কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:০০ এএম
আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৮:০৩ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

পুলিশও মানুষ: হাইওয়েতে দৃষ্টান্ত

মোস্তফা কামাল
পুলিশও মানুষ: হাইওয়েতে দৃষ্টান্ত

সংস্কার প্রশ্নে ধীরগতির শিকার পুলিশ। অথচ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলতে মানুষ সবার আগে চেনে পুলিশকে। তারপর সেনা, র্যাব, বিজিবি, আনসারসহ অন্যান্য বাহিনী। সামাজিক-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও নির্বাচন প্রশ্নেও পুলিশ বেশি প্রাসঙ্গিক। তাদের ওপর নির্ভর করে সুষ্ঠু ভোটসহ পাণ্ডামিমুক্ত নির্বাচন ও নতুন গণতান্ত্রিক সরকারের অভিষেক। পুলিশি রাষ্ট্র কাম্য নয়, পুলিশবিহীন রাষ্ট্রও কল্পনা করা যায় না। টপ টু বটম সবাইকে বাদ দিয়ে, নতুন নিয়োগ দিয়ে ফ্রেশ পুলিশও অসম্ভব। যারা আছে তাদের ওপরই নির্বাচনের সময় অনিবার্যভাবে নির্ভর করতে হবে সরকারকে। নির্বাচনী কাজে তারা অভিজ্ঞ, প্রশিক্ষণসমৃদ্ধ। কিন্তু টানা তিন মেয়াদের নির্বাচনে তারা পেয়েছে উল্টো প্রশিক্ষণ। মাত্রাগতভাবে অভিজ্ঞতা বেশি হয়ে গেছে রাতের ভোট, বিনা ভোট, আমি-ডামি ভোটে। এসব ভোটে কনস্টেবল থেকে তখনকার আইজি পর্যন্ত পুলিশের অনেকের দানবীয় ভূমিকা গোটা পুলিশ বাহিনীকে জনশত্রুর কাতারে এনে ঠেকিয়েছে। সেখান থেকে পুলিশকে উদ্ধারের চেষ্টায় যারপরনাই চেষ্টায় সরকার। কিন্তু এক পা এগোলে দুই পা পেছানোর অবস্থা।

গেল সরকার আমলে নানা ক্রিয়াকর্মে পুলিশকে শুধু বিরোধী দলের যমে পরিণত করা হয়নি, সাধারণ জনতার প্রতিপক্ষও বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ক্ষেত্রবিশেষে পুলিশকে মানুষের জাতভুক্তই রাখা হয়নি। বাহিনীটির সেই ক্ষত এখনো সারেনি। ঘোষণা দিয়ে দলীয়বৃত্তে ঢুকে দলান্ধ বাহিনী হওয়ার মধ্য দিয়ে ঘৃণা-ক্ষোভের ওই জায়গা থেকে পুলিশ এখনো ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। পুলিশের বেশিরভাগ সদস্যই নিজেদের আমলনামা পরিষ্কার করে বদনাম গোছাতে চান। দলের বাহিনী না হয়ে পুলিশ বাহিনীর সদস্য হতে চায়। মানুষ মেরে, জঙ্গি কাহিনি বানিয়ে বিপিএম-পিপিএম হাতাতে চায় না সবাই। ‘জনগণের বন্ধু’ না হোক, এ সমাজেরই অংশীজন হতে চায়। সেখানেও বড় বাধা নানা ফাঁকে উতরে যাওয়া সেই দানবীয় পুলিশ কর্মকর্তারা।

লাজশরম ভুলে একসময় আওয়ামী লীগ বন্ধনায় লিপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের কেউ কেউ বোল ও রং বদলে এখন বিপরীত দলান্ধতায় মত্ত। গেল সরকারের চরম-গরম সুবিধা হাতানোতে এক্সপার্ট বেশ কিছু পুলিশ কর্মকর্তা এরই মধ্যে পদোন্নতি-পদায়ন বাগিয়ে ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজিসহ কত কিছু! পাকা অভিজ্ঞতা দৃষ্টে তা হয় মোটা অঙ্কে, নইলে রাজনৈতিক তদবিরে। এ কাজে তারা দীর্ঘদিনের পটু। হাতে টাকাও অনেক। খরচ করে অভ্যাস। সরকারের প্রভাবশালী কতক ব্যক্তি, ধুরন্ধর নেতাদের হাত করেও কামিয়াবি অনেকে। আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে তাদেরই কেউ কেউ বিএনপিসহ বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের মামলা, হামলা, গ্রেপ্তার; এমনকি গুম-খুনে ক্যারিশমা দেখানো। বছরের পর বছর বিভিন্ন জেলায়, মেট্রোপলিটনে, ডিবিতে, সোয়াটে, সিটিটিসিসহ বিভিন্ন ইউনিটে ছিলেন পরাক্রমশালী। জঙ্গি নাটক সাজিয়ে বহু নিরপরাধ মানুষের জীবন ছারখার করে নিজেরা সমৃদ্ধ হয়েছেন।

ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার শেষ ১১ বছরে পুলিশ পদক পান ১ হাজার ৬৫৬ জন। বিরোধী দলমতকে দমনপীড়ন, গুম-খুন ও জঙ্গিনাটক মঞ্চায়নসহ বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িতদের দেওয়া হয় এসব পদক। পদক দেওয়া হয় তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারীদেরও। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পদক দেওয়া হয় ‘রাতের ভোট’খ্যাত ২০১৮ সালের নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারীদের। শেখ হাসিনার আমলে নিয়োগ পাওয়া সব আইজিপি এসব পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। পদকের বাইরেও নানা সুযোগ-সুবিধা হাতানোর কর্মে সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ইসলাম, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের যোগ্য ফলোয়ার হিসেবে তাদের টাকার পাহাড় গড়া ওপেন সিক্রেট। সিনা টান করে বিনাভোটে এমপি বানানো, দিনের ভোট রাতে সেরে ফেলা, ডামি-আমি, নৌকা-ঈগল-ট্রাকে ভোট ভাগ করার অভিজ্ঞ এ পুলিশ কর্মকর্তারা আসন্ন নির্বাচনে কী ভূমিকা রাখবেন, তা ভাবনার বিষয়। তাদের নির্বাচনী দায়িত্বের ধারেকাছে রাখা হবে না বলে একাধিকবার জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

তার খুব কনফিডেন্ট তারা বাধা সৃষ্টি করতে পারবেন না। কিন্তু সেই এক্সপার্টিজম তারা কোনো কাজে না লাগিয়ে আঙুল চুষবেন? এসপি, ডিআইজি-অ্যাডিশনাল ডিআইজিসহ নানা পদে সেই কর্মকর্তাদের কেউ কেউ এখনো পুলিশ হেডকোয়ার্টারে পদায়িত। কাজ করছেন গুপ্ত বাহিনীর সোল এজেন্ট হয়ে। সিআইডি, পিবিআই, এটিইউ, এপিবিএন হেডকোয়ার্টারে সরকারি টাকায় সরকারি বাড়ি-গাড়ি ব্যবহার করে এজেন্ডা মতো কাজ করে যাচ্ছেন ফ্যাসিস্ট আমলে নানা পদকায়িত কয়েকজন। তাদেরই কেউ কেউ এখনো পদোন্নতি ও পদায়নে নাটাইও ঘোরাচ্ছেন। উত্তরা, মিরপুর-১০, বসিলা, মোহাম্মদপুর, চানখাঁরপুল, রামপুরা, যাত্রাবাড়ী এলাকায় গণহত্যায় যুবলীগ-ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগের সঙ্গে মিলে ছিল তাদের কারও কারও অ্যাকশনের কথা সহকর্মীদের জানা। এ ধরনের দানবীয় কুকর্মে দক্ষতা বিবেচনাতেই তাদের জুলাই-আগস্টে ওইসব এলাকায় মোতায়েন করা হয়। এর বিপরীতে গত পনেরো বছর ধরে বঞ্চিত ও নির্যাতিত পুলিশ কর্মকর্তাদের অনেকে এখনো কোণঠাসা। অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছরের বেশি সময় ধরে সাইডলাইনেই ফেলে রাখা হচ্ছে তাদের। আগামী জাতীয় নির্বাচন স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করতে যেখানে প্রধান উপদেষ্টা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন, সেখানে পুলিশের এই চক্রকে বধ করতে না পারলে সুষ্ঠু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা ঘুরছে। এ কারণেই বঞ্চিত, যোগ্য, সৎ ও পেশাদার কর্মকর্তাদের প্রায়োরিটি দিয়ে পুলিশ বাহিনীকে সংস্কার ও নির্বাচনের কাজে উপযুক্ত করার তাগিদ।

