমান কঠিন পরিস্থিতির কারণে চাপের মধ্যে রয়েছে। তাই লক্ষ্য অনুসারে রাজস্ব আদায় করতে অর্থনৈতিক স্থিতীশীলতা, প্রবৃদ্ধি-ব্যবসা-বিনিয়োগবান্ধব রাজস্ব ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সংস্কার জরুরি।

এদিকে, ব্যবসায়ীদের দুশ্চিন্তা রয়েছে ঘাটতি অর্থায়ন নিয়েও। ঘাটতি অর্থায়নের প্রভাব বেসরকারি খাতেও পড়বে বলে মনে করছেন তারা। প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

চলতি অর্থবছরের (২০২৫-২৬) প্রথম ১১ মাসে সরকার ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ নিয়েছে, যা পুরো অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রাকেও ছাড়িয়ে গেছে।

বাজেটে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৬ দশমিক ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং ৭ দশমিক ৫ শতাংশ মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জনের জন্য বেসরকারি বিনিয়োগ, শিল্প উৎপাদন এবং রপ্তানিতে উল্লেখযোগ্য গতি আনতে হবে। বর্তমান বিনিয়োগ প্রবণতা, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এবং জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে এই লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে না বলেও মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

বাংলাদেশ পাটপণ্য রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের (বিজেজিইএ) সাবেক চেয়ারম্যান এস আহমেদ মজুমদার বলেন, জাতীয় নির্বাচনের পর দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরেছে, কিন্তু বৈশ্বিক অস্থিরতা এখনও বিদ্যমান। তাছাড়া দেশে বিনিয়োগে আস্থা হারিয়ে ফেলছেন স্থানীয় উদ্যোক্তারা। বিদেশি বিনিয়োগ তো পরের কথা। বিদ্যমান কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই কঠিন হয়ে পড়েছে। কারণ শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তাই দেশীয় শিল্প ও উদ্যোক্তাদের সুরক্ষা দিতে হবে আগে।

বাজেট ঘাটতি কমাতে সরকারকে ব্যয় সংকোচন করতে হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা। অন্তত দেড় কোটি টাকা কমিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করছেন তারা।

ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের সংগঠন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন কালবেলাকে বলেন, ই-কমার্স খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাত নিয়ে বিশেষ কিছু নেই। এ খাতে অত্যধিক লজিস্টিক খরচ, ডিজিটাল লেনদেনে নিরাপত্তাসহ নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে উদ্যোক্তাদের। পাশাপাশি ব্যাংক থেকেও ছোট উদ্যোক্তারা তেমন কোনো সুবিধা পাচ্ছে না।

রয়েছে ভালো দিকও: ব্যবসায়ীরা বলছেন, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বেশ কিছু ভালো দিকও রয়েছে, যা ব্যবসার পরিবেশকে অনুকূলে নিয়ে আসতে পারে। তারা বলছেন, সিঙ্গেল উইন্ডো বাধ্যতামূলক, ওয়ার্ক পারমিট ৭ দিনে, বিদেশি ঋণের সুদে উৎসে কর ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা এবং উৎসে কর কর্তনজনিত ব্যয় অগ্রহণযোগ্যতার বিধান বাতিল বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

তৈরি পোশাক খাতের ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের একটি দাবি ছিল উৎসে কর্তিত অগ্রিম আয়কর (এআইটি) সমন্বয়, বহন বা ফেরতের জন্য একটি কার্যকর ব্যবস্থা চালু করা। আগামী বাজেটে সেটি দেওয়া হয়েছে। উৎসে অগ্রিম কর কেটে নেওয়ার পর তা সময়মতো সমন্বয় বা ফেরত না হলে ব্যবসার কার্যকর মূলধন আটকে যায়। এর ফলে তারল্য সংকট সৃষ্টি হয়, ব্যাংকঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়ে এবং শিল্পের টেকসই প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হয়, যা এতদিন হয়েছে। তবে ফেরতের বিষয়ে আরও স্পষ্টীকরণ চান ব্যবসায়ীরা।

রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য বিদ্যমান সুবিধাগুলো বহাল রাখা এবং বিভিন্ন প্রণোদনা ও নীতিগত সুবিধার মেয়াদ তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্তকেও বিনিয়োগের জন্য ইতিবাচক বলছেন ব্যবসায়ীরা। এ ধরনের নীতিগত ধারাবাহিকতা বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক পরিকল্পনায় সহায়তা করবে বলে মনে করছেন তারা।

এ ছাড়া স্টার্টআপ ফান্ড বরাদ্দ রাখা এবং এই খাতে করের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। এটাকেও ভালো উদ্যোগ বলছেন ব্যবসায়ীরা। পাঁচ বছরের কর কাঠামো আগাম ঘোষণা করা হয়েছে বাজেটে। ব্যবসা সহজ করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী, যা উদ্যোক্তাদের মধ্যে আশার আলো দেখিয়েছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ভাগ্য ভালো, আরও গোল খাইনি : ব্রাজিল ডিফেন্ডার

লাশ আটকে ‘কান ধরে উঠবস’, তবুও কর্মবিরতিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা

২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরেই বাজিমাত, ব্রাজিলকে পেছনে ফেলে গ্রুপসেরা স্কটল্যান্ড

স্বেচ্ছায় বিয়ে, থানার ভেতরেই মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

দুই মাসের জন্য ইউরোপ ট্যুরে যাচ্ছেন জেমস

মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের ওপর হামলা, আহত ৫

ড. সুকোমল বড়ুয়া ও ড. হুমায়ুন কবিরের নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

ঘরে প্রথম স্ত্রী রেখে দ্বিতীয় বিয়ে করতে গিয়ে অবরুদ্ধ ছাত্রদল নেতা

সন্ধ্যার মধ্যে যেসব জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস

পুলিশ বলছে দিল্লির অগ্নিকাণ্ডটি পরিকল্পিত ছিল, মৃত্যু ৩

১০

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি চুক্তির প্রত্যাশা করছে পাকিস্তান

১১

সৌদিতে বসবাসে নতুন নিয়ম জারি

১২

জুলাই শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

১৩

অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের বিতর্কিত প্রস্তাবে ভোট দিচ্ছেন সুইসরা

১৪

সংসদীয় আলোচনায় উত্থাপিত তথ্যের ব্যাখ্যা দিল নাবিল গ্রুপ

১৫

হোয়াইটওয়াশের মিশনে দুর্দান্ত ব্যাট করছে টাইগাররা

১৬

মেক্সিকোতে সশস্ত্র হামলায় মেয়র নিহত

১৭

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে ইন্টিগ্রেটিভ মেডিসিনের অধ্যাপক হিসেবে যোগ দিলেন প্রফেসর ড. মজিবুল হক

১৮

তুরস্কের অঘটনে অস্ট্রেলিয়ার ঐতিহাসিক জয় 

১৯

আত্মসমর্পণ করতে সিরাজগঞ্জ যাচ্ছেন মুফতি আমির হামজা

২০
X