

নিয়োগ ও পদোন্নতিতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের নির্দেশনায় বিটিআরসির ৬ কর্মকর্তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে পদায়ন করা হয়। শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও উল্লেখ করা হয়েছিল। শ্বেতপত্র প্রতিবেদনেও এই ছয় কর্মকর্তার নাম উঠে আসে। তারপরও ওএসডি ওই ৬ কর্মকর্তাকে পুনঃপদায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিটিআরসির কমিশন সভার আলোচ্যসূচিতে ওএসডি ওই ৬ কর্মকর্তার পুনঃপদায়ন পুনর্বিবেচনার বিষয়টি এজেন্ডাভুক্ত হয়েছে।
এর আগে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ২৯৮তম কমিশন সভাই ওই ৬ কর্মকর্তাদের শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে পদায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সভায় শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও উল্লেখ করা হয়েছিল।
সম্প্রতি প্রকাশিত শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদনে এই ছয় কর্মকর্তার নাম উঠে এসেছে এবং প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে বলা হয়, তাদের নিয়োগ ও পদোন্নতিতে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। এরপরও মন্ত্রণালয়কে অবহিত না করে এবং সংশ্লিষ্ট সব আপত্তি উপেক্ষা করে ওএসডি থাকা এসব কর্মকর্তাকে পুনরায় পদায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিটিআরসির একটি সূত্র জানিয়েছে, কার্যপত্রে তাদের পুনঃপদায়নের সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কমিশন সভায় এটি অনুমোদিত হলে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা ও শ্বেতপত্র কমিটির সুপারিশ উপেক্ষা করেই ওএসডি থাকা এই ছয় কর্মকর্তাকে পুনরায় পদায়ন করা হবে।
অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ওএসডি হওয়া কর্মকর্তারা হলেন, সংস্থাটির মহাপরিচালক আশীষ কুমার কুন্ডু, পরিচালক মো. ইয়াকুব আলী ভূঁইয়া, পরিচালক আফতাব মো. রাশেদুল ওয়াদুদ, পরিচালক এস এম তালেব হোসেন, উপপরিচালক মো. আসাদুজ্জামান এবং উপপরিচালক শারমিন সুলতানা।
মন্তব্য করুন