গাইবান্ধা প্রতিনিধি
প্রকাশ : ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৬:০০ পিএম
আপডেট : ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৬:২৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

হাসপাতালে রোগীদের নাস্তার ডিমে মিলল বাচ্চা!

হাসপাতালে রোগীদের দেওয়া পচা ডিম। ছবি : কালবেলা
হাসপাতালে রোগীদের দেওয়া পচা ডিম। ছবি : কালবেলা

গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে রোগীদের জন্য সরবরাহকৃত সকালের নাস্তার ডিমে বাচ্চার অস্তিত্ব পাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিদিনের মতো সকালে রোগীদের জন্য ডিম, পাউরুটি ও কলা দেওয়া হলেও তা খাওয়ার অযোগ্য বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সদর হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ডে এরকম একটি ঘটনা ঘটেছে।

রোগীদের অভিযোগ, নাস্তার সঙ্গে দেওয়া ডিম থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল, যা পচা হওয়ায় কেউই তা খেতে পারেনি। এমনকি অনেক ডিমে বাচ্চার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে পাউরুটিতেও ছত্রাকজনিত ময়লা পাওয়া গেছে বলে জানান তারা। এ ধরনের নিম্নমানের ও অস্বাস্থ্যকর খাবার নিয়মিত দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন একাধিক রোগী ও তাদের স্বজনরা।

ভুক্তভোগীরা বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে এমন নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর খাবার খেতে বাধ্য হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। এতে সুস্থ হওয়ার বদলে আরও অসুস্থ হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তারা দায়িত্বপ্রাপ্তদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

তারা আরও অভিযোগ করে বলেন, শুধু পুরুষ ওয়ার্ডেগুলোতেই এরকম হয় নি নারী ওয়ার্ডগুলোতেও ঘটেছে। প্রায় সময় এরকম ঘটনা ঘটে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে রোগী ও স্বজনরা বলেন, সরকারি হাসপাতালে এমন অনিয়ম ও অবহেলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে রোগীদের ভোগান্তি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ডিম পচা জানতে পেরে নাম পরিচয় না দেওয়া হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এক প্রতিনিধি আসলেও তেমন কোন পদক্ষেপ নেন নি তিনি।

সেখানে সেবা নিতে আসা রোগী আমির হামজা কালবেলাকে বলেন, সকালে ডিম, পাউরুটি ও কলা দেওয়া হলেও ডিমের দুর্গন্ধ ও কাল দাগ পাই। পরে খেতে না পেরে ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছি। যারা এসব খারার দিচ্ছে তাদের আইনের আওতায় আনা উচিত। পুরোই অবহেলা।

সেবা নিতে আসা রোগী শিমুল কালবেলাকে বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক। শুধু ডিম পচা নয়, ডিমের মধ্যে বাচ্চার অস্তিত্বও পেয়েছি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষদের অবহেলার কারণেই এরকম ঘটনা ঘটেছে।

নাম পরিচয়ে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বলেন, এখানকার ঠিকাদার সাহাদাত ও সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আসিফুজ্জামান আসিফদের স্থানীয় প্রভাবের কারণে এ রকম কাণ্ড প্রায় সময় ঘটে। এদের শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত। তা নাহলে এরকম ঘটনা ঘটবে প্রতিনিয়ত। এরা হাসপাতালের সিন্ডিকেট, এদের জন্য এগুলো হচ্ছে।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সম্ভব হয় নি।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাজেটে পে-স্কেল নিয়ে বড় সুখবর

হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

পূর্ণিমাকে নিয়ে শাবনূর বললেন ‘আমাদের দা-কুড়াল সম্পর্ক না’

দেশে নিবন্ধিত সিমের পরিমাণ জনসংখ্যার দ্বিগুণ

কুয়েতে গৃহকর্মী নিয়োগ : ১০ দেশের তালিকা প্রকাশ 

রামিসার ডেথ রেফারেন্সসহ পূর্ণাঙ্গ রায়ের নথি উচ্চ আদালতে

সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ছাড়া কোনো বাজেটই কার্যকর হবে না : বিরোধীদলীয় নেতা

জামায়াতের ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট পেশ

সাভার পৌর ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা

প্রিয়জন হারানোর শোকে কাতর ব্যক্তিকে এই ৭ কথা বলা উচিত নয়

১০

২০২৫ সালে যুদ্ধে নিহত হয়েছেন প্রায় আড়াই লাখ মানুষ

১১

স্কুল ফিডিং প্রকল্পে নিম্নমানের খাবার সরবরাহ, মাদারীপুর থেকে গ্রেপ্তার ২

১২

মৃত্যুর গুজব ছড়ালেও সুস্থ আছেন অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি

১৩

স্কুল ফিডিং প্রকল্পে অনিয়ম ও নিম্নমানের খাবার সরবরাহের দায়ে গ্রেপ্তার ২

১৪

চলন্ত মাইক্রোবাসে আগুন

১৫

‘অবাস্তব কিছু দেখানো হয়নি’ সমালোচনা প্রসঙ্গে নীহা

১৬

বিয়ের অনুষ্ঠানে মসজিদে খেজুর ছিটানো যাবে কি

১৭

প্রচুর রাগ হলেও শাকিবই আমার রাগ ভাঙায়: বুবলী

১৮

তামিম-মোসাদ্দেকে ভর করে অজিদের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুড়ে দিল টাইগাররা

১৯

বিতর্কের মুখে ‘পেদ্দি’ থেকে মুছল জাহ্নবীর আবেদনময়ী দৃশ্য

২০
X