কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৪, ০৩:০৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ওয়ার্কচার্জড কর্মীদের চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে আন্দোলন  

চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে ওয়ার্কচার্জড কর্মীদের আন্দোলন  
চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে ওয়ার্কচার্জড কর্মীদের আন্দোলন  

জাতীয় গৃহায়নে মাস্টার রুলে নিয়োগপ্রাপ্ত ওয়ার্কচার্জড কর্মীদের চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে আন্দোলন করছে দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্য শিকার হওয়া কর্মীরা।

এসময় তারা চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন। এ সময় জাতীয় গৃহায়নের চেয়ারম্যান মো. হামিদুর রহমানের রুম ঘেরাও করেন। পরে চেয়ারম্যানের রুমে গিয়ে কথা বলেন এবং আশানুরূপ কোনো বক্তব্য না পাওয়ায় আন্দোলন চালিয়ে যান।

জাতীয় গৃহায়ন কর্মচারি ইউনিয়নের সভাপতি শামসুদ্দোহা পাটোয়ারী কালবেলাকে বলেন, ওয়ার্কচার্জড কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি দীর্ঘদিনের। কারও কারও চাকরির বসয় ১২ থেকে ১৫ বছর হলেও তাদের চাকরি স্থায়ী না করে নতুন করে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এটা এক ধরনের বৈষম্য। মাস্টার রুলে যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তাদের আগে স্থায়ীভাবে নিয়োগ দিতে হবে।

এজন্য আজ ওয়ার্কচার্জড কর্মীরা আন্দোলন করছে।

জাতীয় গৃহায়ন কর্মচারি ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল শাহীন কালবেলাকে বলেন, ওয়ার্কচার্জড কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি দীর্ঘদিনের। তারা সামান্য কিছু টাকা বেতন পায়। তাদের কারও কারও চাকরি বসয় ১২ থেকে ১৫ বছর। তাদের স্থায়ীভাবে নিয়োগ না দিয়ে নতুন করে দেওয়া হচ্ছে। এটা বৈষম্য। আমরা চাই তাদের স্থানীভাবে নিয়োগ দেওয়া হোক। এজন্য তারা আন্দোলন নেমেছে।

ওয়ার্কচার্জড কর্মীরা বলেন,ওয়ার্কচার্জড কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি দীর্ঘদিনের হলেও কিন্তু কেউ আমাদের দিক নজর দেয় না। সবাই তাদের আখের গোছাতে ব্যস্ত। ওয়ার্কচার্জড কর্মচারীদের মধ্যে অনেকে মাস্টার রুলে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কারও কারও চাকরির বয়স হয়েছে ১০ থেকে ১৫ বছরের বেশি। কিন্তু তাদের চাকরি স্থায়ীকরণ না করে নতুন করে স্থায়ীভাবে নিয়োগ দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই ধরনের বৈষম্য স্বাধীন দেশে মানা যায় না। মাস্টার রুলে নিয়োগ পাওয়া আগে তাদের স্থায়ীকরণ করে পরে অন্যদের নিয়োগ দিতে হবে।

দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্য শিকার হওয়া দুই শতাধিক কর্মচারি আন্দোলন করেছে চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য। এসময় তাদের বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে দেখা গেছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চালকের বুদ্ধিতে বাঁচলেন বাস যাত্রীরা, প্রাণ গেল পিকআপ চালকের

দুর্ঘটনায় মরে পড়ে আছে স্কুলছাত্র, পাশেই মাছ ধরতে ব্যস্ত মানুষ

বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশের সাবেক কোচের ওপর ভরসা জিম্বাবুয়ের

ইসিতে আপিল শুনানির অষ্টম দিনের কার্যক্রম চলছে

মেসিকে টপকে গেলেন রোনালদো

নিয়োগ দিচ্ছে আড়ং

উগান্ডার নেতাকে হেলিকপ্টারে তুলে নিয়ে গেছে সেনাবাহিনী

উত্তরায় আগুনে ৬ জনের মৃত্যু / পাশাপাশি খোঁড়া হচ্ছে তিন কবর, শোকে স্তব্ধ পুরো গ্রাম

ফাইবারের স্বাস্থ্য ট্রেন্ডের চমকপ্রদ উপকারিতা

এবার ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ ও গণজমায়েতের ঘোষণা শিক্ষার্থীদের

১০

সৌন্দর্যে ঘেরা বাংলাদেশ কেন পর্যটক টানতে পারছে না

১১

দেশে কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে আজ

১২

শীতে কাঁপছে তেঁতুলিয়া, তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রিতে

১৩

আজও বায়ুদূষণে শীর্ষে ঢাকা

১৪

রুমিন ফারহানার উঠান বৈঠকে ধাক্কা লাগা নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ

১৫

সিলেটে তিন বাসের সংঘর্ষ, নিহত ২ 

১৬

রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে ৪ লাখের বেশি স্বেচ্ছাসেবকের যোগদান, বেতন কত?

১৭

পাকিস্তানে ট্রাক খালে পড়ে পরিবারের ১৪ জন নিহত

১৮

নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করতে গিয়ে প্রার্থীর কর্মী নিহত

১৯

পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের কণা ‘গিলে’ নিচ্ছে চাঁদ

২০
X