শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২
কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:২৯ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

বাজারে অরাজকতার মধ্যেই বাড়ল এলপিজির দাম

কৃত্রিম সংকট
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

দেশে এক সপ্তাহ ধরে বোতলজাত গ্যাস বা তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) বাজারে অরাজকতা চলছে। সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডারের তীব্র সংকট চলছে। দ্বিগুণ দাম দিয়েও গ্রাহকরা পাচ্ছেন না এলপিজি সিলিন্ডার। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, চাহিদার বিপরীতে আমদানি করা এলপিজি পর্যাপ্ত রয়েছে। সংকট হওয়ার কোনো কারণ নেই। যে সংকট তৈরি হয়েছে সেটা কৃত্রিমভাবে করা হয়েছে। কৃত্রিম এই সংকটের জন্য সরকার ও আমদানিকারকরা খুচরা ব্যবসায়ীদের দুষছেন। এই কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সংকটের বিষয়ে জানতে গতকাল রোববার বিকেলে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) নেতৃবৃন্দের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন জ্বালানি সচিব।

এদিকে বাজারে অরাজকতার মধ্যেই জানুয়ারি মাসের এলপি গ্যাসের দাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ১২ কেজি এলপি গ্যাসের দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অটোগ্যাস লিটার প্রতি ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৫৯ টাকা ৮০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম গতকাল সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

গতকাল বিকেলে নতুন এই দর ঘোষণা করেন বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। এ সময় কমিশনের সদস্য মো. মিজানুর রহমান, মো. আব্দুর রাজ্জাক, সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহিদ সারওয়ার উপস্থিত ছিলেন।

দাম ঘোষণার পর বাজারে এলপিজির সংকট নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জবাবে বিইআরসির চেয়ারম্যান বলেন, ‘রিটেইল (খুচরা) পর্যায়ে আমাদের নিয়ন্ত্রণ নেই। আমি নিজে ভোক্তা অধিদপ্তরের ডিজির সঙ্গে কথা বলেছি। অভিযান বাড়ানোর জন্য অনুরোধ করেছি। এ ছাড়া এই খাতের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেছি, সমস্যা জানতে।’

তিনি বলেন, ‘এটা ঠিক যে এলপিজি বহনকারী কিছু জাহাজের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে আমদানি করা যাচ্ছে না। আমরা ব্যবসায়ীদের পরামর্শ দিয়েছি, মধ্যপ্রাচ্য থেকে না এনে সিঙ্গাপুর থেকে আমদানি করতে।’

এলপিজির সংকট নিয়ে গতকাল বিকেলে লোয়াব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে জরুরি বৈঠকের পর জ্বালানি বিভাগ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে এলপিজির পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, খুচরা পর্যায়ে এলপিজির বাজার স্বাভাবিকের চেয়ে ঊর্ধ্বমুখী। বিষয়টি লক্ষ্য করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন। বৈঠকে কিছু পর্যবেক্ষণ উঠে আসে। এগুলো হলো—দেশে এলপিজি গ্যাসের পর্যাপ্ত মজুত আছে। স্থানীয় খুচরা বিক্রেতারা বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে। যদিও বিশ্ববাজারে মূল্য বৃদ্ধি এবং জাহাজ সংকট ও কিছু কিছু কার্গোর (জাহাজ) ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় আমদানি পর্যায়ে কিছু সংকট উদ্ভূত হয়েছে। গত নভেম্বর মাসে এলপিজি আমদানির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৫ হাজার মেট্রিক টন। আর ডিসেম্বরে আমদানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার মেট্রিক টন। অর্থাৎ আমদানি বৃদ্ধি পেলেও বাজারে এলপি গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার কোনো যুক্তিসংগত কারণ নেই। গতকালের বৈঠকে এলপিজি অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ এবং আমদানিকারকরা জানিয়েছেন, বিইআরসি এ মাসে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি করতে পারে জেনে খুচরা বিক্রেতারা কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে। এ ছাড়া এরই মধ্যে এলপিজিকে গ্রিন ফুয়েল বিবেচনায় অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে উত্থাপিত কিছু দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট (এলসি সহজীকরণ, আরোপিত ভ্যাট হ্রাস করা ইত্যাদি) কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনাপূর্বক দাবিগুলো নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য কেবিনেট ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করা হয়েছে।

