কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৯:১২ এএম
অনলাইন সংস্করণ

দীর্ঘ ছুটি শেষে ‘যান্ত্রিক শহরে’ ফিরছেন কর্মজীবীরা

ঢাকায় ফিরছে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষ। ছবি : সংগৃহীত
ঢাকায় ফিরছে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষ। ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটি কাটিয়ে নাড়ির টান ছেড়ে আবারও যান্ত্রিক শহর ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবীরা। সোমবার (২৩ মার্চ) ভোর থেকেই রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন এবং সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ঢাকামুখী মানুষের ভিড় লক্ষ করা গেছে।

তবে ঈদের আগের সেই চিরচেনা ভোগান্তি বা উপচেপড়া ভিড় ছাড়াই এবারের ফিরতি যাত্রা অনেকটা স্বস্তিদায়ক বলে জানিয়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। ছুটি দীর্ঘ হওয়ায় এবার সবাই অনেকটা আরামেই ঢাকা পৌঁছাতে পারছেন।

রোববার (২২ মার্চ) বিকেল থেকেই কমলাপুর স্টেশনে ট্রেনগুলোতে যাত্রীদের সরব উপস্থিতি দেখা যায়। নোয়াখালী থেকে আসা উপকূল এক্সপ্রেস প্রায় এক হাজার যাত্রী নিয়ে বিকেলে ঢাকায় পৌঁছায়।

এই ট্রেনের যাত্রী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সোমবার থেকে অফিস খোলা থাকায় পরিবারের সঙ্গে ঈদ কাটিয়েই তিনি ঢাকায় ফিরেছেন। তার মতে, বাসের তুলনায় ট্রেন ভ্রমণ অনেক বেশি নির্বিঘ্ন হওয়ায় তিনি বরাবরই এই পথ বেছে নেন।

একই ট্রেনের যাত্রী শাহজালাল জানান, এক সপ্তাহ আগেই গ্রামে গিয়েছিলেন তিনি। এখন জীবিকার তাগিদে আবারও কর্মস্থলে ফেরা।

অন্যদিকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালেও সোমবার ভোর থেকে দক্ষিণাঞ্চল থেকে আসা লঞ্চগুলোর ভিড় বাড়তে থাকে।

যাত্রীরা জানান, এবারের লম্বা ছুটিতে স্বজনদের সঙ্গে অনেকটা সময় কাটাতে পেরে তারা অত্যন্ত আনন্দিত। কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই ঢাকায় পৌঁছাতে পেরে তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

তবে ফেরার স্রোতের মাঝেও একটি ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। ঈদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনেও অনেক মানুষকে ঢাকা ছাড়তে দেখা গেছে। মূলত ঈদের আগে টিকিটের তীব্র সংকট ও অতিরিক্ত ভিড় এড়াতে যারা ঢাকাতেই ঈদ করেছেন, তারা এখন পরিবারের সঙ্গে ঈদ-পরবর্তী সময় কাটাতে গ্রামের বাড়ি ছুটছেন। বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে জামালপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া যমুনা এক্সপ্রেস ট্রেনটি যাত্রীতে পরিপূর্ণ ছিল।

সপরিবারে গ্রামে যাওয়া যাত্রী তরিকুল ইসলাম জানান, ঈদের আগে ট্রেনের টিকিট না পাওয়ায় তিনি এখন গ্রামে যাচ্ছেন আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে। তাদের মতে, নির্বিঘ্নে যাতায়াতের জন্য ঈদের পরের সময়টিই সবচেয়ে উপযুক্ত।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘বিদ্যুৎ খাতে নীতি দুর্বলতার বোঝা জনগণের ওপরে চাপানো যাবে না’

খড় শুকাতে গিয়ে হিটস্ট্রোকে প্রাণ গেল কৃষকের

তিন বছর ধরে অবরুদ্ধ, স্ত্রীর জানাজায়ও যেতে দিল না ছেলে

পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে পদোন্নতি, গ্রেড-১ পেলেন ২ কর্মকর্তা

যুবদলের শীর্ষ নেতৃত্বে আইয়ুব খান, প্রত্যাশা সাংগঠনিক গতিশীলতার

নারায়ণগঞ্জ  / বিএনপি নেতাকে মারধর, ৪ যুবদল কর্মী বহিষ্কার

ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর দফায় দফায় হামলা চালাচ্ছে লেবাননের যোদ্ধারা

ঈদের ছুটিতে সিলেটের সাদাপাথরে পর্যটকের ঢল

বিশ্বকাপে শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখতে আর্জেন্টিনার ‘গোপন’ পরিকল্পনা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অস্ত্র ও গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তার, পলাতক ২

১০

হিটস্ট্রোকের আগে শরীর যেসব সংকেত দেয়

১১

কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে নারী শ্রমিক ধর্ষণের শিকার, গ্রেপ্তার ১

১২

চাঁদাবাজির মামলায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

১৩

টিআইবির বিবৃতি / কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ দুর্নীতিকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার শামিল

১৪

৬ দফা দাবিতে চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের আন্দোলন

১৫

হজ শেষে হাজিদের জন্য যে ৩ কাজ জরুরি

১৬

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারদের ছাড়া শিল্প চলতে পারে না : রাগীব আলী

১৭

আলজাজিরার অনুসন্ধান / নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে দক্ষিণ গাজা, স্যাটেলাইটে উঠে এলো ইসরায়েলের বর্বরতা  

১৮

৫ জুলাই বিয়ে, জানালেন আমির নিজেই

১৯

বিশ্বকাপে ডাক পাওয়ায় পিছিয়ে গেল বিয়ে

২০
X