সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০৭ এএম
অনলাইন সংস্করণ

মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে বাবা বানিয়ে চাকরি, জেষ্ঠ্য সহকারী সচিব বরখাস্ত

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে বাবা বানিয়ে কোটায় বিসিএস ক্যাডার হওয়ার অভিযোগে দুদকের করা মামলায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব) মো. কামাল হোসেনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) তাকে বরখাস্ত করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) থাকার সময় তার বিরুদ্ধে এ মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এর আগে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ জামিন বাতিল করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছিলেন।

সর্বশেষ রোববার সাময়িকভাবে বরখাস্তের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কামাল হোসেন বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সিনিয়র সহকারী সচিব) গত ২৮ জানুয়ারি ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কোর্টে হাজির হয়ে দুদকের মামলায় জামিন প্রার্থনা করলে আদালত শুনানি শেষে তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন। সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ এর ৩৯(২) ধারা অনুযায়ী সরকার তাকে সরকারি চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা প্রয়োজন ও সমীচীন মনে করেন। তাই সরকারি চাকরি আইনের ৩৯(২) ধারা অনুযায়ী ওএসডি সিনিয়র সহকারী সচিব কামাল হোসেনকে ২৮ জানুয়ারি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো। সাময়িক বরখাস্তকালে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৬ ডিসেম্বর দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. মনজুরুল ইসলাম মিন্টু বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবং চাকরি লাভসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগের উদ্দেশ্যে জন্মদাতা পিতা মো. আবুল কাশেম ও মা মোছা. হাবীয়া খাতুনের পরিবর্তে আপন চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আহসান হাবীব এবং চাচি মোছা. সানোয়ারা খাতুনকে পিতা-মাতা সাজিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে চরম প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের কোটায় প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি নেন। প্রতারণা ও জাল-জালিয়াতির অভিযোগে আসামির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, মো. কামাল হোসেন কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের সিরাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি এবং ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যয়নকালীন পিতার নাম হিসেবে তার প্রকৃত জন্মদাতা পিতা মো. আবুল কাশেমের নাম ব্যবহার করেন।

পরবর্তী সময় একই স্কুলে নবম শ্রেণিতে তিনি তার আপন চাচা মুক্তিযোদ্ধা মো. আহসান হাবীব এবং চাচি মোছা. সানোয়ারা খাতুনকে পিতা-মাতা সাজিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাজধানীতে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার

‘আগামীতে জামায়াতের নারীরা সংসদ নির্বাচনে সরাসরি অংশ নেবেন’

নানা কর্মসূচিতে সুরভী’র ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

‘১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় পার্টির জানাজা’

বিএনপির ভোটাররা টাকায় বিক্রি হয় না : খন্দকার আবু আশফাক

ব্যক্তিগত ক্ষমতায়ন ও গোষ্ঠীগত স্বার্থ হাসিলই জামায়াতের উদ্দেশ্য : রবিউল আলম

মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে বাবা বানিয়ে চাকরি, জেষ্ঠ্য সহকারী সচিব বরখাস্ত

ঢাকায় তুরস্কের ভিসা আবেদন কেন্দ্র চালু

ধানের শীষ প্রতীক থাকছে না যে ১০ আসনে

বিএনপি শুধু বাংলাদেশের : ফজলে হুদা

১০

ইসলামের ইজ্জত রক্ষায় আমরা এককভাবে নির্বাচন করছি : চরমোনাই পীর

১১

চলতি শিক্ষাবর্ষেই প্রাথমিকে চালু হচ্ছে ‘নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি’

১২

পাওনা টাকার বিরোধে ব্যবসায়ীকে হত্যা, সাবেক ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

১৩

নির্বাচন ঘিরে মোটরসাইকেলসহ যানচলাচলে বিধি-নিষেধ আরোপ

১৪

বিএনপি কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি

১৫

আসছে শৈত্যপ্রবাহ, হতে পারে বজ্র ও শিলাবৃষ্টি

১৬

কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি কত

১৭

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে খালেদা জিয়া হিমালয়ের মতো দাঁড়িয়েছিলেন : রিজভী

১৮

জামায়াত প্রার্থীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে ধানের শীষের পোস্টার-ফেস্টুন ছেঁড়ার অভিযোগ

১৯

অপমানের ‘প্রতিশোধ’ এভাবেই নিল পাকিস্তান!

২০
X