কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ জুন ২০২৫, ০৮:২০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সরকারি অফিস সচলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে : ইসলামী আন্দোলন

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের লোগো। ছবি : কালবেলা গ্রাফিক্স
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের লোগো। ছবি : কালবেলা গ্রাফিক্স

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমেদ বলেছেন, রাজস্ব খাত ও সচিবালয়সহ সরকারি অফিসে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে তা নজিরবিহীন। জনপ্রশাসনের এমন অচলাবস্থা রাষ্ট্রের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। এজন্য এসব সরকারি অফিস সচলে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

সোমবার (২৩ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব বলেছেন, বাংলাদেশের আর্থসামাজিক বাস্তবতায় সবচেয়ে স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপদ জীবন-যাপন করেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বাংলাদেশের যত উন্নতি তার জন্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবদান অবশ্য স্বীকার্য।

তিনি বলেন, একইসঙ্গে বাংলাদেশের জনপ্রশাসন নিয়ে মানুষের অভিযোগেরও সীমা নাই। জুলাই অভ্যুত্থানের পরে সামগ্রিক সংস্কারের অংশ হিসেবে রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় ও সরকারি চাকরীবিধিতে সংস্কার আনা হয়েছে। যে কোনো পরিবর্তন এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি করে। সেই অস্থিরতা দূর করার জন্য আলোচনা উত্তম পন্থা। বিশেষ করে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আলোচনাই একমাত্র পন্থা।

তিনি আরও বলেন, কিন্তু রাজস্ব খাতের সংস্কার ও চাকরিবিধির পরে রাজস্ব খাত ও সচিবালয়সহ সরকারি অফিসে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে তা নজিরবিহীন। একটি আধুনিক ও কার্যকর রাষ্ট্রে জনপ্রশাসনে এমন অচলাবস্থা রাষ্ট্রের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

ইউনুস আহমেদ বলেন, সরকারি চাকরি নৈর্ব্যক্তিক। রাষ্ট্র পরিচালনা করতে গেলে জনপ্রশাসনের নৈর্ব্যক্তিক হওয়াই বাঞ্ছনীয়। রাষ্ট্রের স্বার্থে সরকারি চাকরিজীবীদের এমন অনেক ক্ষেত্রেই সীমিত মাত্রায় অবস্থান করতে হয় যা একজন সাধারণ নাগরিকের জন্য মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। একজন সরকারি চাকরিজীবী নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না, দলীয় রাজনীতি করতে পারেন না। একইভাবে তারা কোনো দাবি আদায়ে বিক্ষোভ বা অচলাবস্থা তৈরি করতে পারেন না।

তিনি বলেন, আধুনিক ব্যবস্থাপনা দক্ষতা ও ফলাফল নির্ভর। এই মৌলিক নীতিকে সামনে রেখে চাকরীবিধি সংস্কার করা হয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশে জিডিপি-কর অনুপাত খুবই খারাপ অবস্থায়। সেটা উন্নত করার জন্য রাজস্বখাতের সংস্কার অপরিহার্য ছিল। সংস্কারে কারো কারো দ্বিমত থাকতে পারে কিন্তু কর্মবিরতি দিয়ে জনগণকে জিম্মি করা কোনোভাবে সমর্থনযোগ্য না। নৈতিকভাবেও তা বৈধ না। কারণ কর্মবিরতির সময়ের বেতন কি তারা প্রত্যাখ্যান করবেন? যদি না করেন তাহলে জনগণের টাকা বেতন নিয়ে জনগণকে জিম্মি করা কীভাবে নৈতিক হয়। বৈতনিক বিক্ষোভের নজীর কোথায় আছে? রাষ্ট্রকে কার্যকর ও সক্রিয় রাখতে দ্রুততার সাথে ব্যবস্থা নিতে হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চট্টগ্রামে ওয়াসিম হত্যা : অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছাল

অঝোরে কাঁদছেন সপ্না, নীরব দৃষ্টিতে তাকিয়ে ঘাতক সোহেল

বিআইডব্লিউটিএর নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদান করলেন মুহিদুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম

যুদ্ধবিরতির আশায় কমল জ্বালানি তেলের দাম

বৈশ্বিক তেলের বাজারে চাপ কমাতে ভূমিকা রাখছে চীন

সরকারি কর্মচারী স্বামীর পরকীয়ায় বাধা, নির্যাতনের শিকার স্কুলশিক্ষিকা স্ত্রী

সম্পদ ছাড়ের প্রশ্নে আটকে আছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা

হরমুজ প্রণালি দ্রুত খুলে দেওয়ার আশা ট্রাম্পের

কাঠগড়ায় আসামি সোহেলকে মারতে উদ্যত হলেন স্ত্রী স্বপ্না

১০

যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন রবিউল ইসলাম নয়ন

১১

১৯০ জনকে চাকরি দেবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, এসএসসি পাসেই আবেদন

১২

জনগণের পকেট কাটতে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি : এবি পার্টি

১৩

শৈলকূপায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৪২

১৪

বালু চোরাকারবারিকে পুলিশে দেওয়ায় দুই বন কর্মকর্তাকে পিটিয়ে আহত

১৫

বাহরাইনে ৫ প্রভাবশালী ধর্মীয় আলেমসহ ২০ শিয়া আটক

১৬

পল্লবীতে মিলল আরেক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ

১৭

যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটিতে কে কোন পদ পেলেন

১৮

সরকারি ব্যাংকে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, এখনই আবেদন করুন

১৯

‘বাথরুমে বোনের কাটা মাথা দেখে চিৎকার দিয়ে চলে আসি’

২০
X