

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্রুত পদায়ন নিশ্চিত করাসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা। বুধবার (১০ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব দাবি তুলে ধরেন।
প্রার্থীদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে, এনএসআই রিপোর্ট সংক্রান্ত বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদান এবং নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমাসহ একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ প্রকাশ। একই সঙ্গে দাবি পূরণে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপও কামনা করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ৮ ফেব্রুয়ারি নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের মাধ্যমে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হন। তবে প্রায় পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও তারা এখনো বিদ্যালয়ে পদায়নের অপেক্ষায় রয়েছেন। অনেকেই পূর্বের চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন, কেউ কেউ অন্য চাকরিতে যোগদান করেননি। ফলে একমাত্র উপার্জনের উৎস হারিয়ে অনেক প্রার্থী বর্তমানে বেকার অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।
প্রার্থীরা জানান, গত ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চের মধ্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা (ডোপ টেস্টসহ) এবং সব ধরনের সনদ যাচাইয়ের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী এর পরপরই যোগদান করার কথা থাকলেও গত চার মাস ধরে পুরো প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে আছে।
এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়া হলেও পিটিআই (প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণকেন্দ্র) প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করার পরই তাদের চূড়ান্ত পদায়ন করা হবে।