মোহাম্মদ মাহামুদুল, মালদ্বীপ
প্রকাশ : ২৭ জুলাই ২০২৪, ০৪:০৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশি সেলিমের মৃত্যুদণ্ড মালদ্বীপের হাইকোর্টে বহাল

বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিক শাহ আলম মিয়া সেলিম। ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিক শাহ আলম মিয়া সেলিম। ছবি : সংগৃহীত

মালদ্বীপের নাগরিককে হত্যার জন্য দোষী সাব্যস্ত হওয়া বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিক শাহ আলম মিয়া সেলিমের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য মালদ্বীপের ফৌজদারি আদালতের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) মালদ্বীপের হাইকোর্ট থেকে বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিক সেলিমের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। এর আগে ফৌজদারি আদালতের মৃত্যুদণ্ডের বৈধতা নিশ্চিত করতে হাইকোর্টে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

ছুরি ও দুটি ধারালো লোহার বার দিয়ে বুকে ও ঘাড়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয় মাহমুদকে। মাহমুদের লাশ বস্তায় ভরে একটি কূপে ফেলে দেওয়া হয়। সেলিম এর আগে স্বীকার করেছিল, সে টাকার লোভে এটা করেছে। এদিকে মাহমুদের পরিবার মৃত্যুদণ্ড দ্রুত কার্যকর করতে চায়।

মালদ্বীপের নাগরিককে হত্যায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো একজন বাংলাদেশিকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। মালদ্বীপের ফৌজদারি আদালত শাহ আলম মিয়া ওরফে সেলিম মিয়া নামে প্রবাসী ওই বাংলাদেশিকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন। সেলিমের বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার লাখাইল উপজেলার কামালপুর গ্রামে।

২০২২ সাল থেকে দীর্ঘ সময়ে সেলিম মিয়া তার সাজার বিরুদ্ধে কোনো আপিল দাখিল না করায় বুধবার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সেলিমের সাজার বৈধতা নিশ্চিত করতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। পরে আদালতের শুনানিতে প্রবাসী সেলিম তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার প্রস্তাব আনেন। সেলিম চিৎকার করে বলেন, তিনি আর নতুন আইনজীবী চান না। সাজাটি যেমন আছে তেমনই থাকুক। কারণ কর্তৃপক্ষের কেউই তার বক্তব্য গ্রহণ করছে না।

মালদ্বীপের স্থানীয় ব্যবসায়ী মাহমুদ আবু বকুরকে নির্মমভাবে হত্যা এবং দ্বীপে একটি পরিত্যক্ত কূপে তার মরদেহ ফেলে রাখার ঘটনা ঘটে। পরে ২০২১ সালের অক্টোবরে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সেলিমকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন ফৌজদারি আদালত।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গুম-নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে শেখ হাসিনার বিচার চাইলেন হেফাজতকর্মী

প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নে বিশ্বাসী: সেতু প্রতিমন্ত্রী

‘গুপ্তধন’ ভেবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মর্টারশেল বাসায় নিয়েছিলেন শ্রমিকরা

আধুনিক স্বাদে দেশি টুইস্ট, কেএফসি নিয়ে এলো ‘কারি ক্রাঞ্চ’

যে ৩ কারণে ভেস্তে যেতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা

আইসক্রিমপ্রেমীদের জন্য ‘সেভয়’র নতুন চমক 

ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই খুন

টেবিলে চিরকুট, কক্ষে ঝুলছিল শিক্ষকের দেহ

অবশেষে স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে ভোজিনহার, মাঠ থেকে সরাসরি দেখবেন মা

মুখে মাস্ক ও হেলমেট পরে মহাসড়কে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল

১০

হাওরে বিলুপ্তির পথে দেশি প্রজাতির মাছ

১১

নেত্রকোনার বজ্রপাতে ২ জনের মৃত্যু

১২

জামায়াত আমিরের সঙ্গে পাকিস্তান হাইকমিশনারের বৈঠক

১৩

অভিনেতা জাহের আলভী কারাগারে 

১৪

‘বিএনপি সরকারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ’

১৫

অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা, আটক ৩

১৬

ইউএনওর আইডি জটিলতায় জন্মনিবন্ধন সেবা বন্ধ, চরম ভোগান্তি

১৭

ফুটবলে বাংলাদেশের পাশে থাকবে আর্জেন্টিনা

১৮

শ্যালা নদীতে কুমিরের হামলায় নারী জেলে নিহত

১৯

গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ডের নতুন স্থান জানালেন মন্ত্রী

২০
X