

নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানে থানা থেকে লুট হওয়া ১৫ শতাংশ অস্ত্র ও ৩০ শতাংশ গুলি এখনো উদ্ধার হয়নি। নির্বাচনের আগে এসব অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি।’
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেলের মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘এক এলাকার সন্ত্রাসী অন্য এলাকায় গিয়ে যেন নিরাপদে থাকতে না পারে, সে ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক থাকতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে রোহিঙ্গাদের দিয়ে অস্ত্রের প্রবেশ ঠেকাতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও সীমান্ত সিল করা হবে। এ ছাড়া নিরাপত্তা জোরদারে চেকপোস্ট বাড়ানো হবে।’
এসময় রোহিঙ্গাদের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক করেন ইসি সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পগুলো সিল করে দিতে হবে। স্থল সীমান্ত ও সাগরপথেও নজরদারি বাড়াতে হবে। যাতে কোনোভাবেই দুষ্কৃতকারীরা এগুলো ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটিত করতে না পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ নির্বাচন ভালো করতে না পারলে সবাইকে এর পরিণতি ভোগ করতে।’
এর আগে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর বিভিন্ন থানা, ফাঁড়ি, বক্সসহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট-স্থাপনায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পুড়িয়ে দেওয়া হয় থানা-পুলিশের কাজে ব্যবহৃত গাড়ি। এসব জায়গা থেকে ৫ হাজার ৭৫৩টি আগ্নেয়াস্ত্র লুট হয়। গোলাবারুদ লুট হয় ৬ লাখ ৫১ হাজার ৮৩২টি। লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধারে গত বছরের ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর যৌথ অভিযান শুরু হলেও এখন পর্যন্ত সব অস্ত্র উদ্ধার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
মন্তব্য করুন