কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০২:২১ এএম
আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০১:১৫ পিএম
প্রিন্ট সংস্করণ

সিজারিয়ানের প্রবণতা বেশি চাকরিজীবী-শিক্ষিতদের মধ্যে

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

দেশে শিক্ষিত ও চাকরিজীবীদের মধ্যে সিজারিয়ানের প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। তারা হাসপাতালে আসার আগেই এ ব্যাপারে মনস্থির করে আসেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা। যার অধিকাংশকেই অপ্রয়োজনীয় বলেও উল্লেখ করেন তারা। গতকাল রোববার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান সেকশন বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ ও তার বাস্তবায়ন শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন। জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নাগরিক মঞ্চ বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচ এই আলোচনার আয়োজন করে।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অবস্টেট্রিক্যাল অ্যান্ড গাইনোকোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশের (ওজিএসবি) সভাপতি অধ্যাপক ডা. ফারহানা দেওয়ান। প্রবন্ধে অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান বন্ধে সেবা প্রদানকারীর ভূমিকা বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। এ ছাড়া সিজারিয়ানের প্রয়োজনীয়তা এবং বিভিন্ন দেশের প্রেক্ষিতে পটভূমি উল্লেখ করা হয়। ডা. ফারহানা বলেন, প্রাইভেট সেক্টরে সি-সেকশন সবচেয়ে বেশি হচ্ছে। এমনকি শিক্ষিত ও চাকরিজীবীদের মধ্যে এ প্রবণতা বেশি। সি-সেকশনের হার সবচেয়ে বেশি খুলনা অঞ্চলে।

বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম বলেন, সিজারিয়ান জীবন রক্ষার জন্য করার কথা। কিন্তু এত বেশি সি-সেকশন হওয়ার পরও মাতৃমৃত্যু কমছে না। এজন্যই প্রসবকালীন এ অস্ত্রোপচারকে অপ্রয়োজনীয় বা মাত্রাতিরিক্ত মনে করছি।

বিভিন্ন প্রতিবেদন এবং গবেষণা ফলাফলে দেখা যায়, গ্রামাঞ্চলেও সি-সেকশনের প্রবণতা এবং পরিমাণ বেড়েছে। সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের পাশাপাশি ধাত্রীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হয় আলোচনায়।

উন্মুক্ত এ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ হালিদা হানুম, ওজিএসবির প্রাক্তন সভাপতি ডা. ফেরদৌসী বেগম, সাধারণ সম্পাদক ডা. সালমা রউফ প্রমুখ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চলতি অর্থবছরেই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু: পানিসম্পদমন্ত্রী

জুনের আকাশে ‘স্ট্রবেরি মুন’, যখন-যেভাবে দেখা যাবে বাংলাদেশ থেকে 

কুড়িগ্রামে বাড়ছে নদ-নদীর পানি, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল

‘পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি ছাড়া ইরানের হাতে আর কোনো বিকল্প নেই’

বাসের ধাক্কায় আহত মাসুদকে বাঁচানো গেল না

বিকেএসপি পরিচালনা বোর্ডের ৪০তম সভা অনুষ্ঠিত

নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ হতে হবে শিক্ষার্থীদের: মিফতাহ্ সিদ্দিকী

ফ্রান্সে তীব্র তাপপ্রবাহে মৃতের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে

ভারতে মহররমের তাজিয়া মিছিলে ১৫ হাজার মানুষকে হত্যার পরিকল্পনা, ‘মাস্টারমাইন্ড’ গ্রেপ্তার 

ইসলামের নামে মিথ্যাচারের রাজনীতি করে জামায়াত : সরোয়ার আলমগীর

১০

হাইওয়ে পুলিশের দায়িত্বে ফারুক

১১

বড়লেখায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী / সংস্কার বাস্তবায়ন না করলে বিএনপি সরকারেরও পতন হবে

১২

সরফরাজ হোসেনের কবিতা : আমার লগ্ন ছেড়ে যেও না

১৩

‘জিন্দা লাশ হয়ে গেছি’, ৬ বছরেও মেলেনি ক্ষতিপূরণ

১৪

বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ল আফ্রিকার দেশগুলো 

১৫

‘তুরাগে লাশ উদ্ধারের প্রচারণা বিভ্রান্তিকর, তদন্তে সত্যতা মেলেনি’

১৬

দিনেদুপুরে প্রাইভেটকারে গরু চুরির চেষ্টা, আটক ২

১৭

ঘুড়ি উড়াতে যায় হুসাইন, বিলে মিলল গলায় সুতা পেঁচানো মরদেহ

১৮

গোবিপ্রবির ১৬ শিক্ষক চাকরিচ্যুত

১৯

নাহিদ ইসলাম কোনো ব্যক্তি নন, একটি ইতিহাস : ড. ইউনূস

২০
X