

গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর অন্তর্ভুক্তিমূলক, সাশ্রয়ী, জলবায়ু-সহনশীল এবং টেকসই নগরায়ণ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) জাতিসংঘের সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত নিউ আরবান এজেন্ডার মধ্যমেয়াদি পর্যালোচনা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
পরিকল্পিত নগরায়ণ, সাশ্রয়ী আবাসন এবং সুষম আঞ্চলিক উন্নয়নকে জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে আহম্মদ সোহেল মনজুর বলেন, বাংলাদেশ নগরায়ণকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি এবং জলবায়ু-সহনশীলতা জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির আলোকে সরকার সাশ্রয়ী আবাসন সম্প্রসারণ, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে আরও শক্তিশালী করা এবং টেকসই নগর অবকাঠামো উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি বলেন, এসব উদ্যোগ নিউ আরবান এজেন্ডা এবং টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি জানান, ভবিষ্যৎমুখী নগর উন্নয়ন কৌশলের অংশ হিসেবে সরকার সমন্বিত স্থানিক পরিকল্পনা, ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা, উদ্ভাবনী নগর অর্থায়ন, সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং জলবায়ু-সহনশীল নগর অবকাঠামো গড়ে তোলায় বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী টেকসই নগরায়ণ ত্বরান্বিত করতে বৈশ্বিক অংশীদারত্ব জোরদার, প্রযুক্তি হস্তান্তর, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উদ্ভাবনী অর্থায়ন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, টেকসই নগর উন্নয়নের মাধ্যমে এমন একটি ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে হবে, যেখানে কোনো মানুষ বা কোনো অঞ্চল উন্নয়নের মূলধারা থেকে পিছিয়ে থাকবে না।