কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৩ এএম
অনলাইন সংস্করণ

ইরানের পক্ষে লড়তে প্রস্তুত চেচেন আর্মি

চেচেন আর্মি। ছবি : সংগৃহীত
চেচেন আর্মি। ছবি : সংগৃহীত

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র যদি স্থল অভিযান শুরু করে, তাহলে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীকে সমর্থন দিতে দেশটিতে মোতায়েন হতে প্রস্তুত থাকার ঘোষণা দিয়েছে চেচেন সামরিক ইউনিটগুলো।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়ার চেচেন প্রজাতন্ত্রের প্রধান রমজান কাদিরভের অনুগত বাহিনীগুলো ইরানের বিরুদ্ধে চলমান মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধকে একটি ধর্মীয় যুদ্ধ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। তারা ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য সরাসরি হস্তক্ষেপকে ‘জিহাদ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে ইরানকে রক্ষার জন্য ভালো পক্ষের হয়ে মন্দের বিরুদ্ধে লড়াই।

এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটেছে, যখন ইরানের বিরুদ্ধে কথিত মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধ তীব্রতর হচ্ছে।

বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গত কয়েক সপ্তাহের বিমান অভিযান প্রত্যাশিত ফল না দেওয়ায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে মার্কিন বাহিনী স্থল অভিযানের পরিকল্পনা করছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এই সংঘাতের সূচনা হয়, যখন তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পরোক্ষ পারমাণবিক আলোচনা চলছিল। ওই সময় ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, কয়েকজন শীর্ষ কমান্ডার এবং দক্ষিণ ইরানের মিনাব এলাকায় ১৭০ জনেরও বেশি শিশুসহ (স্কুলে হামলায়) বহু সাধারণ নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে।

প্রেস টিভি বলছে, এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এখন পর্যন্ত ৮৬ দফা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যা ইসরায়েলের সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনা এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও সম্পদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়েছে।

এ ছাড়া ইউক্রেনীয় বাহিনীর উপস্থিতি। যারা প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সমর্থন দিচ্ছে। বিষয়টিকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। তাদের এই সম্পৃক্ততা রাশিয়ার জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে এই সংঘাতের বিস্তৃত প্রভাব মস্কো ও কিয়েভের দীর্ঘস্থায়ী দ্বন্দ্বের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিশ্বকাপ ম্যাচের ফলাফল জানিয়ে চমকে দিল হাঙর

নিখোঁজের ৬ দিন পর এভারেস্টে জীবিত উদ্ধার নেপালি শেরপা

পাটওয়ারী-সারজিসের সফর ঘিরে মতলবে উত্তেজনা

‘বিদ্যুৎ খাতে নীতি দুর্বলতার বোঝা জনগণের ওপরে চাপানো যাবে না’

খড় শুকাতে গিয়ে হিটস্ট্রোকে প্রাণ গেল কৃষকের

তিন বছর ধরে অবরুদ্ধ, স্ত্রীর জানাজায়ও যেতে দিল না ছেলে

পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে পদোন্নতি, গ্রেড-১ পেলেন ২ কর্মকর্তা

যুবদলের শীর্ষ নেতৃত্বে আইয়ুব খান, প্রত্যাশা সাংগঠনিক গতিশীলতার

নারায়ণগঞ্জ  / বিএনপি নেতাকে মারধর, ৪ যুবদল কর্মী বহিষ্কার

ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর দফায় দফায় হামলা চালাচ্ছে লেবাননের যোদ্ধারা

১০

ঈদের ছুটিতে সিলেটের সাদাপাথরে পর্যটকের ঢল

১১

বিশ্বকাপে শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখতে আর্জেন্টিনার ‘গোপন’ পরিকল্পনা

১২

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অস্ত্র ও গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তার, পলাতক ২

১৩

হিটস্ট্রোকের আগে শরীর যেসব সংকেত দেয়

১৪

কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে নারী শ্রমিক ধর্ষণের শিকার, গ্রেপ্তার ১

১৫

চাঁদাবাজির মামলায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

১৬

টিআইবির বিবৃতি / কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ দুর্নীতিকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার শামিল

১৭

৬ দফা দাবিতে চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের আন্দোলন

১৮

হজ শেষে হাজিদের জন্য যে ৩ কাজ জরুরি

১৯

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারদের ছাড়া শিল্প চলতে পারে না : রাগীব আলী

২০
X