কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৫, ১১:১৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

‘ডিসেম্বরের মধ্যেই চট্টগ্রাম বন্দরের ৩ টার্মিনাল বিদেশি অপারেটরদের কাছে দেওয়া হবে’

বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন। ছবি : সংগৃহীত
বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেছেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালসহ (এনসিটি) তিনটি টার্মিনাল বিদেশি অপারেটরদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

রোববার (১০ আগস্ট) চট্টগ্রাম বন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ তথ্য জানান তিনি।

এর আগে তিনি বন্দরের ৪ নম্বর ফটকে এজেন্ট ডেস্ক উদ্বোধন করেন এবং পরে সিপিআর ফটকে ভেহিকল ও কনটেইনার ডিজিটাল ডাটা এক্সচেঞ্জ সিস্টেমের উদ্বোধন করেন।

আশিক মাহমুদ বলেন, আন্তর্জাতিক টেন্ডারের প্রক্রিয়া চলছে। আমাদের ইচ্ছা, চলতি বছরের শেষ নাগাদ চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি, লালদিয়া এবং বে টার্মিনালকে প্রথম অপারেটরকে দিয়ে যাওয়া। ৩১ ডিসম্বরের মধ্যেই আমরা টার্মিনালগুলোকে প্রথম অপারেটরের কাছে হস্তান্তর করব।

তিনি বলেন, আমরা সবসময়ই বলে আসছি, চট্টগ্রাম বন্দরকে গ্লোবাল র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষস্থানে রাখতে হবে। এজন্য সেরা অপারেটরদের নিয়ে আসা জরুরি। বর্তমানে বন্দরে নানা ধরনের সংস্কার কার্যক্রম চলছে। তবে আমরা প্রায়ই যে অভিযোগগুলো শুনি, তার মধ্যে দুর্নীতি ও হয়রানির বিষয়টি সবচেয়ে বেশি। সেটাও কমে আসবে। আমরা দেখতে চাই, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের বন্দরের ক্যাপাসিটি চার-পাঁচ গুণ বেড়ে গেছে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদেই কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানিয়ে নির্বাহী চেয়ারম্যান বলেন, বন্দরের চলমান প্রকল্পগুলো দ্রুত শেষ করার চেষ্টা করছি। আমাদের লক্ষ্য আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বড় বন্দরগুলোতে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন নিশ্চিত করা। এজন্য কিছু চুক্তি স্বাক্ষর করে রেখে যেতে চাই।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরে নিয়োগ পাওয়া বিদেশি অপারেটর আরএসজিটির (রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল) অভিজ্ঞতা মোটেও সুখকর নয়। তারা এখানে এসেছে, পাশাপাশি আরও কয়েকটি দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। যদিও ডিপি ওয়ার্ল্ড বা এপিএমের মতো ৬০-৭০টি দেশে কাজ করার অভিজ্ঞতা তাদের নেই, তবুও বেশ কয়েকটি দেশে অপারেট করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে এসে তারা নানা জটিলতার মুখে পড়েছে এবং সামগ্রিকভাবে অভিজ্ঞতাটি খারাপ হয়েছে। মূল সমস্যাটি হচ্ছে, বাংলাদেশ সরকার আগে কখনো আন্তর্জাতিক অপারেটরদের সঙ্গে সরাসরি চুক্তি বা কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করেনি।

এ সময় বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর, দুঃখপ্রকাশ সিএমপি কমিশনারের

পাকিস্তানে সেনা অভিযানে চার শীর্ষ জঙ্গি নেতাসহ ২১ সন্ত্রাসী নিহত 

বক্স অফিসে ঝড়, এবার আইনি বিতর্কে ‘দৃশ্যম ৩

দেড় দশক পার হলেও মেলেনি গ্রামীণফোনের কর্মীদের বকেয়া

ব্যবসায়ী শফিকুল হত্যার রহস্য উন্মোচন

নাঈমের সঙ্গে যা হয়েছে, কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: তামিম

টানা বৃষ্টিতেও জলাবদ্ধতা হয়নি, দাবি চসিক মেয়রের

কক্সবাজারে ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর

হাসপাতাল বন্ধ, নাকি দায়ীদের শাস্তি?

গ্যাসের চাপ কতক্ষণ কম থাকবে, জানাল তিতাস কর্তৃপক্ষ

১০

কুয়েত-কাতারের চেয়েও বড় বাজেট বাংলাদেশে : রাষ্ট্রদূত মুশফিক

১১

ভারতে বিমান বিধ্বস্তে ৫ সামরিক সদস্য নিহত

১২

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশ দলে যুক্ত হলেন শেখ মেহেদী

১৩

দেশে হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

১৪

দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

১৫

নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ভূমিমন্ত্রীর

১৬

কাপ্তাই সড়ক অবরোধ, উত্তেজনা

১৭

বিশ্বকাপে নামার আগেই ইংলিশ ফুটবলারদের বুট চুরি

১৮

ধর্ষণের অভিযোগের পর সেই শিবির নেতা বহিষ্কার

১৯

ইরাক-ইরান সীমান্তে ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল মায়সান

২০
X