বৈঠকে লোয়াবের পক্ষ থেকে সংকট মোকাবিলায় ১০ দফা সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, আন্তর্জাতিক মূল্য বৃদ্ধি, ফ্রেইট চার্জ, বিনিময় হার অস্থিরতা ও অন্যান্য পরিবর্তনশীল ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এলপিজির মূল্য নির্ধারণ করা; অপারেটরদের দাখিলকৃত এলপিজি আমদানি পরিমাণ বৃদ্ধির আবেদনসমূহ অনুমোদন করা; সংকটকালীন সময়ে দ্রুত অনুমোদনের (ফাস্ট-ট্র্যাক) ব্যবস্থা গ্রহণ করা; লাইসেন্স ফি সাময়িক হ্রাস বা যৌক্তিকীকরণ; এলপিজির ওপর প্রযোজ্য বন্দর চার্জ, ভ্যাট, অগ্রিম আয়কর ও অন্যান্য সরকারি শর্ত পর্যালোচনা ও যৌক্তিকীকরণ করা; ডেমারেজ ও সরবরাহ জট এড়াতে এলপিজি বহনকারী জাহাজের বার্থিং, খালাস ও ক্লিয়ারেন্সে অগ্রাধিকার নিশ্চিত করা; এলপিজি আমদানি করার ক্ষেত্রে এলসি সহজ করা উল্লেখযোগ্য।

লোয়াবের সঙ্গে বৈঠক শেষে জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘লোয়াবসহ অপারেটরদের সঙ্গে আমরা বৈঠক করে বুঝতে চেয়েছি কেন সংকট হলো। তারা জানিয়েছেন, যে পরিমাণ এরই মধ্যে আমদানি করা হয়েছে, তা বাজারজাত করা হলে তাহলে সংকট থাকার কথা নয়। এ বিষয়ে এলপিজি অ্যাসোসিয়েশন একটা বিবৃতি দেবে।’

তিনি বলেন, আপনারা জানেন যে আমরা শুধু অপারেটরদেরকেই নিয়োগ দিই। এরপর কিছু ফ্র্যাঞ্চাইজি আছে, ডিস্ট্রিবিউটর আছে, ডিলার আছে, সাব-ডিলার আছে। সবশেষে রিটেলার আছে।

লোয়াবের পক্ষ থেকে বেশকিছু সুপারিশ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তারা যেটা বলতে চেয়েছে যে, এ বিষয়গুলো একটু যদি আমরা তাদের সহযোগিতা করি তাহলে ভবিষ্যতে এ ধরনের সংকট তৈরি হবে না। সেটা হচ্ছে যে এলসি খোলার ক্ষেত্রে তারা কিছু প্রবলেম ফেস করে। তো যেহেতু এটা একটা ক্লিন এনার্জি। সে কারণে যাতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এলসিগুলো খোলা যায়। এ ব্যাপারে আমরা বাংলাদেশ ব্যাংককে রিকোয়েস্ট করব। আর আমরা আজকে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, যেহেতু বিআরসি এলপিজির সব পর্যায়ের লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ এবং প্রাইস নির্ধারণকারী কর্তৃপক্ষ। আমরা বিআরসির কাছে প্রতি মাসে একটা রিপোর্ট চাচ্ছি। পারলে সেটা তিন মাসের ফোরকাস্ট করে তারা দেবে আমাদের। যাতে এরকম কোনো সংকট আমরা ফেস না করি।

