মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
খায়রুল আনোয়ার
প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:০০ এএম
আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৮:২৬ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

আয়নায় বিএনপির মুখ

আয়নায় বিএনপির মুখ

নানা চড়াই-উতরাই ও বৈরী পরিস্থিতি পেরিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৪৭ বছর অতিক্রম করল। বিভিন্ন সময় সংকটের মুখোমুখি হয়েছে দলটি, পড়েছে বিপর্যয়ের মধ্যে। বিশেষ করে গত ১৫ বছর ছিল দলটির জন্য এক দুঃসহ অধ্যায়। আগামী নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপিকে এখনো কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির গঠনকালীন সময়ের কিছু বিষয় ফিরে দেখা যেতে পারে। ১৯৭৭ সালের ৩০ এপ্রিল জিয়াউর রহমান সামরিক শাসন থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে ১৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন। জিয়ার ১৯ দফা ছিল তার রাজনৈতিক ও আর্থসামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচি। জিয়া রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিলে তার নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) প্রতিষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জিয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গঠন করেন। জাগদলকে বিএনপির সঙ্গে একীভূত করা হয়। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিকেলে রমনা রেস্তোরাঁয় এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে জিয়াউর রহমান ঘোষণাপত্র পাঠের মধ্য দিয়ে বিএনপি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। জিয়া বিএনপির প্রথম সমন্বয়ক ছিলেন এবং পরে এই দলের চেয়ারম্যান হন। আর প্রথম মহাসচিব ছিলেন অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।

বিএনপিতে ডান, বাম ও মধ্যপন্থি রাজনৈতিক নেতাদের সমাগম ঘটে। জিয়াউর রহমান বামপন্থি থেকে শুরু করে ইসলামপন্থিদের তার দলে সমাবেত করেন। তবে বিএনপি পরবর্তীকালে মধ্যপন্থি দল হিসেবে পরিচিতি পায়। দলটির মূল আদর্শ হিসেবে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ঘোষণা দেওয়া হয়। এর আগে আওয়ামী শাসনামলে বিদ্যমান বাঙালি জাতীয়তাবাদ নিয়ে অনেক বিতর্ক ছিল। বাঙালি জাতীয়তাবাদের মধ্যে এক ধরনের উগ্র জাতীয়তাবোধের পরিচয় মেলে। অথচ এ দেশে অসংখ্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস। বাঙালি জাতীয়তাবাদের ফলে তাদের জাতিসত্তাকে উপেক্ষা করা হয়েছিল। বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিপরীতে সব জাতিসত্তার অধিকার সমুন্নত রাখার লক্ষ্যেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদের ঘোষণা দেওয়া হয়। স্বাধীনতা যুদ্ধে জিয়ার গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা দলটিকে দ্রুত জনপ্রিয়তা এনে দেয়। জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় ১৯৭৯ সালে দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে বিএনপি ২৯৮টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে জয়লাভ করে। নির্বাচনে আব্দুল মালেক উকিলের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ ৩৯টি ও মিজানুর রহমান চৌধুরী নেতৃত্বাধীন দলের অন্য অংশ সংসদে দুটি আসনে জয়ী হয়। যদিও জিয়ার সময় ‘হ্যাঁ ভোট’, ‘না ভোট’ রাজনীতিতে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়। ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র দুই বছরের মাথায় ১৯৮১ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে সেনাবাহিনীর কতিপয় সদস্যদের হাতে নিহত হন। জিয়া নিহত হলে উপরাষ্ট্রপতি বিচারপতি আব্দুস সাত্তার রাষ্ট্রপতি হন। পরে ১৯৮২ সালের মার্চ মাসে সাত্তারকে সরিয়ে ক্ষমতা দখল করেন জিয়ার নিয়োগকৃত সেনাপ্রধান জেনারেল এইচ এম এরশাদ। এর ফলে বিএনপি প্রথমবারের মতো বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে। দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের আহ্বানে খালেদা জিয়া ১৯৮৩ সালের ৩ জানুয়ারি বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৮৩ সালের ১ এপ্রিল দলের বর্ধিত সভায় তিনি প্রথম বক্তৃতা করেন। বিচারপতি সাত্তার অসুস্থ হয়ে পড়লে খালেদা জিয়া দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৮৪ সালের ১০ মে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় খালেদা জিয়া বিএনপির চেয়ারপারসন নির্বাচন হন। এরশাদবিরোধী আন্দোলনে খালেদা জিয়া অনড় ভূমিকা পালন করেন। ১৯৮৭ সালে তিনি ‘এরশাদ হটাও’ এক দফা আন্দোলনের ঘোষণা করেন। এরশাদের শাসনের অবসান এবং গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অনমনীয় ভূমিকার জন্য খালেদা জিয়াকে ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে অবহিত করা হয়। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগও এরশাদবিরোধী আন্দোলনের রাজপথে ছিল। তবে এরশাদের অধীনে যারা নির্বাচনে যাবে তারা ‘জাতীয় বেইমান’ হিসেবে চিহ্নিত হবে, শেখ হাসিনা এ ঘোষণা দিলেও পরে ১৯৮৬ সালের সংসদ নির্বাচনে অংশ নেন। ’৮৬-এর নির্বাচন কারচুপির নির্বাচন হিসেবে চিহ্নিত হয়। আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে অতিক্রম করে তিন জোটের নেতৃত্বে তীব্র আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানের রূপ নিলে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদের পতন ঘটে। ১৯৯১ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি জয়লাভ করে সরকার গঠন করে। প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হয়ে খালেদা জিয়া দেশের রাজনীতিতে ইতিহাস সৃষ্টি করেন। বেগম জিয়া ১৯৯১ সাল থেকে তিনটি নির্বাচনে পাঁচটি করে আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিপুল ভোটে প্রতিটি আসনেই জয়ী হয়ে আরেক ইতিহাস সৃষ্টি করেন।

