

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। কলকাতায় আজ বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শুরু হবে বিশ্বকাপের অন্যতম ‘হাইভোল্টেজ’ এই ম্যাচ।
নিউজিল্যান্ড দলে পরিবর্তন একটি। লেগ স্পিনার ইশ সোধির জায়গায় দলে ফিরেছেন জিমি নিশাম। অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকা দলে ফিরেছেন কাগিসো রাবাদা, মার্কো ইয়ানসেন ও কেশব মহারাজ।
দক্ষিণ আফ্রিকা-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে সেমিফাইনাল পর্ব শুরু হচ্ছে আজ। আগামীকাল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে ভারত। আইসিসির টি-টোয়েন্টি দলগত র্যাঙ্কিংয়ে যদিও পাঁচ নম্বরে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার ওপরেই অবস্থান নিউজিল্যান্ডের (৪)। কিন্তু এই সংস্করণে মুখোমুখি লড়াইয়ের রেকর্ডে এগিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাই। দুই দলের ১৯ সাক্ষাতে ১২ বার জিতেছে প্রোটিয়ারা। নিউজিল্যান্ড ৯ বার। আর বিশ্বকাপে তো দুই দলের লড়াই মানে তো কিউইদের চিরন্তন আক্ষেপের গল্প! আইসিসির এই বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে পাঁচবার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। একবারও জিততে পারেনি নিউজিল্যান্ড।
তবে আজকের সেমিফাইনালে মাঠে নামার আগে অতীত নিয়ে ভাবতে চান না দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক এইডেন মার্করাম। এটা নতুন একটা ম্যাচ, দুই দলই নতুন করে খেলবে। তাই আগের মুখোমুখি লড়াইয়ের ফলাফল এই ম্যাচ অর্থহীন মার্করামের কাছে, ‘একেবারে নতুন শুরু। গ্রুপ পর্বে তাদের বিপক্ষে আমরা ভালো খেলেছি, কিন্তু এরপর দুই দলই অনেক ক্রিকেট খেলেছে। আগামীকাল (আজ) পুরোপুরি নতুন করে শুরু হবে। সেমিফাইনাল হওয়ায় উত্তেজনাও বেশি। আগের ফল সহজে পুনরাবৃত্তি করা যাবে—এমনটা ভাবছি না। আমরা আবারও নিজেদের সেরাটা দিতে চাই।’
অতীতে ব্যর্থতার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকাকে ‘চোকার’ বলা হলেও এই টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক খেলে যাচ্ছে তারা। সুপার এইটে ভারতকে হারানোর পর তো অনেকের কাছে তারাই ফেবারিট। এ নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে মার্করাম বললেন, ‘ফেভারিট কি না, সেটা অন্যদের মতামত। আমরা শুধু ভালো ক্রিকেট খেলায় মন দিই এবং গত ১৮ মাস ধরে যে আক্রমণাত্মক ধারা ধরে রেখেছি, সেটাই বজায় রাখতে চাই।’
দল হিসেবে খেলাটাকেই নিজেদের বড় শক্তি বলে মনে করেন মার্করাম, ‘দলে সিনিয়ররা আমাদের বড় ভরসা। দ্বিধাদ্বন্দ্বের সময়ে তারা দিকনির্দেশনা দেয়। শক্ত একটি দলগত সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে বলেই এই সাফল্য এসেছে।’