

বিশ্বকাপ শুরু হতে আর এক দিন বাকি রয়েছে। এর আগেই নিজেদের শেষ বারের মত প্রস্তুত করে নিতে আইসল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছে বিশ্বকাপজয়ী দল আর্জেন্টিনা। ম্যাচের প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল দলটি। প্রথমার্ধ শেষে মাঠে নেমেই মেসির পেনাল্টিতে ২-০ গোলে আবারও এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। ৭২ মিনিটে গোল পায় মেসি।
বুধবার (১০ জুন) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন হেয়ার স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টায় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে ম্যাচের প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল দলটি। প্রথমার্ধ শেষে মাঠে নেমেই মেসির পেনাল্টিতে ২-০ গোলে আবারও এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। ৭২ মিনিটে গোল পায় মেসি।
২-০ তে এগিয়ে থাকা আর্জেন্টিনা ৮৬ মিনিটে আবারও চেপে ধরে আইসল্যান্ডকে। তবে ম্যাচের শুরুটা আর্জেন্টিনার জন্য কিছুটা সতর্কবার্তা হয়ে এসেছিল। নিকো পাজের একটি আক্রমণ ব্যর্থ হওয়ার পর দ্রুত পাল্টা আক্রমণে উঠে যায় আইসল্যান্ড। এলার্টসন গোলের সামনে দারুণ সুযোগ পেলেও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি। তার শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যাওয়ায় রক্ষা পায় আর্জেন্টিনা।
প্রাথমিক সেই ধাক্কা সামলে দ্রুত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় আর্জেন্টিনা। বলের দখল ধরে রেখে ধারাবাহিক আক্রমণ চালাতে থাকে তারা। অন্যদিকে রক্ষণাত্মক কৌশলে খেলা আইসল্যান্ড পাল্টা আক্রমণের অপেক্ষায় থাকলেও আর্জেন্টিনার উচ্চ প্রেসিং তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে দেয়নি।
গোলের পর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগও তৈরি করেছিল আলবিসেলেস্তেরা। প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগে সবচেয়ে সক্রিয় ছিলেন নিকো পাজ। তার সৃজনশীল পাসিং ও গতিশীলতা বারবার আইসল্যান্ডের রক্ষণে অস্বস্তি তৈরি করেছে। এক পর্যায়ে লোপেসকে চমৎকার একটি পাস দিলেও সেখান থেকে গোল আসেনি। পরে বক্সের বাইরে থেকে পাওয়া ফ্রি-কিকও অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
মাঝেমধ্যে আইসল্যান্ডও ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেছে। ড্যানিয়েল লিও গ্রেতারসনকে লক্ষ্য করে লম্বা বল এবং থ্রো-ইনের মাধ্যমে চাপ তৈরির চেষ্টা দেখা গেছে তাদের খেলায়। তবে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ ছিল যথেষ্ট সুসংগঠিত। ফলে গোলরক্ষক জেরোনিমো রুলিকে খুব বেশি কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়নি।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে আবারও আক্রমণের গতি বাড়ায় আর্জেন্টিনা। বাম প্রান্ত থেকে ভেতরে ঢুকে সিমিওনের নেওয়া শট সহজেই ঠেকিয়ে দেন আইসল্যান্ডের গোলরক্ষক। এরপর নিকো পাজও বক্সের ভেতরে একটি সুযোগ পেলেও সফল হতে পারেননি।
প্রথম ৪৫ মিনিটে বলের দখল, আক্রমণের তীব্রতা এবং ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ- সব ক্ষেত্রেই স্পষ্ট আধিপত্য দেখিয়েছে আর্জেন্টিনা। প্রথমার্ধ শেষে মেসির মাঠে নামায় আত্মবিশ্বাস ফিরে পায় দলটি। এরপরই প্রথমার্ধ শেষে মাঠে নেমেই মেসির ৭২ মিনিটে পেনাল্টিতে ২-০ গোলে আবারও এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা।