

যুক্তরাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রিজেট ফিলিপসন সম্প্রতি তার শৈশবের জীবনকে দরিদ্র ও অসচ্ছল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে তার বর্ণনাকে ‘অতিরঞ্জিত’ ও ‘বানানো’ বলে অভিযোগ তুলেছেন তার সাবেক প্রতিবেশীরা।
সম্প্রতি দ্য মেইল অন সানডে এক প্রতিবেদনে জানায়, ফিলিপসনের পরিবার কাউন্সিলের একটি বাড়ি কিনে পরে সেটি প্রায় ৯০০ শতাংশ লাভে বিক্রি করে। ওই প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় ফিলিপসন টাইমস রেডিওকে বলেন, তার বিরুদ্ধে ‘ইচ্ছাকৃতভাবে অপপ্রচার’ চালানো হচ্ছে।
তিনি দাবি করেন, ইংল্যান্ডের টাইন অ্যান্ড ওয়্যারের ওয়াশিংটনে ১৯৯০ সালে তার মা বাড়িটি কেনেন। কেনার সময় বাড়িটি খুবই জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। দীর্ঘদিন ধরে বাড়িটিতে কোনো ধরনের সংস্কার করা হয়নি এবং বাড়ির জানালাগুলো পচে গেছিল।
তবে সে সময় একই সড়কে বসবাসকারী কয়েকজন প্রতিবেশী তার এ বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত জানিয়েছেন। তাদের দাবি, কাউন্সিলের বাড়িগুলো নিয়মিত দেখাশোনা করা হতো এবং সেগুলোতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থাও ছিল।
১৯৮৯ সাল থেকে ফিলিপসনদের বাড়ির কয়েকটি বাড়ি পরেই বসবাস করছেন ট্রেসি মরগান। তিনি বলেন, ‘বাড়ির ওপরের তলায় বৈদ্যুতিক বার হিটার ছিল, আর নিচতলায় ব্যাক বয়লারচালিত রেডিয়েটরের মাধ্যমে গরমের ব্যবস্থা ছিল।’
তিনি জানান, ওই এলাকায় কোনো বাড়ির জানালা পচে যাওয়ার ঘটনাও তার মনে পড়ে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক প্রতিবেশীও ফিলিপসনের বক্তব্য নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় এসবের অনেকটাই বানানো। বাড়িগুলো পুরোনো ছিল ঠিকই; কিন্তু আমি যতদিন এখানে আছি, ততদিন এগুলো ভালো অবস্থাতেই দেখেছি।’
জানা গেছে, ক্লেয়ার ফিলিপসন ১৯৮০-এর দশকের শুরুতে ওই এলাকায় বসবাস শুরু করেন। ১৯৮৩ সালে জন্মের পর থেকেই ব্রিজেট ফিলিপসন সেখানে বড় হন। পরে ২০০৬ সালে তিনি তার স্বামী লরেন্স ডাইমেরির সঙ্গে আরেকটি সাবেক কাউন্সিল বাড়ি কেনেন। ২০১৬ সালে তারা সেটি বিক্রি করে দেন।