

দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন সংগীতশিল্পী জেফার রহমান ও জনপ্রিয় উপস্থাপক রাফসান সাবাব। এ খবর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই নেটিজেনদের মনে প্রশ্ন— কোথায় আছেন বা কী করছেন রাফসানের সাবেক স্ত্রী চিকিৎসক সানিয়া এশা?
এর আগে, ২০২০ সালে রাফসান সানিয়া সুলতানা এশা নামে এক চিকিৎসককে বিয়ে করেন। তিন বছরের সেই সংসার ভাঙে ২০২৩ সালের শেষ দিকে।
ওই সময় ফেসবুকে খবরটি জানিয়ে রাফসান লেখেন, ‘বিবাহ বিচ্ছেদের এই সিদ্ধান্ত নেওয়াটা খুব সহজ ছিল না, কিন্তু অনেক চিন্তাভাবনার পরে দুজনের আলাদা হয়ে যাওয়াটাই সুন্দর সমাধান বলে মনে হয়েছে। আমাদের একসঙ্গে তিন বছরের পথচলা এবং আমি চাই শেষটা সম্মানজনকভাবেই হোক।’
খবরটি প্রকাশের পরই মুখ খোলেন তার স্ত্রী সানিয়া সুলতানা এশা। জানান, তিনি বিচ্ছেদ চাননি। এখান থেকেই নতুন করে আলোচনায় আসে জেফার-রাফসান সম্পর্কের প্রসঙ্গ।
এদিকে রাফসান সাবাবের সাবেক স্ত্রী সানিয়া এশার ফেসবুক প্রোফাইল সূত্রে জানা গেছে, কসমেটিক মেডিসিনের জগতে সাফল্যের সঙ্গে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলেছেন এশা। বর্তমানে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র ‘এস্তে এসথেটিক হাসপাতাল’-এ কনসালট্যান্ট হিসেবে নিযুক্ত আছেন তিনি। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর দীর্ঘ আড়াই বছরের সফল কর্মজীবন শেষে এসথেটিক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন এশা।
সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে নিজের সাফল্যের কথা জানান তিনি। পোস্টের ক্যাপশনে সানিয়া এশা লিখেছেন— আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞতার সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমি এস্তে এসথেটিক হাসপাতালে একজন এসথেটিক মেডিসিন কনসালট্যান্ট হিসেবে যোগদান করেছি।
তিনি বলেন, এস্তে মেডিকেল বাংলাদেশে আড়াই বছর কাটানোর পর এ অর্জনের মাধ্যমে জীবনের একটি নতুন অধ্যায় শুরু করলাম। এটি আমার জন্য আরও বেশি দায়িত্ব, পেশাগত উন্নয়ন এবং শেখার সুযোগ এনে দিয়েছে। পুরো যাত্রাজুড়ে ম্যানেজমেন্ট এবং শিক্ষাগুরুরা আমার ওপর আস্থা রেখেছেন ও উৎসাহ জুগিয়েছেন, এ জন্য আমি তাদের প্রতি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ। আমি আন্তরিকতার সঙ্গে রোগীদের সেবা প্রদানের জন্য উন্মুখ হয়ে আছি। নতুন এই পথচলায় সবার কাছে দোয়া ও আশীর্বাদ চেয়েছেন এশা, সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।
উল্লেখ্য, সংগীতশিল্পী জেফার ও রাফসানের বন্ধুত্ব দীর্ঘদিনের। সেই বন্ধুত্ব থেকেই প্রেম এবং অবশেষে বিয়ের সিদ্ধান্ত। বছরখানেক আগে রাফসানের আগের সংসার ভাঙার খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই মূলত জেফারের সঙ্গে তার প্রেমের গুঞ্জন ডালপালা মেলে। যদিও জনসমক্ষে তারা একে অপরকে সবসময় ‘ভালো বন্ধু’ হিসেবেই পরিচয় দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন