বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তবে ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই; ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে, কেউ ঠেকাতে পারবে না।
জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, যারা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারা আজও বাংলাদেশের বিরোধিতা করছে। অতএব, তাদের থেকে জাতি ভালো কিছু আশা করতে পারে না।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফারুক এসব কথা বলেন। বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে শহীদ জিয়ার অবদান’ শীর্ষক এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ছাত্র-জনতা তথা রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণে গণঅভ্যুত্থানে জনগণের আকাঙ্ক্ষা ছিল দ্রুত দেশে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে। জনগণ তাদের ভোটের অধিকার ফিরে পাবে, গণতন্ত্র ফিরে পাবে, বাক স্বাধীনতা ফিরে পাবে; কিন্তু আমরা আজ তার উল্টাটা দেখছি, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রূপে। ফ্যাসিবাদের দোসররা নামে-বেনামে দেশকে অস্থিতিশিল করার জন্য এবং নির্বাচন বানচাল করার জন্য ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। তাই যত দ্রুত জাতীয় নির্বাচন হবে, জাতির জন্য মঙ্গল।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে জনগণকে সোচ্চার হতে হবে। কারণ, দেশ স্বাধীনের পরে আজও দেশের গণতন্ত্র, জনগণের ভোটের অধিকার নিয়ে তারা ছিনিমিনি খেলছে। অবিলম্বে ‘৭১-এর কর্মকাণ্ডের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
সংগঠনের সভাপতি হুমায়ুন কবির বেপারীর সভাপতিত্বে এবং সহসভাপতি কালাম ফয়েজীর সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য দেন সিনিয়র সাংবাদিক মোস্তফা কামাল মজুমদার, কবি মাহমুদুল হাসান নিজামী, বাংলাদেশ সাংবিধানিক অধিকার ফোরামের সভাপতি সুরঞ্জন ঘোষ, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের হাশেম চৌধুরী, মো. মজনুর রহমান প্রমুখ।
মন্তব্য করুন