

পৃথিবীতে যে নারী আমার
তার আর তোমার ফারাক কি জানো?
মনস্তাত্ত্বিক জগত ও প্রাত্যহিক জীবনে
আমাদের অমিল নেই।
তুমি প্রচণ্ড রূপবতী
ক্লিওপেট্টা সপ্তমের মতো
পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের গাঢ় ছায়ায়
রক্তচাঁদ হয়ে আছি সহস্র শতাব্দী।
পৃথিবীতে যে নারী আমার
তোমার মধ্যে কোনো ঈর্ষা নেই
পক্ষান্তরে সে সিকি পরিমাণেও যদি আঁচ
করতে পারে এ জগতে তোমার আমার অবাধ প্রেম
মাইরি বলছি- জামনগর রিফাইনারির সব জ্বালনি দিয়ে তোমাকে পোড়াবো।
পৃথিবীতে যে নারী আমার
তোমার তীক্ষ্ণ বৈষয়িক ও গৃহস্হালির
জ্ঞানে আজ মার্কাস অরেলিয়াসের মতো
দার্শনিক রাজা আমি।
ওখানে তিন রুমের অগোছালো ফ্ল্যাট
প্রতিদিন একবোঝা হীনমন্যতা নিয়ে
কাজে বেরোই সন্ধ্যায় ঘরে ফিরি
শোষিত প্রজা হয়ে।
পৃথিবীতে যে নারী আমার
তার আর তোমার চোখের ফারাকও ভয়াবহ
তোমার চোখে তাকালে যতটা সহজেই গহিনে
অবতরণ করতে পারি...
কাঠগোলাপ আর নীল পদ্মের সমাহারে
আমি মশগুল হই।
তার বেলায় বিপরীত
কেননা পৃথিবী দৃশ্যমান
যেমন : ভোরে গাছ পাকা জামরুল খাওয়ার
সময় আমার দু-দন্তে পিষ্ট হয়ে একটি
কবি পিঁপড়ার মৃত্যু হয়।
পিঁপড়াদের সাহিত্যে যোগ হয়
কবিতা, গল্প।
কবির পাঁচ বয়স বয়সী ছেলে
পণ করে বসে হত্যার বদলে হত্যা।