কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৪:২১ পিএম
আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৬:২৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সংশোধনী তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন পাস করার দাবি যুবকদের

রাজধানীর শেওড়াপাড়ায়
রাজধানীর শেওড়াপাড়ায়

অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে সংশোধনী তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন পাস করার দাবি জানিয়েছে যুবকরা।

শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় উন্নয়নমূলক সংস্থা ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দ্য রুরাল পুয়র (ডর্‌প)-এর কার্যালয়ে ‘তামাকবিরোধী ক্যাম্পেইনে শিক্ষার্থীদের নিয়ে অ্যাডভোকেসি’-বিষয়ক দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এমন দাবি জানিয়েছেন যুবকরা।

কর্মশালার প্রশিক্ষক সিটিএফকে বাংলাদেশের প্রোগ্রামস ম্যানেজার আব্দুস সালাম মিয়া বলেন, যুবদের দাবি অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে সংশোধনী তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন পাস করা। বর্তমানে আমাদের দেশের তামাকপণ্য ৪ ধরনের কর কাঠামো আছে। তামাকপণ্য ভোক্তাদের প্রায় ৭৫ শতাংশ লোক নিম্নস্তরের সিগারেট সেবন করেন। নিম্ন আয়ের মানুষরা নিম্নস্তরের সিগারেটের প্রধান গ্রাহক। তারা আয়ের ৪ ভাগের ১ ভাগ সিগারেট সেবনের পেছনে ব্যয় করেন।

তিনি আরও বলেন, নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম বাড়িয়ে দিলে এই ৭৫ শতাংশ ভোক্তার কাছে সিগারেট ক্রয়ক্ষমতা বাইরে চলে যাবে। ক্রয়ক্ষমতার বাইরে যদি সিগারেট চলে যায় তবে সিগারেট গ্রহণের হার কমবে।

তামাক পণ্য নিয়ন্ত্রণে সংস্থাটি এই কর্মশালায় তাদের ৬টি প্রস্তাবনার কথা উল্লেখ করেন।

তাদের প্রস্তাবনাগুলো হলো : তামাকপণ্যের খুচরা বিক্রি নিষিদ্ধ করা, তামাক পণ্যের প্রচার বন্ধ করার জন্য বিক্রয় কেন্দ্রে তামাক পণ্যের প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা, তামাক কোম্পানির সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা, ই-সিগারেট, ইমার্জিং হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্ট আমদানি, উৎপাদন, ব্যবহার ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ করা, তামাক পণ্যের সকল প্রকার খুচরা ও খোলা বিক্রয় বন্ধ করা এবং সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কতার আকার ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৯০ শতাংশ করা।

দিনব্যাপী এই কর্মশালায় সংস্থাটি তামাক কর কাঠামো, তামাক কর ও মূল্য বাড়ানোর সুবিধা, তামাক নিয়ন্ত্রণের উপায়সহ তামাক সেবনের ক্ষতিকারক দিকগুলো তুলে ধরেন শিক্ষার্থীদের মাঝে। সাত দিনব্যাপী এই কর্মশালার ৫ম দিনে ঢাকার বিভিন্ন স্কুল কলেজের ২৫ জন শিক্ষার্থী এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জীবিকার তাগিদে গিয়ে কফিনবন্দি হয়ে ফিরলেন ২ যুবক

মাছ ধরতে গিয়ে ডোবায় প্রাণ গেল ২ শিশুর

দলিল লেখক সমিতির নির্বাচনে ৭ পদে আ.লীগ, ৩ পদে বিএনপির বিজয়

ইসলামী ব্যাংকের সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসতে সুইজারল্যান্ড যাচ্ছে ইরানের প্রতিনিধিদল 

গোসল করতে পুকুরে নেমে প্রাণ গেল ২ বোনের

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা নয়, ইব্রাহিমোভিচের মতে বিশ্বকাপ জিততে পারে যে দল

বাংলাদেশে ক্রাউডফান্ডিং প্ল্যাটফর্ম ‘একশো’ -এর যাত্রা শুরু

বাংলাদেশিদের সমর্থন চাইলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

হিজাব ছাড়া গান, ইরানি গায়িকাকে ৭৪ দোররা মারার নির্দেশ

১০

নজরুলের গানে মুখর বারহাট্টা, ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ শতবর্ষে দিনব্যাপী কর্মশালা

১১

শ্রীরামচন্দ্রের প্রতিকৃতি অবমাননার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ সমাবেশ

১২

লিবিয়া উপকূলে ভেসে এলো ১৫ অভিবাসীর মরদেহ

১৩

ফরিদপুরে জিয়াউর রহমানের খনন করা খালে বাঁধ, বিপাকে কয়েক হাজার কৃষক

১৪

বাবা দিবসের বিশেষ নাটক ‘বাবার ডায়েরি’

১৫

ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে করা যাবে যেসব কাজ

১৬

বিয়ের ৬ মাস পার না হতেই লাশ হয়ে ফিরলেন কাজল রেখা

১৭

ডিজিটাল রূপান্তরের নতুন বাস্তবতা নিয়ে ‘১২তম ডিজিটাল সামিট’ অনুষ্ঠিত

১৮

গৃহকর্মীকে হত্যা, স্ত্রীসহ পাউবোর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সবিবুর রিমান্ডে

১৯

বিশ্বকাপের মাঝে অবসর ভেঙে ফিরলেন রোনালদিনহো

২০
X