কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৫, ০২:৫৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

মেডিকেলের পার্কিংয়ে গাড়িতে ২ মরদেহ, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের

ঘটনাস্থল। ছবি : সংগৃহীত
ঘটনাস্থল। ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর মৌচাকে ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের পার্কিংয়ে গাড়িতে জাকির হোসেন ও মিজানুর নামের দুজনের মরদেহ পাওয়া যায়। বিষয়টিকে হত্যাকাণ্ড বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা।

মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে তাদের মরদেহ নিতে আসেন স্বজনরা।

জাকিরের স্বজনদের দাবি, ২ বছর আগে দালালের চক্রান্তে পড়ে পল্টন এলাকার একটি ট্রাভেল এজেন্সিকে ২৫ লাখ টাকা দেন আমেরিকা যাওয়ার জন্য। তবে আমেরিকা পাঠাতে পারেনি এজেন্সিটি। পরবর্তীতে সেই টাকাও ফেরত দেয়নি তারা। গত ১০ আগস্ট সেই টাকা ফেরত দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এর পরদিন উদ্ধার হয় জাকির ও তার বন্ধুর লাশ।

এর আগে, সোমবার (১১ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর মৌচাকে সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের পার্কিংয়ে থাকা একটি প্রাইভেটকারের ভেতর থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রোববার (১০ আগস্ট) ভোরে সাদা রঙের ওই প্রাইভেটকারটি পার্কিংয়ে প্রবেশ করে। এরপর থেকে পার্কিংয়েই ছিল। সকালে মেডিকেল কলেজের প্রধান নিরাপত্তারক্ষী পার্কিংয়ে চেক করতে গেলে বিষয়টি তার নজরে আসে।

নিরাপত্তারক্ষী জানান, তিনি গাড়ির ভেতরে দুজনকে দেখতে পান। প্রথমে তিনি ভেবেছিলেন ঘুমিয়ে আছেন। তবে ডাকাডাকির পরও সাড়া না পেয়ে বুঝতে পারেন যে তারা মারা গেছেন। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন ডিএমপির রমনা জোনের ডিসি মাসুদ আলম। তিনি বলেন, আমরা মালিকের খোঁজ পেয়েছি। তিনি রোববার ভোরের দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক আত্মীয়কে দেখতে আসেন ওই গাড়িতে করে। পরে তিনি একা চলে গেলেও গাড়ির চালক এবং তার সঙ্গী ওই গাড়িতে এসে অবস্থান করছিলেন।

বিষয়টি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্যকিছু জানতে চাইলে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, সিআইডিসহ অন্য এক্সপার্টরা আসছেন। তারা তদন্ত করবেন। এ ছাড়া মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণের কাজ চলছে। গাড়ির মালিকও আসছেন। সব ধরনের তদন্ত শেষে বিষয়টি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্যকিছু সে বিষয়টি পরিষ্কার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘বিদ্যুৎ খাতে নীতি দুর্বলতার বোঝা জনগণের ওপরে চাপানো যাবে না’

খড় শুকাতে গিয়ে হিটস্ট্রোকে প্রাণ গেল কৃষকের

তিন বছর ধরে অবরুদ্ধ, স্ত্রীর জানাজায়ও যেতে দিল না ছেলে

পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে পদোন্নতি, গ্রেড-১ পেলেন ২ কর্মকর্তা

যুবদলের শীর্ষ নেতৃত্বে আইয়ুব খান, প্রত্যাশা সাংগঠনিক গতিশীলতার

নারায়ণগঞ্জ  / বিএনপি নেতাকে মারধর, ৪ যুবদল কর্মী বহিষ্কার

ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর দফায় দফায় হামলা চালাচ্ছে লেবাননের যোদ্ধারা

ঈদের ছুটিতে সিলেটের সাদাপাথরে পর্যটকের ঢল

বিশ্বকাপে শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখতে আর্জেন্টিনার ‘গোপন’ পরিকল্পনা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অস্ত্র ও গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তার, পলাতক ২

১০

হিটস্ট্রোকের আগে শরীর যেসব সংকেত দেয়

১১

কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে নারী শ্রমিক ধর্ষণের শিকার, গ্রেপ্তার ১

১২

চাঁদাবাজির মামলায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

১৩

টিআইবির বিবৃতি / কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ দুর্নীতিকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার শামিল

১৪

৬ দফা দাবিতে চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের আন্দোলন

১৫

হজ শেষে হাজিদের জন্য যে ৩ কাজ জরুরি

১৬

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারদের ছাড়া শিল্প চলতে পারে না : রাগীব আলী

১৭

আলজাজিরার অনুসন্ধান / নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে দক্ষিণ গাজা, স্যাটেলাইটে উঠে এলো ইসরায়েলের বর্বরতা  

১৮

৫ জুলাই বিয়ে, জানালেন আমির নিজেই

১৯

বিশ্বকাপে ডাক পাওয়ায় পিছিয়ে গেল বিয়ে

২০
X