কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:৩৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

পিআরসহ ৫ দফা মেনে নেওয়ার আহ্বান ইসলামী আন্দোলনের

জুমার পর দেশের সকল বিভাগীয় শহরে গণমিছিল করেছে ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। ছবি : কালবেলা
জুমার পর দেশের সকল বিভাগীয় শহরে গণমিছিল করেছে ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। ছবি : কালবেলা

পিআরসহ ইসলামী আন্দোলনের ৫ দফা মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দলটির নেতারা। শুক্রবার (১০ অক্টোবর) বাদ জুমা দেশের সকল বিভাগীয় শহরে গণমিছিল থেকে এ দাবি জানান তারা।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নেতারা বলেছেন, চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে দেওয়া ছাত্রজনতার রক্তের চাহিদা ছিল দেশ থেকে স্বৈরতন্ত্রকে চিরস্থায়ী বিলোপের ব্যবস্থা করা। জনতার সেই চাওয়া পূরণের জন্যই আমরা পিআর পদ্ধতির প্রস্তাব করছি যাতে কোনোদিনই দেশে স্বৈরতন্ত্র ফিরে না আসতে পারে। এসব দাবির প্রতি সরকারের উদাসীনতা গ্রহণযোগ্য না।

এদিন বাদ জুমা জুলাই সনদের ভিত্তিতে পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন, গণহত্যার বিচার, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিচার ও বিচারকালীন নিষিদ্ধকরণের দাবিতে চলমান যুগপৎ আন্দোলনের ২য় দফার কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহসহ দেশের সকল বিভাগীয় শহরে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকায় বৃষ্টির জন্য আছরের পরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে মিছিল শুরু হয়। মিছিলে বিভাগীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।

বক্তারা বলেন, দেশের এতোগুলো রাজনৈতিক সংগঠন ধারাবাহিকভাবে রাজপথে আন্দোলন করে আসছে। কিন্তু আজ অবধি সরকারের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। অথচ আমাদের দাবির যৌক্তিকতা সুস্পষ্ট। যারা আমাদের সন্তানদের হত্যা করে, যারা সেই হত্যাকাণ্ডে সহায়তা করেছে তাদের বিচারের মতো মৌলিক দাবি নিয়ে আমরা রাজপথে আন্দোলন করছি।

ঢাকায় অনুষ্ঠিত মিছিলে নেতৃত্ব দেন দলের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)। দলের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমসহ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন দলের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ এবং প্রধান বক্তা ছিলেন মাওলানা ইমতেয়াজ আলম।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আনসার-ভিডিপিতে জাপানিজ ভাষা শিক্ষার সুযোগ

বড় বিভ্রাটের কবলে ফেসবুক, কী ঘটেছিল সেই এক ঘণ্টায়

নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, যুবদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ২

ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে ৬১

ফ্রান্স ও স্লোভাকিয়া সফরে গেলেন মোদি

শহরের মতো হয়ে গেছে গ্রাম, বদলে যাচ্ছে নগরের সংজ্ঞা

গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ’র অগ্রণী ভূমিকা

সাবলেট বাসায় কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টা, গণপিটুনি দিল এলাকাবাসী

নেপালের রাষ্ট্রপতিকে আম উপহার পাঠাল বাংলাদেশ

মে মাসে সড়কে ঝরল ৬২২ প্রাণ : যাত্রী কল্যাণ সমিতি

১০

এশিয়াওয়ান আশিয়ান সামিট / ‘গ্রেটেস্ট ব্র্যান্ড’ ল্যাবএইড ক্যানসার হাসপাতাল, ‘গ্রেটেস্ট লিডার’ সাকিফ শামীম

১১

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ১৫ জন পুশইন, প্রতিহত করল বিজিবি

১২

বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম

১৩

শিল্পকলার সম্মাননায় আবেগাপ্লুত সৈয়দ আব্দুল হাদী

১৪

ভারতের এএন-৩২ বিমান বিধ্বস্ত

১৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ৫০

১৬

বিশ্বকাপের মঞ্চ মাতানো সঞ্জয়ের অজানা তথ্য 

১৭

গাজীপুরে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিট

১৮

চুক্তিতে ২৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়ের অনুমোদন দিয়েছেন ট্রাম্প : ইরান

১৯

‘দেশের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে কাজ করবে যুবদলের নতুন নেতৃত্ব’

২০
X