গতকাল এলপিজি আমদানিকারকদের সংগঠন লোয়াব থেকে চলমান সংকট নিয়ে গণমাধ্যমে লোয়াব সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ আহসানুল জব্বার স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়। এতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি দেশে এলপিজির মূল্য হঠাৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে অনুষ্ঠিত সভায় এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রতিনিধি জানিয়েছেন যে শীতের জন্য জাহাজ ভাড়া বৃদ্ধি, ইউরোপে শীতকালে জ্বালানি ব্যবহার বৃদ্ধি এবং কিছু কারণে সরবরাহে কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছে। তার পরও বর্তমান মজুত সন্তোষজনক। আমদানি পর্যায়ে কোনো সিলিং থাকবে না মর্মে সভায় আলোচনা হয়। এ সত্ত্বেও লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে কিছু খুচরা বিক্রেতা সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি করছেন, যার ফলে ভোক্তারা হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হচ্ছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে, আমরা অতিরিক্ত মূল্যে এলপিজি বিক্রিকারী খুচরা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি। ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এবং বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর নজরদারি ও আইন প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি।

এখানে উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ গত ২০ নভেম্বর ৪৮ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জ্বালানি পরিবহনকারী জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। সে তালিকায় রয়েছে সিঙ্গাপুর, ইরান ও ভারতের ১৪ ব্যবসায়ী, ২৪টি প্রতিষ্ঠান এবং ১০টি এলপিজি ও অপরিশোধিত জ্বালানি তেল বহনকারী জাহাজ। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, নিষেধাজ্ঞাভুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বড় অংশই ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক এবং তারা দক্ষিণ এশিয়ায় এলপিজি ও জ্বালানি তেল সরবরাহের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। নিষেধাজ্ঞার ফলে এসব ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক কার্যত অচল হয়ে পড়েছে, যার প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশসহ আমদানিনির্ভর দেশগুলোর বাজারে।

সংকটে গ্রাহকরা দিশেহারা: গত সপ্তাহখানেকের বেশি সময় ধরে রাজধানীতে এলপিজির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। গ্রাহক পর্যায়ে চাহিদা থাকলেও খুচরা দোকানগুলোয় মিলছে না এ গ্যাসের সিলিন্ডার। ফলে গ্রাহকদের একাধিক দোকানে ঘুরতে হচ্ছে। কোনো দোকানে পাওয়া গেলেও তা বিক্রি হচ্ছে নির্ধারিত দামের চেয়ে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা বেশিতে। প্রয়োজন থাকায় কিনতে বাধ্য হচ্ছেন গ্রাহকরা। সংকটের কারণে অনেকেই হোটেল থেকে খাবার কিনে খেতে বাধ্য হচ্ছেন। গতকাল গ্রিনরোড, কাঁঠালবাগান ও মগবাজার এলাকা ঘুরে গ্রাহকদের এমন ভোগান্তি দেখা গেছে।

এলপি গ্যাসের সংকটের কারণকে পুঁজি করে ডিলার-সাব ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা বেশি দাম হাতিয়ে নিচ্ছে। এমনকি বেচাকেনায় কোনো রসিদও দিচ্ছে না। আর কোনো ক্রেতা কেনার রসিদ চাইলে তার কাছে এলপিজি বিক্রি করছে না। নিউমার্কেট, কারওয়ান বাজারের একাধিক খুচরা বিক্রেতা এই প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে জানান, ডিলার থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। নিউমার্কেট কাঁচাবাজারের হোটেল ব্যবসায়ী নিয়ামুল করিম জানান, ৯০০ টাকা বেশি দিয়ে সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডার কিনেছি। ব্যবসা চালু রাখতে বাধ্য হয়ে কিনছি। সরকারি দামে এলপি গ্যাস পাওয়া যায় না। একাধিক খুচরা ব্যবসায়ী জানান, ডিলার, সাব ডিলার থেকে সরকারি দামের চাইতেও বেশি দামে কিনতে হয়। ফলে খুচরা পর্যায়ে আরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে খুচরা ব্যবসায়ীর বেশি দামে এলপিজি বিক্রি করছে।

