

সুন্দরবন সংলগ্ন দুবলার চরের আলোরকোলে আগামী ২৫ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী শত বছরের ঐতিহ্যবাহী রাস উৎসব। তবে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের স্বার্থে এবারও পুণ্যার্থী ছাড়া অন্যদের ওই সময় সুন্দরবনে ভ্রমণ বন্ধ থাকবে, উৎসবকে ঘিরে এবার হচ্ছে না রাসমেলা।
রোববার (১২ নভেম্বর) দুপুরে বাগেরহাট জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে ‘রাস পূর্ণিমা পূজা ও পুণ্যস্নান’ উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসক মোহা. খালিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পুলিশ সুপার, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ও রাস উৎসব কমিটিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য ৩ দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী এ ‘রাস পূর্ণিমা পূজা ও পুণ্যস্নান’ অনুষ্ঠিত হবে সিদ্ধান্ত হয়। তবে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের স্বার্থে এবারও পুণ্যার্থী ছাড়া অন্যদের ওই সময় সুন্দরবনে ভ্রমণ বন্ধ থাকবে এবং উৎসবকে ঘিরে এবার রাসমেলা হবে না বলেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
রাস উৎসব শ্রীকৃষ্ণের ব্রজলীলার অনুকরণে বৈষ্ণবীয়ভাব ধারায় অনুষ্ঠিত ধর্মীয় উৎসব। শ্রীকৃষ্ণের রসপূর্ণ অর্থাৎ তাত্ত্বিক রসসমৃদ্ধ কথা বস্তুকে রাসযাত্রার মাধ্যমে জীবাত্মার থেকে পরমাত্মায় রূপান্তরিত করতে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন এ উৎসব পালন করে থাকে। উৎসব চলাকালে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন বঙ্গোপসাগরের চর আলোরকোল এলাকায় পূর্ণিমার জোয়ারে স্নান করে, যাতে তাদের সব পাপ মোচন হয়।
মন্তব্য করুন