স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:১১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন

বাংলাদেশের ভারতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ক্ষতির আশঙ্কায় কলকাতা

বাংলাদেশ দল। ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশ দল। ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের সব থেকে বেশি ম্যাচ খেলার কথা ছিল কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে। তবে বাংলাদেশ ভারতে খেলতে না আসার সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় কলকাতার ক্রিকেট মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, বাংলাদেশের ভারতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ক্ষতির মুখে পড়বে কলকাতা।

সাবেক ক্রিকেটার, জাতীয় নির্বাচক থেকে শুরু করে ক্রিকেট সংবাদদাতা বা সাধারণ ক্রিকেট ভক্তরা অনেকেই বলছেন, বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্তের পিছনে তো ছিল মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএলে খেলতে দেওয়া হবে না বলে বিসিসিআইয়ের যে ঘোষণা, সেই রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত খেলার মাঠে চাপিয়ে না দেওয়াটাই বাঞ্ছনীয় ছিল। তবে এই মতও আছে যে, রাজনীতি আর কূটনীতি সব খেলাকেই প্রভাবিত করে, তাই ক্রিকেট মাঠ তার থেকে আলাদা কীভাবে থাকবে?

আবার বাংলাদেশের জার্সি গায়ে সমর্থকদের নিরাপত্তা দেওয়া যাবে কিনা বলে যে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, সেটিকে অবান্তর বলছেন কেউ কেউ। কারণ ভারত তো এখন মেডিকেল ভিসা ছাড়া বাংলাদেশিদের একরকম ভিসা দেওয়াই বন্ধ রেখেছে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে ক্রিকেট ভক্তরা ভারতে আসবেন কী করে?

কলকাতার ক্রিকেট ভক্ত আর বিশেষজ্ঞদের বেশিরভাগই মানছেন যে, মুস্তাফিজকে নিলামে তুলে, দলে নিয়েও তারপরে না খেলতে দেওয়াটা অনুচিত হয়েছে বিসিসিআইয়ের। বাংলাদেশি প্লেয়ারদের খেলতে না দেওয়ার সিদ্ধান্তটা আগেই কেন নেওয়া হলো না? আর ভারতে খেলতে না আসার যে সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ নিয়েছে, তার ফলে কলকাতাকে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে বলে মনে করছেন সবাই।

কারণ হিসেবে তারা বলছেন, কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে বাংলাদেশের যে তিনটি ম্যাচ খেলার কথা ছিল, কিন্তু এখন হয়তো বদলি ম্যাচ আর নাও পেতে পারে কলকাতা।

কলকাতার ক্রিকেট ভক্তদের একাংশও মনে করেন, মুস্তাফিজকে খেলতে না দেওয়া অনুচিত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘মুস্তাফিজের ব্যাপারে বিসিসিআই যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটা তো আদতে কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত। এটা অনুচিত হয়েছে। বিসিসিআই তো আগে ঠিক করতে পারত যে পাকিস্তানের মতোই বাংলাদেশের কোনো প্লেয়ারকে নিলামে তোলা যাবে না।’

সূত্র : বিবিসি বাংলা

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাজার সংস্কারে কঠিন পথ পাড়ি দিতে হবে : বিএসইসি চেয়ারম্যান

নেসলে বাংলাদেশ পরিদর্শনে সুইজারল্যান্ড পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদল

নেসকো ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন

ঢাকাকে আর বাসযোগ্য মনে হয় না মির্জা ফখরুলের

মীমাংসিত জমি ফের দখলের চেষ্টা, সাংবাদিকের পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি

বিরিয়ানির বিনিময়ে বিক্রি হচ্ছে বিবেক, শিক্ষার্থীদের নিয়ে রাশেদ খাঁনের ক্ষোভ

শূন্যরেখায় থাকা ২৮ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ

মার্কিন হামলার জবাবে ‘শত্রু ঘাঁটিতে’ আঘাত ইরানের

রাজধানীতে গ্যাস লিকেজের আগুনে পুড়ল তিনজন, আশঙ্কাজনক দুই

কুয়েত ও বাহরাইনের দিকে ৭টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান : যুক্তরাষ্ট্র

১০

আ.লীগের চুরি ও পাচারের কারণেই বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে চাপ : তথ্যমন্ত্রী

১১

মাছবাহী পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ২

১২

ঢাকার সড়কে যাত্রীবাহী বাস উল্টে প্রাণ গেল হেলপারের

১৩

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে আরও কোটি মানুষ খাদ্য সংকটে পড়তে পারে : জাতিসংঘ

১৪

যাত্রীবাহী বাসের পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২

১৫

৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারে দাম বাড়বে না : তথ্য উপদেষ্টা

১৬

সুপ্রিম কোর্ট ও অ্যাটর্নি জেনারেলের বিভিন্ন শাখা শনিবার খোলা 

১৭

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট

১৮

তেল-গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ও সীমান্তে পুশইনের প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভের ডাক

১৯

শান্তিরক্ষায় আত্মত্যাগের স্বীকৃতি, জাতিসংঘ পদকে ভূষিত ৬ বাংলাদেশি

২০
X