কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫১ পিএম
আপডেট : ২০ আগস্ট ২০২৫, ০১:০৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সুস্থ সবল প্রজন্ম গড়ে তুলতেই হবে : প্রধান উপদেষ্টা 

প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি : সংগৃহীত
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি : সংগৃহীত

যতই চ্যালেঞ্জিং হোক, সুস্থ সবল প্রজন্ম গড়ে তুলতেই হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বুধবার (২০ আগস্ট) সকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সহযোগিতা বৃদ্ধির নিমিত্ত ‘যৌথ ঘোষণাপত্র’ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, স্বাস্থ্য খাতের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আমরা আজ একত্রিত হয়েছি। বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ বলার কারণ হলো—জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতি অর্জনের জন্য দক্ষ ও কর্মক্ষম মানবসম্পদ অপরিহার্য। যদি দক্ষ মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা না যায়, তবে ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে জাতীয় উন্নয়ন, কোনো কিছুই যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।

তিনি বলেন, বিশ্বের প্রায় সব দেশেই অসংক্রামক রোগ দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক বাস্তবতা, ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য এবং সীমিত এলাকায় বিপুল জনগোষ্ঠীর বসবাসের কারণে পরিস্থিতি এখানে আরও জটিল। তাই এ বিষয়টি জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা শুধু স্বাস্থ্য খাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং আমাদের সামগ্রিক অর্থনীতি, সামাজিক সুরক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২২ সালের প্রতিবেদনে দেখা যায়, বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর ৭১ শতাংশের পেছনে অসংক্রামক রোগ দায়ী। এর মধ্যে ৫১ শতাংশ মৃত্যু ঘটে ৭০ বছরের নিচে বয়সীদের মধ্যে, যা অকালমৃত্যু হিসেবে বিবেচিত। তিনি আরও জানান, দেশে ব্যক্তিগত চিকিৎসা ব্যয়ের হার ৬৯ শতাংশ, যার বড় একটি অংশ অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় ব্যয় হয়।

তিনি বলেন, অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত হলে মানুষ বাধ্য হয় উচ্চ চিকিৎসা ব্যয়ের মুখোমুখি হতে। বিশেষ করে কারও ক্যান্সার হলে পরিবারকে আর্থিক সামর্থ্যের সর্বোচ্চ প্রয়োগ করতে হয় এবং প্রায়ই তারা সহায়হীন হয়ে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে বিদেশে অতি ব্যয়বহুল চিকিৎসার প্রয়োজন হয়, ফলে বিপুল অঙ্কের অর্থ দেশের বাইরে চলে যায়।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, অসংক্রামক রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা যেমন উন্নত করা প্রয়োজন, তেমনি এসব রোগের প্রকোপ কমাতে বা প্রতিরোধ করতে উপযুক্ত জনসচেতনতা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের একার পক্ষে এ কাজ সম্ভব নয়। এজন্য সব মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত সহযোগিতা দরকার। খাদ্য, কৃষি, শিক্ষা, ক্রীড়া, স্থানীয় সরকার, গণপূর্তসহ প্রতিটি খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। প্রতিটি খাত থেকেই প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা ও নিবিড় উদ্যোগ। এজন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে।

কালবেলা/এমএইচ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

হাদিস অনুযায়ী যে সময় শিশুদের বাইরে রাখা উচিত নয়

বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ বিতরণ ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের: জ্বালানিমন্ত্রী

স্টোর রুমে নিয়ে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার

যশোরে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হত্যাযজ্ঞ / সাবেক এমপি মনিরুলসহ চারজনকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ

পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে কোনো পারমাণবিক কার্যক্রম নেই: ইরান

মেসিকে বিশ্বকাপের সেরা ফুটবলার ঘোষণা আইএফএফএইচএসের

নিউইয়র্কে একক কনসার্টে গান শোনাবেন অভিনেতা অপূর্ব

এনআরবি ব্যাংক-নগদের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারত্বের চুক্তি

দল থেকে বহিষ্কার, গাজী নজরুলের এমপি পদ কি থাকবে?

১০

সাঁতার জানতেন না কাউসার, সহকর্মীকে উদ্ধারে গিয়ে হারালেন প্রাণ

১১

রাত ১টার মধ্যে বজ্রবৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে

১২

অস্ত্র মামলায় আনিসুল হকের বিরুদ্ধে চার্জগঠন পেছাল

১৩

আইইউবিএটি ও লে মেরিডিয়ান ঢাকার মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

১৪

কাল মুক্তি পাচ্ছে বিজয়ের বিদায়ী সিনেমা

১৫

এলএল.বি ফল-২০২৬ / ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

১৬

জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসী হামলা, পুলিশ সদস্য নিহত

১৭

গাজী নজরুলকে নিয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত ইসিকে জানাবে জামায়াত

১৮

বিশ্বকাপে ইরানের ফুটবল দলের ওপর বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র: রাশিয়া

১৯

একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন

২০
X