

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়া এবং মূল্যস্ফীতি ভয়াবহ আকার ধারণ করায় বিক্ষোভে নেমেছে হাজার হাজার ইরানি। আর একে যেন মোক্ষম চাল হিসেবে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। গত বছরের জুনে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ায় ইসরায়েল। এক পর্যায়ে ইরানের প্রতিরোধের মুখে টিকতে না পেরে ট্রাম্পের সহযোগিতা চায় নেতানিয়াহু। পরে এ যুদ্ধে ইসরায়েলকে সহায়তার জন্য তেহরানে হামলা চালায় ট্রাম্প। আর এ ঘটনার পর ইরান তাদের সামরিক ক্ষমতা আরও বহুগুণ বৃদ্ধি করেছে। ফলে শত্রু পক্ষ ইরানকে চাপে রাখতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
এদিকে ইরানে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের রক্ষায় প্রয়োজনে তেহরানে অভিযান চালানোরও হুমকি দিয়েছে। অন্যদিকে একই সুরে কথা বলেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। আর এ ঘটনায় এবার ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের সেনাপ্রধান জেনারেল আমি হাতামি। তিনি বলেন, ইরানি জাতির বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্যকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে এবং এ ধরনের বক্তব্য সহ্য করা হবে না, এর কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
গেল ২৮ ডিসেম্বর তেহরানে তীব্র বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এই বিক্ষোভে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সহিংসতায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।
তবে দেশটিতে সরকারবিরোধী এই বিক্ষোভ ২০২২-২০২৩ সালের আন্দোলনের মতো ব্যাপক আকার ধারণ করেনি। তবে অর্থনৈতিক সংকটের জেরে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনেকের নজর কেড়েছে; যার মধ্যে ইরানের আন্তর্জাতিক প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর নেতারাও রয়েছেন। তারা এই সংকটে ইরানি বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন