মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:০০ এএম
আপডেট : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:১৮ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

মার্কিনিদের ক্রিসমাস উপহার

বেলিন ফার্নান্দেজবেলিন ফার্নান্দেজ
মার্কিনিদের ক্রিসমাস উপহার

আমার যতদূর মনে পড়ে, ১৯৯২ সালের ক্রিসমাসের দিন, একটি শীতল এবং উৎসবমুখর সন্ধ্যায় আমি প্রথম উপলব্ধি করি যে, সান্তা ক্লজ নামের চরিত্রটির আদতে কোনো অস্তিত্ব নেই। তখন আমি টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের অস্টিন শহরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত দশ বছর বয়সী এক কিশোরী। দাঁতের পরী আর ইস্টার বানির মতো কাল্পনিক চরিত্রগুলোরও যে বাস্তবে অস্তিত্ব নেই, তা আমি জেনে গিয়েছিলাম আরও আগেই। তবু সান্তার অস্তিত্বকে আঁকড়ে ধরে রেখেছিলাম অনেক শক্ত করে, যেন শৈশবকে বিদায় জানানোর জন্য আমি তখনো মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম না।

উত্তর মেরু থেকে ঝুলিতে করে উপহার নিয়ে আসে সান্তা ক্লজ। তার জন্য অপেক্ষা করার পেছনে ছিল এক ধরনের জাদু, এক ধরনের নিষ্পাপ প্রত্যাশা, যা হারিয়ে ফেলতে মন সায় দিচ্ছিল না। কিন্তু সেই রাতে, যখন আমি নিজের চোখে বাবা-মাকে গাছের নিচে উপহারগুলো গোপনে রেখে যেতে দেখলাম, তখন আমার ভেতরের কল্পনার জগতের সেই শেষ অবলম্বনটুকুও হারিয়ে গেল। আমি সেদিন অনেক কেঁদেছিলাম—শুধু প্রতারণার বেদনায় নয়, বরং শৈশবের এক অনিবার্য পরিসমাপ্তির শোকে।

তিন দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে আজ এই ছুটির মৌসুমে, বহু আমেরিকান নাগরিক ঠিক সেই একই ধরনের প্রতারণ অনুভব করছে। তবে এবার প্রতারক আর উত্তর মেরুর লাল পোশাকধারী সান্তা ক্লজ নন। এবারের প্রতারক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লাল দলের নেতা, আমেরিকার ‘মাগা’ গোষ্ঠীর কর্ণধার—প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তনের প্রথম বছরের শেষ প্রান্তে পৌঁছেছেন ট্রাম্প। গত এক বছরে স্পষ্টতই লক্ষ করা গেছে যে, তার উচ্চকণ্ঠ প্রতিশ্রুতিগুলোর প্রায় কোনোটিই বাস্তব রূপ ধারণ করতে পারেনি। ব্যতিক্রম বলতে শুধু উন্মত্ত ও মানবিকতাহীন নির্বাসন অভিযানই সফল হয়েছে তার। সেটাকে তার সমর্থকরা উদযাপন করলেও, তারা বুঝতে ব্যর্থ হচ্ছে যে, এভাবে দেশটিকে কার্যত এক উৎসবমুখর শ্বাসরুদ্ধকর পুলিশি রাষ্ট্রে রূপান্তর করা হচ্ছে।

রয়টার্স ও ইপসোস পরিচালিত সাম্প্রতিক এক জরিপ অনুযায়ী, ধস নেমেছে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায়। মাত্র ৩৯ শতাংশ আমেরিকান নাগরিক তার কর্মসূচিকে সমর্থন করছে; বাকি ৬১ শতাংশ নাগরিক তাকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ব্যর্থ বলে মনে করছে। এদিকে সাধারণ আমেরিকানরা প্রতিদিন লড়াই করছে এক ভয়াবহ জীবনযাত্রার ব্যয় সংকটের সঙ্গে। ফলমূল, সবজি ও মাংসের দাম আকাশছোঁয়া; বাড়ি ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল ও অন্যান্য প্রাত্যহিক খরচ ক্রমাগত বেড়েই চলেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে কংগ্রেস বাজেট পাস করতে ব্যর্থ হলে প্রেসিডেন্ট কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে থাকেন। গত ৫০ বছরে ১১ বার এমন ঘটনা ঘটেছে। ট্রাম্প এবার অক্টোবরের ১ তারিখ থেকে নভেম্বরের ১২ তারিখ পর্যন্ত সরকারি কার্যক্রম বন্ধ রাখেন, যা ছিল ইতিহাসের দীর্ঘতম সরকারি বিরতি। ফেডারেল সরকারের এ অচলাবস্থার দরুন লাখ লাখ মানুষ ছিল অনাহারের আশঙ্কায়। আমেরিকাকে আবার মহান করে তোলার যেই স্বপ্ন দেখিয়েছিল রিপাবলিকান পার্টি, এ বাস্তবতা তার সঙ্গে এতটাই অসামঞ্জস্যপূর্ণ যে, তা প্রায় বিদ্রূপের পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। সরকারি কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ায় ব্যাপক হারে কর্মসংস্থানের সংকট দেখা দিয়েছে, যার ফলে বেকারত্বের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪.৬ শতাংশে। কভিড-১৯-এর পর গত পাঁচ বছরের মধ্যে এটাই বেকারত্বের সর্বোচ্চ হার। রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বহু অর্থনীতিবিদের মতে, ট্রাম্পের আমদানি শুল্কনীতির ধাক্কা সামলাতে নতুন কর্মী নিয়োগ দেওয়া থেকে বিরত থাকছে বহু নিয়োগকর্তা ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান।

অতএব বাস্তবতার নিরিখে বিচার করলে, মার্কিন অর্থনীতি সংস্কারের প্রতিশ্রুতিতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু তার নিজস্ব অতিরঞ্জিত কল্পনার জগতে, বর্তমান অর্থনীতিকে তিনি ‘এ প্লাস’ গ্রেড বলে মনে করছেন। তিনি এটাও বলেছেন যে, তাকে শুধু একটি ‘এ প্লাস’ দেওয়া যথেষ্ট নয়, বরং তিনি পাঁচটা ‘এ প্লাস’ পাওয়ার যোগ্য। আর তার সামনে জীবনযাত্রার ব্যয় সংকটের কথা তুললে তিনি বলেন যে, সেটা ডেমোক্রেটিক দলের ‘মিথ্যা প্রচারণা’। তার মতে, তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছেন ডেমোক্র্যাটরা।

অবশ্য সত্যি বলতে কি, যুক্তরাষ্ট্র কখনোই সস্তা জীবনযাত্রার দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল না। সেটি হলে তো নির্মম আমেরিকান পুঁজিবাদ আর ধনকুবের তান্ত্রিক সামাজিক কাঠামোর মূল দর্শনই প্রশ্নের মুখে পড়ে যাবে। এখানে মানবজীবনের মূল্য নির্ধারিত হয় ব্যক্তির অর্থনৈতিক অবস্থান অনুযায়ী। উন্নত বিশ্বের একটি রাষ্ট্রে এমনটা হওয়ার কথা নয়; তবুও এটাই যুক্তরাষ্ট্রের বাস্তব চিত্র। রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটরা নিজেদের আদর্শিক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে তুলে ধরলেও, বাস্তবে তারা একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। উভয় দলই বর্ণভিত্তিক অভিজাত শাসন ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকা পালন করছে। তাই পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী দেশে দারিদ্র্যই মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে টিকে আছে এখনো।

