কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ জুন ২০২৬, ০৫:১০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

দিনে কয়টি আম খাওয়া উচিত? সুস্থ থাকতে জানুন সঠিক পরিমাণ

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ফলের রাজা আম তার অনন্য স্বাদ, সুগন্ধ আর পুষ্টিগুণের জন্য সারা বিশ্বের মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। আম যেমন সুস্বাদু, তেমনই এতে রয়েছে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় নানাবিধ ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। তবে আম খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমিতিবোধ বজায় রাখা জরুরি। সুস্থ থাকতে দিনে ঠিক কয়টি আম খাওয়া উচিত এবং এর উপকারিতাগুলো কী কী, তা নিচে আলোচনা করা হলো।

আমের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা

আমে রয়েছে ভিটামিন সি, এ, ফলেট, পটাশিয়াম এবং প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। এছাড়া এতে আছে শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা শরীরকে ক্ষতিকর ফ্রি র‍্যাডিক্যাল থেকে রক্ষা করে। আমের প্রধান কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা হলো:

  • হজম শক্তি বৃদ্ধি: আমে থাকা অ্যামাইলেজ ও প্রোটিয়েজের মতো প্রাকৃতিক এনজাইম শর্করা ও প্রোটিন হজমে সহায়তা করে। এর উচ্চ ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে।
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো: উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে এবং সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
  • চোখের যত্ন: আম ভিটামিন এ এবং বিটা-ক্যারোটিনের চমৎকার উৎস, যা রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে এবং চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়।

দিনে কয়টি আম খাওয়া উচিত?

বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন সুস্থ ব্যক্তির জন্য প্রতিদিন ১ থেকে ২ টি মাঝারি আকারের আম খাওয়া আদর্শ। এই পরিমাণটি অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ না করেই শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করে। তবে আম খাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা ও ক্যালোরির চাহিদাও বিবেচনায় রাখা উচিত।

কাদের জন্য সতর্কতা জরুরি?

আমে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক চিনি ও ক্যালোরি থাকে। তাই যারা ওজন কমাতে চাচ্ছেন কিংবা যাদের রক্তে শর্করার পরিমাণ বেশি (ডায়াবেটিস), তাদের আম খাওয়ার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরিমাণ নির্ধারণ করা দরকার। এছাড়া, কারো কারো ক্ষেত্রে আমে অ্যালার্জি থাকতে পারে। আমের খোসা বা রসের সংস্পর্শে এলে ত্বকে চুলকানি, লালচে ভাব বা ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে। বিরল ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট বা পেটের সমস্যার মতো লক্ষণও দেখা দিতে পারে । এমন সমস্যা থাকলে আম এড়িয়ে চলা বা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

ডায়েটে আম যোগ করার মজাদার উপায়

শুধু আম হিসেবেই নয়, বিভিন্ন উপায়ে এই ফলটি আপনার খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন:

  • তাজা ফল হিসেবে বা সালাদ ও দইয়ের সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন।
  • অন্যান্য ফলের সাথে মিশিয়ে পুষ্টিকর স্মুদি তৈরি করতে পারেন।
  • আম, টমেটো ও পেঁয়াজ দিয়ে চটপটে ‘ম্যাঙ্গো সালসা’ তৈরি করা যায়।
  • আইসক্রিম, পুডিং বা ডেজার্ট তৈরিতে আমের পিউরি ব্যবহার করা যেতে পারে।

তথ্যসূত্র: দ্য ওয়েলনেস কর্নার

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিশ্বকাপে নামার আগে ৬৯ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন মেসি

ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা

পাকিস্তানের বিমান হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ১৩

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে চাকরি, এসএসসি পাসেই আবেদন

ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল যুবকের

ব্যভিচারের অভিযোগের মামলায় ক্রিকেটার নাসির ও তামিমা খালাস

‘সুপার’ এল নিনোতে ১০টি বড় বিপদের শঙ্কা

ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ২

দুই ম্যাচের ২ পেনাল্টিতে শেষ হলো আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ প্রস্তুতি

বেইলি ব্রিজ ভেঙে ঢাকা-মঠবাড়িয়া-পাথরঘাটা যান চলাচল বন্ধ

১০

নিরাপদ থাকতে চাইলে আমাদের অঞ্চল থেকে চলে যাও, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরান

১১

ট্রেন উদ্ধারে যাওয়ার পথে রিলিফ ট্রেনও লাইনচ্যুত

১২

নতুন উপ-উপাচার্য পেল চার বিশ্ববিদ্যালয়

১৩

সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী

১৪

ফুটবল খেলে ঘরে ফেরা হলো না ২ শিশুর

১৫

সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ১৭ জেলায় ঝড়ের আশঙ্কা

১৬

ইসরায়েল থামতে না থামতেই নতুন উত্তেজনা শুরু যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের

১৭

দেশে স্বর্ণের বাজারে বড় পতন

১৮

পুশইন ঠেকাতে সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতায় ১৭ বিজিবি

১৯

আগুনে পুড়ল ৭ দোকান, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

২০
X