

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের স্থগিত হওয়া শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের ভোটগ্রহণ চলছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয় ভোটগ্রহণ, যা চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
এ আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতের মাসুদুর রহমান এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) প্রার্থী মিজানুর রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১২ হাজার ২৪ জন। এর মধ্যে শ্রীবরদী উপজেলায় ২ লাখ ৫২ হাজার ৬০৪ জন এবং ঝিনাইগাতী উপজেলায় ১ লাখ ৫৯ হাজার ৪২০ জন ভোটার রয়েছেন। নারী ভোটারের সংখ্যা প্রায় ২ লাখ ৭ হাজার ৯০৫ জন।
নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করতে বিজিবি, র্যাব, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনীসহ পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নির্বাচনী এলাকায় টহল দিচ্ছেন বলে জানান জেলা নির্বাচন ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন।
তিনি জানান, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি র্যাবের ১০টি টিম মাঠে কাজ করবে এবং অতিরিক্ত ৪টি টিম রিজার্ভ হিসেবে প্রস্তুত রয়েছে। পুলিশের ২৬টি মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা আরও জানান, নির্বাচনী মাঠে শৃঙ্খলা রক্ষায় ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া নির্বাচন কমিশনের ১৮ জন পর্যবেক্ষক, দুইজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ইলেকশন ইনকোয়ারি কমিটির তিন যুগ্ম জেলা জজ দায়িত্বে রয়েছেন। সহায়তায় মাঠে রয়েছে সেনাবাহিনীর কয়েকটি টিমও।
প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদারে ৫ থেকে ৬ পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি ১২ জন করে আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যু হলে নির্বাচন কমিশন প্রথমে ভোটগ্রহণ স্থগিত করে এবং পরে নির্বাচন বাতিল ঘোষণা করে। পরবর্তীতে নতুন তফসিল ঘোষণা করে ৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করা হয়।