বিএনপির ওই শাসন মেয়াদে মাগুরা উপনির্বাচন রাজনীতিতে তীব্র উত্তাপ ছড়ায়। আওয়ামী লীগ মাগুরা উপনির্বাচন ইস্যু করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন গড়ে তোলে। জামায়াতে ইসলামীসহ প্রায় সব দল ওই আন্দোলনে অংশ নিলে বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল পাস করার লক্ষ্যে ১৯৯৬ সালের মধ্য ফেব্রুয়ারিতে সংসদ নির্বাচন আয়োজন করে। আওয়ামী লীগসহ আন্দোলনরত দলগুলোর বর্জনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচন রাজনীতিতে বিতর্কিত অধ্যায় হয়ে আছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, তত্ত্বাবধায়ক বিল পাস করার জন্যই এ নির্বাচন করতে হয়েছে। পরে বিরোধী দলের আন্দোলনের মুখে ওই সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বিএনপিকে পরাজিত করে আওয়ামী লীগ জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। দীর্ঘ ২১ বছর পর ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন করে আওয়ামী লীগ, প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। ২০০১ সালের নির্বাচনে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে চারদলীয় জোট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে।

পরবর্তী সংসদ নির্বাচনের আগের পরিস্থিতি বিএনপির জন্য সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বিপর্যয় ডেকে আনে। ২০০৭ সালের ১৫ জানুয়ারি দেশে জরুরি অবস্থা জারি করার পর নানা ঘটনা প্রবাহের একপর্যায়ে সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়। দুই নেত্রীকে জেলে পাঠানো হয়। প্রায় ১৭ বছর ধরে ক্ষমতার বাইরে বিএনপিকে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। ২০০৮ সালের নির্বাচনে পরাজয়ের পর বিএনপি পুনরায় বিরোধী দলের আসনে চলে যায়। শেখ হাসিনার ২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করলে বিএনপি এর বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে। সমমনা দল, জোট ও গণতন্ত্রকামী অন্যান্য রাজনৈতিক দল এই ইস্যুতে আন্দোলন করলেও তাতে সফলতা পায়নি। শেখ হাসিনা পরপর তিনটি জালিয়াতিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচন ও গণতন্ত্রকে নির্বাসনে পাঠিয়ে দেশে কর্তৃত্ববাদী শাসন কায়েম করেন। দুর্নীতির মামলা দেখিয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠায় স্বৈরাচারী সরকার। এ পরিস্থিতি বিএনপির জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দেখা দেয়। বেগম জিয়া প্রথমে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের কারাগারে বন্দি ছিলেন, পরে শারীরিক নানা জটিলতার কারণে তাকে পিজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুই বছরেরও বেশি সময় তিনি কার্যত বন্দিজীবনে ছিলেন। এরপর তাকে শর্তসাপেক্ষে কারাগারের সাজা স্থগিত করে বাসায় রেখে চিকিৎসার অনুমতি দেওয়া হয়। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের আগ পর্যন্ত খালেদা জিয়াকে রাজনৈতিকভাবে বন্দি অবস্থায় রাখা হয়েছিল।

দলের চেয়ারপারসন বন্দি, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১৭ বছর ধরে লন্ডনে। একটি বৃহৎ দলের (যে দলটি অতীতে একাধিকবার ক্ষমতায় ছিল এবং আবারও ক্ষমতায় যাওয়ার প্রত্যাশী) জন্য বিষয়টি বড় ধরনের সংকট হিসেবে বিরাজ করে। আওয়ামী সরকারের আমলে শুধু খালেদা জিয়াকে বন্দি করা হয়নি, হাজার হাজার নেতাকর্মীর নামে লাখ লাখ মামলা দেওয়া হয়েছে। বিএনপি মহাসচিবসহ প্রায় সব নেতাকে একাধিকবার জেলে পাঠানো হয়। মামলা-হামলার শিকার হয়ে অসংখ্য নেতাকর্মী ঘরবাড়ি ছেড়ে পলাতক জীবন বেছে নেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ইলিয়াস আলী, ঢাকা মহানগরীর চৌধুরী আলমসহ অনেককে গুম করা হয়। একাধিকবার বিএনপিকে ভাঙার চেষ্টা করেছে সরকার। এ ক্ষেত্রে তারেক রহমান কৃতিত্ব দাবি করতে পারেন যে, তার রাজনৈতিক পরিপক্বতা এবং দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে তৃণমূল পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের ফলে বিএনপিকে ভাঙা সম্ভব হয়নি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, তারেক রহমান দলের ওপর তার নেতৃত্ব প্রশ্নাতীতভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন।