পুলিশ বলতেই সবাই বেনজীর, হাবিব, হারুন, আসাদুজ্জামান, মনিরুল, বিপ্লব কুমার সাহা, প্রলয় জোয়ার্দার নন। সংখ্যায় তারা গোটা পুলিশের দুই শতাংশও হবেন না। কিন্তু ধারে-ভারে এবং নানা দুষ্কর্মে পাকা বলে সংখ্যায় বেশি মনে হয়। বাকিরাও এক পাল্লায় মাপার প্রাণী হয়ে গেছেন। কিন্তু সততা-পেশাদারিত্ব নিয়ে কিছু ব্যক্তি না থাকলে পুলিশ বা কোনো বিভাগই থাকে না। পুলিশেও তেমন অসংখ্য সদস্য থাকায় কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে না হলেও বাহিনীটি একটু একটু করে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। নির্বাচনের এখনো সাড়ে চার মাসের মতো বাকি। পুলিশকে তিন মাস ট্রেনিং দেওয়ার আয়োজন চলছে। সেটা হবে মূলত হেদায়েতি ট্রেনিং। থাকবে ভোট কারচুপি-জালিয়াতিতে না জড়ানোর বয়ান। নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর করা শুধু নির্বাচন কমিশনের পক্ষে সম্ভব নয়। এর ফ্রন্ট লাইনার সরকার। আর ক্যাপ্টেন নির্বাচন কমিশন। মাঠকে সাবলীল রাখার আম্পায়ার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ কাজে পুলিশকে প্রস্তুত করে দেওয়া সরকারের নির্বাহী বিভাগের দায়িত্ব। এ প্রশ্নে কোনো ‘তবে-কিন্তু-যদি’র সুযোগ নেই। সরকারের দিক থেকে এ-সংক্রান্ত কিছু প্রস্তুতির কথা জানানো হয়েছে। নির্বাচনের সময় ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদার করতে পুলিশের জন্য কমপক্ষে ৪০ হাজার বডিওয়্যার ক্যামেরা দেবে সরকার। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উচ্চপর্যায়ের এক সভায় এ পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

সরকারের আশা বডিক্যাম নামে পরিচিত এ ডিভাইসগুলো হাজার হাজার ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদার করবে। পুলিশ নির্বাচনের সময় ডিভাইসগুলো তাদের বুকে পরলেই সব ঠিক হয়ে যাবে এমনটি ভাবা যায় না। কারণ, পদক্ষেপ হিসেবে এটি একদম নতুন নয়। এর আগে ট্রাফিক, হাইওয়েসহ কয়েক জায়গায় এ ধরনের ক্যামেরার প্রচলন হয়েছে। কিন্তু সাফল্যের খবর আসেনি। পুলিশ সদস্যরা অন্যের অপকর্ম ধরার চেয়ে নিজেদের অপকর্ম ঢেকেছে। ক্যামেরা দূরে কোথাও রেখে যা করার করেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের উপলব্ধি পুলিশ একটু একটু করে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তার ভাষায়—আমাদের পুলিশ ভাইয়েরা ঘুমাতে পারছেন না, তারা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। ইলেকশন আসতে আসতে আরও ভালো হবে।

আইনশৃঙ্খলা শুধু নির্বাচন নয়, গণতন্ত্র, জননিরাপত্তা, ব্যবসা-বিনিয়োগসহ অনেক কিছুতে সম্পৃক্ত। নিত্যপণ্যের বাজারসহ সামগ্রিক অর্থনীতির সঙ্গেও প্রাসঙ্গিক। বিশেষ করে পণ্য পরিবহন একটি বড় ফ্যাক্টর। এতে পণ্যের দাম ওঠানামায় ম্যাটার করে। নানান সিন্ডিকেট ও প্রতিবন্ধকতার মাঝেও বাজারে পণ্য সরবরাহ, মিল-কারখানার মালামাল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের হাইওয়ে বিভাগের নিরবচ্ছিন্ন কাজ অনেকের চোখ এড়িয়ে যাচ্ছে। গেল কোরবানি ঈদে গরু-ছাগলসহ বাজারে পশু সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে এ বিভাগটি দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে। অথচ পুলিশে হাইওয়ে একটি ডাম্পিং স্টেশন। কারও কারও দৃষ্টিতে সৎমায়ের তাচ্ছিল্যের শিকার হওয়া সন্তান। যার তাজা উদাহরণ গত সপ্তাহে ঘটালেন ডিআইজি রেজাউল করিম। মুখে দাঁড়ি থাকায় এক ওসিকে নোংরা ভাষায় কটাক্ষ করেন তিনি। আইজিপির কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন নিগৃহীত গাজীপুরের হাঁসাড়া হাইওয়ে থানার ওসি।

সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহতের ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে অভিযুক্ত গাড়ির মালিককে ফোন করার কারণে নগদে সিলেটে বদলি করে দেওয়া হয়েছে তাকে। হাইওয়ের ওই ওসিকে হেডকোয়ার্টারে ডেকে নিয়ে জনৈক গাড়ির মালিকের সামনে অপমান-অপদস্থ করেছেন পুলিশের কয়েক কর্তা। সারা দেশের মহাসড়ক নিরাপদ ও চাঁদাবাজি কমিয়ে আনতে বিনা প্রচার-প্রসারে কাজ করছে হাইওয়ে পুলিশ। জনবলসহ লজিস্টিকে ব্যাপক ঘাটতিতে ডুবে থাকা হাইওয়ে পুলিশ প্রধানের দায়িত্বে রয়েছেন বিগত সরকার আমলে চরম নিগৃহীত ১২তম বিসিএস ব্যাচের কর্মকর্তা অতিরিক্ত আইজিপি মো. দেলোয়ার হোসেন মিঞা। ২০২২ সালের ১৯ অক্টোবর এসপি থাকা অবস্থায় তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়ে দেয় আওয়ামী লীগ সরকার। ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার তাকে চাকরিতে পুনর্বহাল করে। বিভাগীয়ভাবে সিনিয়র মোস্ট হওয়ার পরও তার ঠাঁই হয়েছে হাইওয়েতে। সারা দেশের জাতীয় ও আঞ্চলিক সড়কের দৈর্ঘ্য ২১ হাজার ৮৮৮ কিলোমিটার। সেই হিসেবে বৃহৎ অংশই হাইওয়ে পুলিশের নজরদারি বা দেখভালের বাইরে পড়ে থাকছে।

হাইওয়ের ৭৩টি থানার প্রতিটিতে গড়ে পুলিশ সদস্য ৩৪ জন। এর মধ্যে অফিসারসহ ১২ জন থাকেন থানার প্রশাসনিক দায়িত্বে। বাকি ২২ জন অভিযান, টহল, যানজট নিরসন ও দুর্ঘটনা ব্যবস্থাপনার কাজে। সেখানেও আবার শিফটিং ডিউটিতে বাস্তবে লোকবল আরও কম। এত কম জনবলেই গড়ে প্রতিটি থানাকে ৪১ কিলোমিটার সড়কের দেখভাল করতে হয়। কাজে নির্লিপ্ত বা হতাশ না হয়ে দেলোয়ার হোসেন গত এক বছরে মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা ও ডাকাতি-ছিনতাই ঠেকানোয় নজির গড়েছেন। সীমিত জনবল ও যৎসামান্য সরঞ্জামেই ৩ হাজার কিলোমিটার সড়কের শৃঙ্খলা-নিরাপত্তা দেখভালে রেকর্ড গড়েছেন কাজের একাগ্রতা ও পুলিশি অভিজ্ঞতার পুঁজিতেই। পুলিশের অন্য বিভাগেও নিশ্চয়ই এমন দৃষ্টান্তের ফলোআপ অসম্ভব নয়।

লেখক: সাংবাদিক-কলামিস্ট; ডেপুটি হেড অব নিউজ, বাংলাভিশন

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আর কোনো যুদ্ধ চান না ট্রাম্প, নেতানিয়াহুকে সতর্কবার্তা

প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

প্রকাশ্যে যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

চট্টগ্রামে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া নৈরাজ্য ঠেকাতে চসিক মেয়রের উদ্যোগ

বাড়ি ফেরার পথে রাজমিস্ত্রিকে কুপিয়ে হত্যা

ওলিসের হ্যাটট্রিকে উড়ন্ত ফ্রান্স, জয়ে শেষ হলো বিশ্বকাপ প্রস্তুতি

ইতিহাসের এই দিনে

আজকের নামাজের সময়সূচি

ইরানে হামলা চালালে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন হারাবে ইসরায়েল : ট্রাম্প

যশোরে আ.লীগ-যুবলীগের তিন নেতা গ্রেপ্তার

১০

গোপালগঞ্জে আওয়ামীলীগ নেতার পদত্যাগ

১১

নিখোঁজের ৪ দিন পর প্রবাসীর হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার

১২

ক্যানসার শনাক্তে দেশে প্রথম রোবটিক প্রোস্টেট বায়োপসি হলো স্কয়ারে

১৩

আমার কথা বলে তাহেরী হুজুর আলোচনায় থাকতে চান : সামান্তা

১৪

অভিষেক ম্যাচেই ৪৭ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন ভারতীয় ক্রিকেটার 

১৫

হার্ট ভালো রাখতে প্রতিদিন খাবেন যে পাঁচ খাবার

১৬

৩৪ তলায় ফ্ল্যাট কেনার পর জানতে পারলেন ভবনটিই ৩২ তলা

১৭

চাকরিনির্ভরতা থেকে উদ্যোক্তা: আত্মকর্মসংস্থানে আনসারের ‘সঞ্জীবন’ প্রকল্প

১৮

পদত্যাগী মন্ত্রীর বাসায় খিচুড়ি, প্রতিমন্ত্রীর সভা শেষে বিরিয়ানি দিয়ে আপ্যায়ন

১৯

বাজেটে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নতুনভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে : মির্জা ফখরুল 

২০
X