কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৫ জুন ২০২৬, ০৪:২৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

এবার ন্যাটোর দুই দেশকে হুঁশিয়ারি দিল ইরান

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। ছবি : সংগৃহীত
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। ছবি : সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসনে সহায়তাকারী ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে তেহরান। বিশেষ করে ইতালি ও রোমানিয়ার ভূমিকার সমালোচনা করে দেশ দুটিকে সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধের জন্য দায়ী করা উচিত বলে মন্তব্য করেছে দেশটি।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এ মন্তব্য করেন। এর আগে ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে সাম্প্রতিক ইরানবিরোধী সামরিক অভিযানে সমর্থন দেওয়া ইউরোপীয় দেশগুলোর উদাহরণ হিসেবে ইতালি ও রোমানিয়ার নাম উল্লেখ করেছিলেন।

বাঘাই বলেন, ন্যাটোর মহাসচিব নিজেই স্বীকার করেছেন যে ইতালি ও রোমানিয়া ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসনে অংশ নিয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, ইতালি, রোমানিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আগ্রাসনে সহযোগিতা করা অন্যান্য ইউরোপীয় দেশগুলোকে তাদের জনগণ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ব্যাখ্যা করতে হবে কেন তারা একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এই প্রকাশ্য আগ্রাসন ও ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে সংঘটিত ব্যাপক নৃশংসতার সঙ্গে নিজেদের যুক্ত করেছে।

ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্ক রুটে দাবি করেন, ইতালি তাদের ঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৫০০টি যুদ্ধবিমান উড্ডয়নের অনুমতি দিয়েছিল। একই সঙ্গে রোমানিয়া বুখারেস্ট থেকে বাণিজ্যিক ফ্লাইট সীমিত করে মার্কিন সামরিক অভিযানে সহায়তা করেছিল।

ন্যাটোর মহাসচিবের এই মন্তব্যকে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘনের স্বীকারোক্তি হিসেবে বর্ণনা করেন বাঘাই। তার মতে, এটি একটি স্বাধীন জাতিসংঘ সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবৈধ যুদ্ধ পরিচালনায় ন্যাটোর সক্রিয় সম্পৃক্ততার স্পষ্ট ও উদ্বেগজনক স্বীকারোক্তি।

তিনি বলেন, ন্যাটো এবং এ সিদ্ধান্তে অংশ নেওয়া সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে এর সব পরিণতির জন্য জবাবদিহি করতে হবে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা শুরু করে, যাতে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তা নিহত হন। পরবর্তীতে ইরানের পাল্টা সামরিক অভিযান এবং হরমুজ প্রণালিতে কৌশলগত চাপের মুখে ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

এরপর ১৭ জুলাই তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে, যেখানে সব ফ্রন্টে স্থায়ীভাবে সংঘাত বন্ধ এবং ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতার লক্ষ্যে নতুন আলোচনার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

সূত্র : প্রেস টিভি

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুমিল্লায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ 

৩৭ লাখ টাকার ইয়াবাসহ কারবারি আটক

আজই ব্রাজিলের সিংহাসন দখলে নিবে জার্মানি?

মা-বোনসহ ঢাবির ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে সন্দেহভাজন নিহত

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের নতুন সতর্কতা জারি

ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৬৪, আহত এক হাজার

ড্রেসিংরুম ব্যবহার করতে পারবেন না সূর্যবংশী, প্রকাশ্যে এল আসল কারণ

শাহ্‌ সিমেন্ট রেডি মিক্স কংক্রিট: পরিবেশ সচেতন নির্মাণকে এগিয়ে নেওয়ার পথে

এ বি এম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক পদ বাতিল, বেতন-ভাতা ফেরতের নির্দেশ

ব্যর্থতার ইতিহাস পেছনে ফেলে ফিরছে সুপারগার্ল

১০

পেশাদারিত্বের মর্যাদা ও গলফের উন্নয়ন চাই: ডা. আফশান

১১

দেশের ১৭ অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা

১২

বজ্রপাতে কলেজছাত্রীসহ নিহত ২

১৩

কী ঘটেছিল কারবালায়?

১৪

জাবিতে খেলা দেখা নিয়ে সংঘর্ষ, বহিষ্কার ২ 

১৫

আগামীতে মহামারি ঠেকাতে পারে এআইয়ের ‘মাস্টার কি’: গবেষকরা

১৬

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে প্রেমিকের আত্মহত্যা

১৭

বিশ্বকাপে মুসলিম খেলোয়াড়দের পুরস্কারে ফিফার পরিবর্তন, নেপথ্যে যে কারণ

১৮

ইউরোপের ‘ওমেগা ব্লক’ থেকে বাংলাদেশের দাবদাহ

১৯

বগুড়ায় ব্যবসা সম্প্রসারণ ও শিল্পায়নের উদ্যোগ দেশবন্ধু গ্রুপের

২০
X