ক্রিসমাসের এ ছুটির দিনগুলো আমি কেনটাকি অঙ্গরাজ্যের লুইভিল শহরে আমার মায়ের সঙ্গে কাটাচ্ছি। কদিন আগে সুপার মার্কেটে কেনাকাটা করতে গিয়ে দেখলাম যে, আমাদের খরচ পড়ল মোট ২৩৭ ডলার। আমি লক্ষ করলাম, দক্ষিণ মেক্সিকোর সমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় আমার ভাড়া করা বাড়ির প্রায় এক মাসের ভাড়া আর যুক্তরাষ্ট্রে একবার বাজার করার খরচ প্রায় সমান। তাও আমাদের শপিং কার্টটি মোটেই পূর্ণ ছিল না; তাতে ছিল মাত্র একটি মাংসজাত পণ্য এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী।

লুইভিল সেই শহর যেখানে ২০২০ সালের মার্চ মাসে নিরস্ত্র কৃষ্ণাঙ্গ নারী ব্রিওনা টেইলরকে পুলিশ গুলি করে হত্যা করেছিল। ট্রাম্পের প্রথম প্রশাসনের সময়েই নিহত হন ২৬ বছর বয়সী জরুরি বিভাগে কর্মরত এ টেকনিশিয়ান। চলতি বছরের শুরুতে মার্কিন বিচার বিভাগ সেই হত্যাকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত এক সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাকে মাত্র একদিনের কারাদণ্ড দেওয়ার রায় দেন।

ন্যায়বিচারের নামে এটা ছিল উপহাস মাত্র। পরবর্তীকালে আপিল করায় ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে আড়াই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। কিন্তু শাস্তি হিসেবে সেটাও ন্যায়সংগত বলে মনে হয় না। একজন মৃত ব্যক্তির পরিবারের ক্ষত ভরাট করার জন্য সেটা পর্যাপ্ত নয়। অতএব, যারা প্রাতিষ্ঠানিক বর্ণবাদ বা পুলিশি বর্বরতার অবসানের স্বপ্ন দেখছে, তাদের জন্য নিকট ভবিষ্যতে অপেক্ষা করছে কেবল হতাশা; তাদের স্বপ্ন বাস্তবতা থেকে অনেক দূরে।

বিচার বিভাগের সাম্প্রতিক কুকীর্তির তালিকা কম উদ্বেগজনক নয়। প্রথম দফায় শাসনের দরুন ট্রাম্প সুপ্রিম কোর্ট থেকে শুরু করে নিম্ন আদালত পর্যন্ত সকল পর্যায়ে রিপাবলিকান পার্টির সমর্থক প্রায় ২৬০ জন বিচারক নিয়োগ দেন। প্রয়াত অর্থলগ্নিকারী ও শিশু যৌন নির্যাতনকারী জেফ্রি এপস্টিনের মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত অন্তত ১৬টি নথি শনিবার হঠাৎ করেই বিচার বিভাগের ওয়েবসাইট থেকে রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে যায়।

হারিয়ে যাওয়া নথিগুলোর মধ্যে ছিল ট্রাম্পের একটি ছবি। এর আগে এপস্টিন সংক্রান্ত নথি প্রকাশে সরকারি গড়িমসিকে ঘিরে যে জাতীয় ক্ষোভ গড়ে উঠেছিল, সেটাকে তিনি ‘ডেমোক্র্যাটদের প্রতারণা’ বলে উড়িয়ে দেন। এ ছাড়া যেসব নথি প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলোর অনেকাংশই মুছে ফেলা হয়েছে বা ভাষ্য পরিবর্তন করে ফেলা হয়েছে। এপস্টিনের নির্যাতনের শিকার মারিনা লাসের্দার ভাষায়, এটি ভুক্তভোগীদের মুখে একটি নির্মম চপেটাঘাত।

সব মিলিয়ে, দেশের অভ্যন্তরীণ চিত্র সাধারণ নাগরিকের মনে মোটেও কোনো উৎসবের আনন্দ জাগায় না। কিন্তু এ কথা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বললেই তিনি বলবেন যে, এগুলো ‘মিথ্যা অপবাদ এবং প্রতারণামূলক কথা’। এদিকে উৎসবের এ সময়টায়ও ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার উপকূলে নৌযানগুলোর ওপর নির্বিচার বোমাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে। তার সঙ্গে বিচারবহির্ভূতভাবে সংঘটিত হচ্ছে নাবিকদের অন্যায় হত্যাকাণ্ড। এসবই হচ্ছে ভেনেজুয়েলার মাদক ও সন্ত্রাস দমনের নামে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সরকার তাদের সামরিক বাহিনীকে ভেনেজুয়েলাবিরোধী কার্যক্রম আরও বাড়িয়ে তেলবাহী জাহাজ জব্দ করার অনুমোদন দিয়েছে। ট্রাম্প নিজে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ অভিযোগ তুলেছেন যে, দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটি নাকি যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ‘তেল, জমি ও অন্যান্য সম্পদ’ চুরি করেছে—যার নেই কোনো ভিত্তি বা প্রমাণ। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যম এনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ভেনেজুয়েলার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

বিশ্বের অন্য প্রান্তে, ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ঘোষিত এক তথাকথিত যুদ্ধবিরতির আড়ালে গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে নির্বিঘ্নে চলমান রয়েছে ইসরায়েলের গণহত্যা। তার ডেমোক্র্যাট পূর্বসূরি জো বাইডেনের মতো, ট্রাম্পও এ গণহত্যাকারী রাষ্ট্রটির পেছনে ঢেলে দিয়েছেন কোটি কোটি মার্কিন ডলার—যার মালিক আমেরিকান করদাতারা। এ সবকিছু বিবেচনায় নিলে বলতে হয়, এ বছর ক্রিসমাস মৌসুমে আনন্দিত হওয়ার চেয়ে বিষণ্ন হওয়াটাই যেন বেশি যুক্তিসংগত।

লেখক: আমেরিকান সাংবাদিক, কলামিস্ট ও লেখক। নিবন্ধটি আলজাজিরার মতামত বিভাগ থেকে অনুবাদ করেছেন অ্যালেক্স শেখ

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ক্যানসার শনাক্তে দেশে প্রথম রোবটিক প্রোস্টেট বায়োপসি হলো স্কয়ারে

আমার কথা বলে তাহেরী হুজুর আলোচনায় থাকতে চান : সামান্তা

অভিষেক ম্যাচেই ৪৭ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন ভারতীয় ক্রিকেটার 

হার্ট ভালো রাখতে প্রতিদিন খাবেন যে পাঁচ খাবার

৩৪ তলার ফ্ল্যাট কেনার পর জানতে পারলেন ভবনটিই ৩২ তলা

চাকরিনির্ভরতা থেকে উদ্যোক্তা: আত্মকর্মসংস্থানে আনসারের ‘সঞ্জীবন’ প্রকল্প

পদত্যাগী মন্ত্রীর বাসায় খিচুড়ি, প্রতিমন্ত্রীর সভা শেষে বিরিয়ানি দিয়ে আপ্যায়ন

বাজেটে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নতুনভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে : মির্জা ফখরুল 

মৌচাকে থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল খুন

মহানগর যুবদল নেতা বহিষ্কার

১০

নুরজাহান বেগমের মৃত্যু : সমাজের এক নির্মম আয়না

১১

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপি নেতা সোহেল রানাকে স্থায়ী বহিষ্কার 

১২

পবিপ্রবির নতুন উপাচার্য হলেন প্রফেসর ড. এস এম হেমায়েত জাহান

১৩

তনু হত্যা  / ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ ২ আসামির বিরুদ্ধে 

১৪

নাগরিকসেবায় অবহেলা করলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ডিএসসিসি প্রশাসকের

১৫

হোয়াটসঅ্যাপে ইসরায়েলের সাইবার হামলা, মামলা করবে মেটা

১৬

রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

১৭

আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক ট্রেনিং সেন্টার / ৬ দিনব্যাপী ফাউন্ডেশন কোর্সের দ্বিতীয় পর্ব শুরু

১৮

এনসিপিতে যোগ দিলেন বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী

১৯

বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া বাণিজ্য : হালাল পণ্যে বড় সম্ভাবনা

২০
X