তবে এখন ত্রিমুখী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি বিএনপি। চলতি বছর ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের দাবিতে সোচ্চার ছিল দলটি। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামী ও নবগঠিত এনসিপি আগে ‘সংস্কার ও বিচার, পরে নির্বাচন’—এ দাবি জানাতে থাকে। গত ১৩ জুন লন্ডনে প্রফেসর ইউনূস ও তারেক রহমানের একান্ত বৈঠকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় নির্ধারিত হয়। সম্ভাব্য সময় এখন নির্বাচনের ঘোষিত সময়ে পরিণত হয়েছে। তবে জুলাই সনদ নিয়ে দলগুলোর মধ্যে আকচা-আকচি চলছে। সংবিধান সংস্কারের সুপারিশ বাস্তবায়ন পদ্ধতি, উচ্চকক্ষ-নিম্নকক্ষ, পিআর পদ্ধতি, গণপরিষদ, গণভোট ইত্যাদি এন্তার বিষয় এখনো নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তার মেঘ তৈরি করে রেখেছে। বিএনপি কীভাবে এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করে, তা দেখার বিষয়। তারেক রহমানের জন্য আরেকটি চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, দলের চাঁদাবাজি, দখলবাজিতে মেতে ওঠা নেতাকর্মীদের থামানো। এসব অপকর্মের কারণে দলের ভাবমূর্তি এরই মধ্যে দারুণভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। যদিও দল থেকে বলা হচ্ছে, চাঁদাবাজি, দখলবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধে এরই মধ্যে সাত হাজারের বেশি নেতাকর্মীকে দল থেকে বহিষ্কার, সদস্যপদ স্থগিতসহ বিভিন্ন ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তারপরও এসব বন্ধ করা যাচ্ছে না। তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়েও রয়েছে নানা গুঞ্জন। তবে সম্প্রতি দলের একাধিক নেতা গণমাধ্যমে জানিয়েছেন, নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার পরেই তারেক রহমান দেশে ফিরবেন। প্রার্থী বাছাই, সমমনা দল ও জোটের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি করে ১৮ বছর পর নির্বাচনে জয়ী হওয়াই হবে বিএনপির জন্য দুরূহ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা। প্রার্থী ঘোষণার পর নির্বাচনী এলাকায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নয়, বিএনপি হতে পারে বিএনপির শত্রু। দেশের রাজনীতিকে সম্ভাব্য যে সমীকরণ হচ্ছে, তা সফলতার সঙ্গে মোকাবিলায় কতটা কৌশলী হয়ে বিএনপি পরিস্থিতি নিজের অনুকূলে টানতে পারবে, তা দেখার বিষয়। আগামী দিনের রাজনীতির জন্য চিন্তা পরিকল্পনায় আরও গতিশীল হতে দলের নেতৃত্ব কী পদক্ষেপ নেয়, তাও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল ও দেশের মানুষ গভীরভাবে নজর রাখবে।

লেখক: জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও রাজনীতি বিশ্লেষক

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ক্যানসার শনাক্তে দেশে প্রথম রোবটিক প্রোস্টেট বায়োপসি হলো স্কয়ারে

আমার কথা বলে তাহেরী হুজুর আলোচনায় থাকতে চান : সামান্তা

অভিষেক ম্যাচেই ৪৭ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন ভারতীয় ক্রিকেটার 

হার্ট ভালো রাখতে প্রতিদিন খাবেন যে পাঁচ খাবার

৩৪ তলার ফ্ল্যাট কেনার পর জানতে পারলেন ভবনটিই ৩২ তলা

চাকরিনির্ভরতা থেকে উদ্যোক্তা: আত্মকর্মসংস্থানে আনসারের ‘সঞ্জীবন’ প্রকল্প

পদত্যাগী মন্ত্রীর বাসায় খিচুড়ি, প্রতিমন্ত্রীর সভা শেষে বিরিয়ানি দিয়ে আপ্যায়ন

বাজেটে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নতুনভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে : মির্জা ফখরুল 

মৌচাকে থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল খুন

মহানগর যুবদল নেতা বহিষ্কার

১০

নুরজাহান বেগমের মৃত্যু : সমাজের এক নির্মম আয়না

১১

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপি নেতা সোহেল রানাকে স্থায়ী বহিষ্কার 

১২

পবিপ্রবির নতুন উপাচার্য হলেন প্রফেসর ড. এস এম হেমায়েত জাহান

১৩

তনু হত্যা  / ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ ২ আসামির বিরুদ্ধে 

১৪

নাগরিকসেবায় অবহেলা করলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ডিএসসিসি প্রশাসকের

১৫

হোয়াটসঅ্যাপে ইসরায়েলের সাইবার হামলা, মামলা করবে মেটা

১৬

রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

১৭

আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক ট্রেনিং সেন্টার / ৬ দিনব্যাপী ফাউন্ডেশন কোর্সের দ্বিতীয় পর্ব শুরু

১৮

এনসিপিতে যোগ দিলেন বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী

১৯

বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া বাণিজ্য : হালাল পণ্যে বড় সম্ভাবনা

২০
X