শিক্ষক সংকট দূর করতে বেসরকারি স্কুল-কলেজে প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এরই অংশ হিসেবে দেশের বেসরকারি স্কুল-কলেজের শূন্য পদের তালিকা চেয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এ তথ্য পাঠাতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৩১ জানুয়ারি) মাউশির সহকারী পরিচালক (মাধ্যমিক-২) এস এম জিয়াউল হায়দার হেনরীর সই করা এ সংক্রান্ত একটি চিঠি নয়টি আঞ্চলিক কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
এক বিজ্ঞপ্তিতে এনটিআরসিএ জানিয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশের লক্ষ্যে পঞ্চম নিয়োগ সুপারিশ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পঞ্চম নিয়োগ সুপারিশ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পূর্বে এনটিআরসিএর প্রচলিত নিয়ম অনুসারে সব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকের শূন্য পদের তথ্য চাহিদা (ই-রিকুইজিশন) অনলাইনে সংগ্রহ করা হবে। অনলাইনে চাহিদা প্রদানের পূর্বশর্ত হিসেবে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আবশ্যিকভাবে ই-রেজিস্ট্রেশন (অনলাইন নিবন্ধন) কার্যক্রম সম্পাদন করতে হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ই-রেজিস্ট্রেশন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে এনটিআরসিএ আরও জানিয়েছে, যেসব প্রতিষ্ঠান পূর্বেই ই-রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছে, তাদের অবশ্যই ই-রেজিস্ট্রেশন প্রোফাইল হালনাগাদ করতে হবে। কোনো প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ে অনলাইন প্লাটফর্মে ই-রেজিস্ট্রেশন সম্পাদন না করলে কিংবা প্রোফাইল হালনাগাদ না করলে, অনলাইনে নিয়োগযোগ্য শিক্ষকের শূন্যপদের চাহিদা (ই-রিকুইজিশন) প্রদান করা সম্ভব হবে না। যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে ই-রেজিস্ট্রেশন করেছে, সেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ই-রেজিস্ট্রেশন ফর্মের এডিট অপশনে ক্লিক করে প্রতিষ্ঠানের প্রোফাইল হালনাগাদ করতে হবে।
জানা গেছে, এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষকদের শূন্য পদের তথ্য প্রথমে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা প্রাপ্ত তথ্য জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠাবেন। পরবর্তী সময়ে সেই তথ্য আঞ্চলিক কার্যালয়ে পাঠানো হবে। আঞ্চলিক কার্যালয় তথ্যগুলো একত্র করে মাউশিতে পাঠাবে। আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে তথ্য পাওয়ার পর শূন্য পদের সংখ্যা বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। এরপর তারা নিয়োগের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে।
মন্তব্য করুন