কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৩ নভেম্বর ২০২৩, ০১:০৪ পিএম
আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০২৩, ০১:৩৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ছাত্রকে নির্যাতন : উইলস লিটলের অধ্যক্ষসহ নয়জনের জামিন

উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ। ছবি : সংগৃহীত
উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ। ছবি : সংগৃহীত

উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রকে নির্যাতনের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আ.ন.ম. সামসুল আলমসহ নয়জনের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার (১৩ নভেম্বর) আত্মসমর্পণের পর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা শাকিলা সুমু চৌধুরী শুনানি শেষে পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন। একইসঙ্গে মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় তা বদলির আদেশ দেন।

জামিন পাওয়া অপর আসামিরা হলেন- প্রতিষ্ঠানটির সহকারী প্রধান শিক্ষক (দিবা শাখা) মো. নাসির উদ্দিন, সহকারী শিক্ষক ফয়সাল শামীম, মো. আতিক, ফেরদৌসী সুমী, তরিকুল আজম খান, প্রিতীষ বিশ্বাস, সিকিউরিটি গার্ড জিয়াউল হক জিয়া ও মাসুদ রানা।

এর আগে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী ছত্রের বাবা এবং প্রতিষ্ঠানটির সাবেক গভর্নিং বডির সদস্য শফিকুর রহমান। ওইদিন বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন আদালত।

ঘটনার সত্যতা পেয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করেন পিবিআই। গত ২৩ অক্টোবর আদালত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে আসামিদের হাজির হতে সমন জারি করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, তিনি উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাধ্যমিক শাখায় ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত গভর্নিং বডির নির্বাচিত সদস্য ছিলেন। তার ছেলে তাইফুর রহমান (নাহিয়ান) ২০২২ সালে এই স্কুলের ৯ম শ্রেণি মানবিক (দিবা) শাখার ছাত্র ছিল।

শফিকুর রহমান গভর্নিং বডির অভিভাবক প্রতিনিধি থাকার সময়ে প্রতিষ্ঠানটির বাংলা মাধ্যম দিবা শাখার সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. নাসির উদ্দিনকে (দুই নম্বর আসামি) সাময়িক বরখাস্ত এবং কুকীর্তির বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন হয়। সেই তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন বাদী শফিকুর রহমান। এ সময় নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল হোসেনের বরাবর এক প্রতিবেদন দাখিল করেন তিনি।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, এরপর থেকে আসামিরা তাকে ও তার ছেলে নাহিয়ানের প্রতি বিরূপ আচরণসহ শারীরিক ও অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে আসছেন। তারা কারণে-অকারণে নাহিয়ানকে ক্লাসে দাঁড় করিয়ে রাখা, ছোট করে কথা বলা, অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সামনে হেয় করা এবং বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি দেখাতেন। একপর্যায়ে নাহিয়ান শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

১৮ জেলায় বন্যা নিয়ে সতর্কতা জারি

যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

চলচ্চিত্র অনুদান কমিটিতে মুক্তি

আমরা রোনালদিনহোকেও জেলে দিয়েছি—এমবাপ্পেকে প্যারাগুয়ের সিনেটরের হুঁশিয়ারি

মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পরও যে ৭ খাবার আপনি নিরাপদে খেতে পারবেন

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কারামুক্ত

পে-স্কেলের গেজেট নিয়ে বড় পরিকল্পনা, কোন গ্রেডের বেতন-ভাতা কত

বগুড়ায় ২৪ ঘণ্টা গ্যাস বন্ধের সিদ্ধান্ত বাতিল

থানা হাজত থেকে আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আ.লীগের সাবেক এমপিকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখাল পুলিশ

১০

চোখ ও মুখে দেখা যায় আয়রনের ঘাটতির ৫ লক্ষণ

১১

ইরানের একমাত্র পারমাণবিক কেন্দ্রের পাশে একাধিক বিস্ফোরণ  

১২

লাখ টাকার ঘুষের মামলায় সাবেক বেবিচক কর্মকর্তার ৫ বছরের কারাদণ্ড 

১৩

বাঁচতে চান ক্যান্সার আক্রান্ত শিক্ষক সাজু

১৪

বরিশালে যুবলীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার

১৫

এবার সুখবর পেলেন মিশরের কোচ

১৬

যে শহরে খামেনির দাফন, সেই মাশহাদে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

১৭

স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে অস্ত্রসহ ৩ ডাকাতের আত্মসমর্পণ 

১৮

ইমাম রেজার পাশে শায়িত হচ্ছেন খামেনি

১৯

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ডাচ রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

২০
X