কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ জুন ২০২৪, ০৫:১০ পিএম
আপডেট : ১২ জুন ২০২৪, ০৫:১৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

কোরবানির পশুর চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে : ইসলামী আন্দোলন

গ্রাফিক্স : কালবেলা
গ্রাফিক্স : কালবেলা

কোরবানির পশুর চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটির মহাসচিব মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বুধবার (১২ জুন) এক বিবৃতিতে এই দাবি জানান।

তিনি বলেন, দেশে সব পণ্যের দাম পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। কিন্তু কোরবানির পশুর চামড়ার দাম বাড়ছে না। একটি সিন্ডিকেট গোষ্ঠী চামড়া শিল্পকে ধ্বংস করার চক্রান্তে মেতে উঠেছে। পাটশিল্প শেষ করা হয়েছে। এখন চামড়া শিল্পকেও ধ্বংসের সকল আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছে।

ইউনুছ আহমাদ বলেন, একটি ইসলামবিরোধী গোষ্ঠী কওমি মাদ্রাসাকে ধ্বংসে মরিয়া হয়ে উঠছে। কওমি মাদ্রাসায় দেশের লাখ লাখ এতিম, গরিব ও অসহায় মানুষ বিনা বেতনে ও বিনা খরচে পড়ালেখা করে, যার অধিকাংশ কোরবানির পশুর চামড়া থেকে ব্যয়ভার নির্বাহ করা হয়। এজন্য কওমি মাদ্রাসাগুলো যেন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সেজন্য একটি সিন্ডিকেট চামড়ার দাম কমিয়ে গরিব ও বঞ্চিতদের হক নষ্ট করছে।

ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব বলেন, ট্যানারি মালিকদের সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে কোরবানির পশুর চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে। কোরবানির পশুর চামড়ার বিক্রয়লব্ধ অর্থের মালিক এতিম-গরিব ও মিসকিনসহ সমাজের প্রান্তিক দরিদ্রজনগোষ্ঠী। প্রতি বছর চামড়ার দরপতনে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন দরিদ্র জনগোষ্ঠী। এতে বিঘ্নিত হয় দারিদ্র্য বিমোচন প্রক্রিয়া।

তিনি আরও বলেন, কোরবানির পশুর চামড়ার দর নিয়ে বিগত বছরগুলোর ন্যায় আড়তদার ও ট্যানারি মালিকদের সিন্ডিকেট এবং তাদের এজেন্ট মৌসুমী ব্যবসায়ীরা সক্রিয় হয়ে উঠছে। এক শ্রেণির ব্যবসায়ী চামড়ার দাম কমিয়ে গরিব ও এতিমদের হক নষ্ট করছে এবং দেশের চামড়া শিল্পকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে। আসলে কোরবানির মৌসুমে কাঁচা চামড়া সংগ্রহকারীদের দর-কষাকষি করার তেমন সুযোগ থাকে না। তারা যেটুকু মূল্য পান, বাধ্য হয়ে বিক্রি করে দেন। এই জিম্মি দশা থেকে কওমি মাদ্রাসা, এতিমখানা, লিল্লাহ বোর্ডিং ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানকে মুক্ত করতে সরকারকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই হলের নাম পরিবর্তন

সাবেক ছাত্রদল নেতার ওপর দফায় দফায় হামলার অভিযোগ

জবির হল সংসদে ইসলামী ছাত্রী সংস্থা সমর্থিত প্যানেলের জয়

বিজয়ী হয়ে যা বললেন রিয়াজুল

সুখবর পেলেন বিএনপি নেত্রী রাহেনা

এবার সহযোগিতা চাইলেন আমজনতার তারেক

গোপালগঞ্জে শতাধিক আ.লীগ কর্মীর বিএনপিতে যোগদান

বিশ্বকাপ বাছাইয়ে কবে নামছে বাংলাদেশ, কারা প্রতিপক্ষ—জানাল আইসিসি

এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি করে হত্যার সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল

১০

শীর্ষ ৩ পদে কত ভোট পেয়ে জিতল ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল

১১

জকসু নির্বাচনে শীর্ষ তিন পদেই ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের জয়

১২

জুলাইয়ে বীরত্ব : সম্মাননা পেল ১২শ আহত, শহীদ পরিবার ও সাংবাদিক

১৩

পাকিস্তানের আকাশসীমায় অসুস্থ হওয়া বিমানের যাত্রীর মৃত্যু, তদন্তের মুখে পাইলট

১৪

ফারহানের ফিফটিতে লঙ্কান দুর্গে পাকিস্তানের দাপুটে জয়

১৫

আয় ও সম্পদ নিয়ে অপপ্রচার, মুখ খুললেন নাহিদ ইসলাম

১৬

৪৮৯ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন থাকবে

১৭

ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যায় মামলা, বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

১৮

কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান নূরুল আবছারকে কারাদণ্ড

১৯

‘সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীরা বাড়ির বাইরে থাকতে পারবে না’

২০
X