রাজধানীর গ্রিনরোডের বাসিন্দা ও এলপিজির গ্রাহক জাকির হোসেন নয়ন এই প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে জানান, মাসে ১২ কেজির দুটি সিলিন্ডার লাগে। যে দোকান থেকে তিনি এলপিজি কেনেন, সেখানে নেই। পরে এই খুচরা ব্যবসায়ী জানান, ১২ কেজি এলপিজির জন্য সিলিন্ডারপ্রতি সাড়ে ৬০০ টাকা বেশি দিতে হবে। পরে বাধ্য হয়ে বেশি দামে এলপিজি কেনেন।

কাঁঠালবাগানের এলপিজির খুচরা ব্যবসায়ী জিয়াউল হক বলেন, ‘বসুন্ধরা, ইউনিগ্যাস, পেট্রো ও সেনার এলপিজি গ্যাস বিক্রি করি। প্রায় ১০ দিন ধরে এসব কোম্পানির ডিলাররা কোনো গ্যাস দিচ্ছে না।’

বেশি দামে বিক্রি বন্ধ রেখেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ডিলাররা বাড়তি দামে বেচার কোনো রসিদ দিচ্ছে না। কাস্টমারও নানান প্রশ্ন করেন। তাই আর বিক্রি করছি না।’

একাধিক খুচরা ব্যবসায়ী অভিযোগ করেছেন, খুচরা পর্যায়ে সিলিন্ডারপ্রতি কমপক্ষে ৫০ টাকা লাভ করে বিক্রি করতে হয়। নইলে ব্যবসা করে পোষাবে না। কিন্তু সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি টাকা দিয়ে ডিলার থেকে কিনতে হচ্ছে। এজন্য কোনো রসিদ দেওয়া হচ্ছে না। রসিদ চাইলে মাল দেয় না। সরকারের উচিত ডিলার পর্যায়ে অভিযান চালানো।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত চেয়ে আইনি নোটিশ

রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে বিএনপি নেতার আবেদন

এশিয়ার সর্বপ্রথম মেডিকেল অ্যানাটমি লার্নিং অ্যাপ ভার্চুকেয়ারের উদ্বোধন করলেন সাকিফ শামীম

ছাত্রদল ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির আঁতুড়ঘর : মান্নান

মনোনয়নপত্র নিয়ে যে বার্তা দিলেন বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল

গাইবান্ধায় ১৪৪ ধারা জারি

খালেদা জিয়া কখনো জোর করে ক্ষমতায় থাকেননি : খায়রুল কবির

জামায়াতের প্রার্থীকে শোকজ

সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে : সেলিমুজ্জামান

নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কি না, সন্দেহ রয়ে গেছে : মঞ্জু

১০

ঢাবির ৪ শিক্ষককে স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য চার্জ গঠন

১১

নবম পে-স্কেলে সর্বোচ্চ বেতন নিয়ে যা জানাল কমিশন

১২

ইউজিসি কর্মচারী ইউনিয়নের নতুন কমিটির অভিষেক

১৩

গ্যাস যেন সোনার হরিণ, এলপিজি সংকটে নাভিশ্বাস

১৪

খালেদা জিয়া ছিলেন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বহ্নিশিখা : কবীর ভূঁইয়া

১৫

মুসাব্বির হত্যা নিয়ে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া

১৬

ছাত্রলীগ পুনর্বাসিত হচ্ছে শিবিরের দ্বারা : ডা. আউয়াল

১৭

আইসিসিকে পাঠানোর বিসিবির নতুন চিঠিতে যা আছে

১৮

জবির ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুক্রবার

১৯

মুদ্রা ছাপাতে প্রতি বছর ব্যয় ২০ হাজার কোটি টাকা : গভর্নর

২০
X