ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশ : ১৩ মার্চ ২০২৬, ০২:৫২ পিএম
আপডেট : ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন শনিবার, কে পাবেন কত?

ইমাম-মুয়াজ্জিন
বাংলাদেশ সরকারের লোগো | গ্রাফিক্স : কালবেলা

ঈদুল ফিতরের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের মাসিক সম্মানী প্রদান শুরু করতে যাচ্ছে বিএনপি সরকার।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমরানুল হাসানের পাঠানো বার্তায় আরও জানানো হয়, একই সঙ্গে ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি গির্জার যাজকসহ উপাসনালয়ের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদেরও সম্মানী কার্যক্রম উদ্বোধন হবে।

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জাবিউল্লাহ জানান, পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি মসজিদের জন্য ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্য থেকে ইমাম ৫ হাজার, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার এবং খাদেম ২ হাজার করে টাকা পাবেন। আর প্রতিটি মন্দিরের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা থেকে পুরোহিত ৫ হাজার টাকা এবং সেবাইত ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।

প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, এ থেকে বিহার অধ্যক্ষ ৫ হাজার টাকা এবং উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা করে পাবেন। এ ছাড়া প্রতি খ্রিস্টান চার্চের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা থেকে পালক বা যাজক ৫ হাজার টাকা, সহকারী পালক বা যাজক ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।

প্রতি বছর ধর্মীয় উৎসবে মসজিদে কর্মরতদেরকে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার ক্ষেত্রে ১ হাজার টাকা করে বছরে ২ বার এবং দুর্গাপূজা, বৌদ্ধপূর্ণিমা বা বড়দিনের ক্ষেত্রে ২ হাজার টাকা করে বোনাস দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন ইসমাইল জাবিউল্লাহ। তবে যেসব মসজিদ সরকারি ও দেশি বা বিদেশি সংস্থার অনুদানপ্রাপ্ত, সেসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এ সুবিধার বাইরে থাকবে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এবার পরীক্ষামূলকভাবে কার্যক্রম শুরু হলেও আগামী চার অর্থবছরে ধাপে ধাপে সারা দেশের সব মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের এই সম্মানীর আওতায় আনা হবে।

ইসমাইল জবিউল্লাহ আরও বলেন, চলতি অর্থবছরে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রায় ২৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। আর দেশের সব মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধবিহার বা প্যাগোডা এবং গির্জাকে অন্তর্ভুক্ত করে পুরো কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হলে বার্ষিক ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

সরকার চার ধাপে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে। প্রথম ধাপে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বরাদ্দ লাগবে প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা। পরের বছর ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা। ২০২৮-২৯ অর্থবছরে প্রায় ৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে প্রয়োজন হবে ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রোলেক্স ঘড়ি উপহার পেয়ে আবেগাপ্লুত শাকিব যা বললেন

লেবাননে ইসরায়েলি হামলার জবাব দেওয়া হবে : ইরান

সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে ভারত : মুক্তিযোদ্ধা দল 

ইসলামী ব্যাংক থেকে গ্রাহকের ৫ লাখ টাকা উধাও

সংসদীয় স্থায়ী কমিটি : আইনের সভাপতি পার্থ, অর্থে মুশিফকুর 

বিশ্বকাপ স্বপ্ন ভাঙলেও পুরো বেতন পাচ্ছেন সেই সোমালিয়ান রেফারি

অভিনয়ে নাম লেখাচ্ছেন লাক্স সুপারস্টার বর্ণিতা

‘শাপলার কসাই’ শেষ, এবার পরের জন: শফিকুল আলম

সব শঙ্কা উধাও, পুরোপুরি ফিট মেসি

বৃদ্ধা মাকে নির্যাতন করায় ২ ছেলে গ্রেপ্তার

১০

পাকিস্তানে পুলিশের গুলিতে অস্ট্রেলীয় শিশু নিহত, কনস্টেবল গ্রেপ্তার

১১

সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার পথে নতুন বাজেট : সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ

১২

আজান দিতে দিতেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন মুয়াজ্জিন 

১৩

বিদ্যুৎ শ্রমিক নেতাদের বদলি প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

১৪

ক্রিকেটার নাঈম হাসানের মানসিক অবস্থার অবনতি

১৫

‘নারী এমপিদের পোশাক নিয়ে মনিরুলের বক্তব্য বর্ণবাদী আচরণের বহিঃপ্রকাশ’

১৬

বান্ধবীর অনুরোধে দুধ দিয়ে গোসল করে ব্রাজিল ছাড়লেন তাওহিদুল

১৭

স্ত্রীকে গলা টিপে হত্যাচেষ্টা স্বামীর, ভিডিও ভাইরাল

১৮

শিল্পকলা থেকে অভিনেত্রী নীল হুরেরজাহানের আইফোন চুরি

১৯

হাকিমির সঙ্গে প্রেম করছেন নোরা ফাতেহি?

২০
X