কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২৭ এএম
অনলাইন সংস্করণ

আজ ইস্টার সানডে

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

খ্রিস্টীয় ক্যালেন্ডারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে বা পবিত্র পুনরুত্থান আজ রোববার। খ্রিস্টধর্মাবলম্বীরা এই দিনে মৃত্যুর বিরুদ্ধে যিশুখ্রিস্টের বিজয়ের মহিমান্বিত ক্ষণটি উদযাপন করেন। বিশ্বাসীদের কাছে এটি পুরাতন জীবনের অবসান ঘটিয়ে এক নতুন ও জ্যোতির্ময় জীবনের সূচনার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।

বড়দিনের মতো ইস্টার সানডে প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট তারিখে পালিত হয় না; বরং এটি বসন্ত বিষুবের পরবর্তী প্রথম পূর্ণিমার পর প্রথম রবিবারে পালন করা হয়। সাধারণত ২১ মার্চ বা তার পরে যে পূর্ণিমা হয়, সেই পূর্ণিমার পরবর্তী রোববার এই উৎসব উদযাপিত হয়। চলতি বছর ইস্টার সানডে পালিত হচ্ছে আজ ৫ এপ্রিল।

মূলত গ্রেগরিয়ান ও জুলিয়ান ক্যালেন্ডারসহ বিভিন্ন পঞ্জিকার হিসাব অনুযায়ী প্রতি বছর ৪ এপ্রিল থেকে ৮ মে’র মধ্যবর্তী কোনো এক সময়ে এই উৎসবের দিনটি নির্ধারিত হয়। ধর্মীয় গাম্ভীর্যের পাশাপাশি এই দিনে নানা আনন্দঘন সামাজিক রীতিও পালন করা হয়।

খ্রিস্টধর্মের সবচেয়ে বড় উৎসব বড়দিন বা ক্রিসমাসের পরেই ইস্টার সানডের অবস্থান। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, গুড ফ্রাইডেতে যিশুখ্রিস্ট ক্রুশবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন এবং মৃত্যুর তৃতীয় দিবসে অর্থাৎ পরবর্তী রোববারে তিনি পুনরায় জীবিত হয়ে ওঠেন। মৃত্যুকে জয় করে যিশুর এই ফিরে আসা এবং মানুষের মাঝে পুনরায় উপস্থিত হওয়াই ইস্টার সানডের মূল প্রতিপাদ্য।

যিশুর ক্রুশে জীবনদান এবং গৌরবদীপ্ত পুনরুজ্জীবন খ্রিষ্টীয় ধর্মবিশ্বাসের মূল ভিত্তি। মানুষের সেবায় নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে সত্য ও সুন্দরের পথে এগিয়ে যাওয়াই এই দিবসের প্রধান শিক্ষা। ইস্টার উপলক্ষে বিশ্বব্যাপী খ্রিষ্ট-বিশ্বাসীরা বেশ কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন ধর্মীয় আচার ও কর্মসূচি পালন করেন। তবে ইস্টারের দিনক্ষণ নিয়ে ঐতিহাসিকভাবে ভিন্ন ভিন্ন মত প্রচলিত আছে।

সাধারণত ‘স্প্রিং ইকুইনক্স’ বা মহাবিষুব-এর সময় এই উৎসব পালন করা হয়। যিশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার সঠিক বছর নিয়েও গবেষকদের মধ্যে মতান্তর রয়েছে। অধিকাংশের মতে এটি ৩৩ খ্রিষ্টাব্দ হলেও, স্যার আইজ্যাক নিউটন গ্রহ-নক্ষত্রের গতিবিধি বিশ্লেষণ করে দাবি করেছিলেন যে সময়টি ছিল ৩৪ খ্রিষ্টাব্দ।

যিশুর পুনর্জন্মের প্রতীক হিসেবে এদিন রকমারি রঙে রাঙানো ‘ইস্টার এগ’ বা ডিম বিতরণ করা হয়। বর্তমানে চকোলেট দিয়ে তৈরি ডিম্বাকৃতির উপহার দেওয়ার প্রচলন বেশ বেড়েছে। এছাড়া শিশুদের আনন্দের জন্য বড়দের ‘ইস্টার বানি’ সেজে চকোলেট উপহার দেওয়া এবং বিভিন্ন স্থানে ডিম নিয়ে মজার খেলার আয়োজন করা এই উৎসবের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শিক্ষা অফিসারদের গাফিলতিতে অনুদান থেকে বঞ্চিত মেধাবী শিক্ষার্থীরা

সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেননি মোজতবা খামেনি, কী বলছে যুক্তরাষ্ট্র

দাস বাণিজ্যের রুট থেকে বিশ্বকাপের মহামঞ্চে কেপ ভার্দের অভিষেক

গ্রাহকদের জন্য সুখবর দিল ইসলামী ব্যাংক 

‘ইসলামী ব্যাংককে আগের মর্যাদায় ফিরিয়ে আনতে কাজ করবে নতুন প্রতিনিধি’

৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা 

সংসদে নারীদের বোরকা-হিজাব নিয়ে মন্তব্য, হেফাজতের প্রতিবাদ

ইরানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছেন ট্রাম্প ও ভ্যান্স

৩ ঘণ্টা পর ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

শর্ত মানলে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পাবে ইরান : ভ্যান্স

১০

গণমাধ্যমে সত্যকে সত্য হিসেবেই তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর 

১১

সিএমপির ৫ থানায় নতুন ওসি, ৮ পরিদর্শক বদলি

১২

মাদারীপুরে দুপক্ষের তুমুল সংঘর্ষ, আহত ১০

১৩

হতাশায় গাঁজার নেশায় ঝুঁকছে ব্রাজিলের তরুণরা, বলছে গবেষণা

১৪

গোল করে বাঁ পায়ের জাদু দেখালেন জাইমা রহমান

১৫

বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে রুমিন ফারহানার প্রশ্ন

১৬

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা নিয়ে কঠোর অবস্থানে ইসরায়েল

১৭

বাড়ি বিক্রি করে বিশ্বভ্রমণে ব্রিটিশ নারী, ঘুরেছেন ১৭৯ দেশ

১৮

এবার ছোটপর্দার গোয়েন্দা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়

১৯

হরমুজ প্রণালি নিরাপদ রাখতে একসঙ্গে কাজ করবে ইরান ও ওমান

২০
X